Fertilizer issue: আসছে LPG বোঝাই ভেসেল! ইরান যুদ্ধের মাঝে কি সারও চিন্তায় রাখবে? কেন্দ্রীয় সূত্র কী বলছে? এল রিপোর্ট

ইরান যুদ্ধের মধ্যে ২০২৬ খরিফ মরশুমে ভারতের কৃষিক্ষেত্র পর্যাপ্ত সার পাবে কি না, তা নিয়ে খোঁজ নিতে গিয়ে এনডিটিভির এক রিপোর্ট বলছে, কেন্দ্রীয় সূত্র অনুসারে, ভারতের কাছে পর্যাপ্ত পরিমাণে সার রয়েছে।

Published on: Mar 14, 2026 7:38 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

ইরান যুদ্ধের জেরে ইতিমধ্যেই হু হু করে দাম বেড়েছে রান্নার গ্যাসের। বাণিজ্যিক এলপিজি থেকে ঘরোয়া এলপিজি, সমস্ত ক্ষেত্রেই বাড়তি টাকা খসছে সাধারণ মানুষের পকেট থেকে। এর জেরে বেড়েছে অটো ভাড়া। এদিকে, জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় বিমানের ভাড়া বৃদ্ধি শুরু হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে এবার সারকে কেন্দ্র করে। ফসল চাষের অন্যতম বড় শর্ত হল সার। আর তাতেও কি ইরান বনাম আমেরিকা, ইজরায়েল যুদ্ধের কোপ পড়বে? সারের দামে বৃদ্ধি হলে আরও বড় আশঙ্কার মেঘ দানা বাঁধতে পারে। তবে এই পরিস্থিতিতে সার নিয়ে বড় আশ্বাসের বার্তা শোনাল কেন্দ্রীয় সূত্র, দাবি রিপোর্টের।

ইরান যুদ্ধের মাঝে এলপিজির পর কি সারও চিন্তায় রাখবে?  (প্রতীকী ছবি, স্থান-কাঠমান্ডু ANI Video Grab) (ANI Video Grab)
ইরান যুদ্ধের মাঝে এলপিজির পর কি সারও চিন্তায় রাখবে? (প্রতীকী ছবি, স্থান-কাঠমান্ডু ANI Video Grab) (ANI Video Grab)

সার নিয়ে কী বলছে কেন্দ্র ?

ইরান যুদ্ধের মধ্যে ২০২৬ খরিফ মরশুমে ভারতের কৃষিক্ষেত্র পর্যাপ্ত সার পাবে কি না, তা নিয়ে খোঁজ নিতে গিয়ে এনডিটিভির এক রিপোর্ট বলছে, কেন্দ্রীয় সূত্র অনুসারে, ভারতের কাছে পর্যাপ্ত পরিমাণে সার রয়েছে। মূলত, হরমুজ প্রণালী রুদ্ধ হয়ে রয়েছে ইরানে আমেরিকা, ইজরায়েলে হামলার পর থেকে দুই পক্ষের যুদ্ধের জেরে। তবে সদ্য ভারতীয় পতাকাধারী জাহাজকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে ছেড়ে দিয়েছে ইরান। এদিকে, ওই প্রতিবেদনের রিপোর্ট বলছে, ভূ-রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা বিশ্ব বাজারকে আরও শক্ত করে তুলতে পারে এই আশঙ্কায় সরকার আমদানি এবং অভ্যন্তরীণ রক্ষণাবেক্ষণের সময়সূচী দ্রুততার সাথে সম্পন্ন করার পদক্ষেপ নিয়েছে। স্বস্তির বার্তা দিয়ে রিপোর্ট দাবি করছে, ১৩ মার্চ পর্যন্ত, ভারতের সারের মজুদ গত বছরের একই সময়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে পূর্ণ। বর্তমান মজুদের অবস্থা কৃষকদের গ্রীষ্মকালীন ফসলের প্রস্তুতির জন্য একটি আরামদায়ক আশ্রয়ের ইঙ্গিত দেয়। রিপোর্টে দেওয়া তথ্য বলছে, বর্তমানে ইউরিয়ার মজুদ প্রায় ৬২ লক্ষ টন, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ১০ লক্ষ টন বেশি, অন্যদিকে ডিএপি মজুদ ২৫ লক্ষ টন, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। সূত্র জানিয়েছে, এনপিকে মজুদ রেকর্ড ৫৬ লক্ষ টনে পৌঁছেছে, যা গত বছর ছিল ৩১ লক্ষ টন।

জ্বালানি নিয়ে কেন্দ্র কী জানিয়েছে?

এদিকে, জ্বালানি নিয়ে কেন্দ্রের তরফে শনিবার জানানো হয়েছে, ‘সারা দেশের খুচরা বিক্রেতাদের কাছে পেট্রোল এবং ডিজেল পর্যাপ্ত পরিমাণে পাওয়া যায়। গ্রাহকদের আলগা বা অনুপযুক্ত পাত্রে জ্বালানি গ্রহণ বা সংরক্ষণ না করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে, কারণ এটি গুরুতর নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করে।’

এলপিজি বোঝাই ভেসেল ভারতের পথে:-

এদিকে, হরমুজ পার করে গিয়েছে ভারতমুখী এক এলপিজি বোঝাই ভেসেল। তাতে ৯২,৭০০ টন কার্গো রয়েছে। এটি ভারতে ১৬, ১৭ মার্চ নাগাদ পৌঁছানোর কথা। আপাতত যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরানের কাছে হরমুজ প্রণালী তারা পার করে গিয়েছে। এলপিজি বোঝাই ভেসেল শিবালিক ও নন্দাদেবী, কান্ডালা ও মুন্দ্রা বন্দরে পৌঁছানোর কথা।

  • Sritama Mitra
    ABOUT THE AUTHOR
    Sritama Mitra

    শ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More