US China:হঠাৎ ঘুরে গেল জাহাজ, US যুদ্ধবিমানের সরঞ্জাম গিয়ে পড়ল চিনাদের হাতে?শুরু তদন্ত, এল রিপোর্ট

এফ ৩৫ বিমানের সরঞ্জাম কি সত্যিই চিনাদের হাতে পড়েছে?

Published on: Sep 20, 2026, 08:25:17 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

অস্ট্রেলিয়া থেকে জাহাজ যাচ্ছিল আমেরিকার দিকে। হঠাৎই হংকংয়ের দিকে ঘুরে যায় জাহাজের অভিমুখ। জাহাজে ছিল মার্কিন এফ৩৫ বিমানের সরঞ্জাম। আর সেই সমেতই জাহাজ চলে যায় হংকংয়ের দিকে। সন্দেহ করা হচ্ছে, মার্কিন যুদ্ধ জাহাজ এই এফ৩৫ বিমানের সরঞ্জাম সম্ভবত গিয়ে পড়েছে চিনের কর্তৃপক্ষের হাতে। এমনই তথ্য তুলে ধরেছে ‘দ্য পলিটিকো’-র নয়া রিপোর্ট।

হঠাৎ ঘুরে গেল জাহাজ, US যুদ্ধবিমানের সরঞ্জাম গিয়ে পড়ল চিনাদের হাতে! তদন্ত শুরু (Photo by Mandel NGAN / AFP) (AFP)
হঠাৎ ঘুরে গেল জাহাজ, US যুদ্ধবিমানের সরঞ্জাম গিয়ে পড়ল চিনাদের হাতে! তদন্ত শুরু (Photo by Mandel NGAN / AFP) (AFP)

কিছুদিন আগেই এক রিপোর্টে উঠে এসেছিল যে, মার্কিন গোয়েন্দারা সতর্ক করেছেন যে, চিন সম্ভবত আমেরিকার যুদ্ধবিমান এফ৩৫র প্রযুক্তি চুরির চেষ্টায় রয়েছে। সৌদি আরবের সঙ্গে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রির প্রক্রিয়া চলাকালীন, গোয়েন্দা বিশ্লেষকরা এই সম্ভাবনার বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন বলে ‘দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস’-এর একটি প্রতিবেদন দাবি করে। এবার ‘দ্য পলিটিকো’র রিপোর্ট বলছে, আমেরিকার যুদ্ধবিমানের গুরুত্বপূর্ণ অংশ এফ৩৫ ক্যানোপি নিয়ে জলপথে সওয়ার হয়েছিল এক আমেরিকাগামী জাহাজ। ছিল চালান। অভিযোগ যুদ্ধবিমানের সরঞ্জামগুলো একজন দালালের মাধ্যমে সরানো হচ্ছিল। তবে চালানটি ঠিক কোথায় পাঠানো হয়েছে বা বর্তমানে যন্ত্রাংশগুলো কার কাছে আছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনায় তদন্তে নেমেছে পেন্টাগন। তদন্তে মার্কিন কংগ্রেসও নেমেছে বলে জানা গিয়েছে।

এদিকে, এফ-৩৫ জয়েন্ট প্রোগ্রাম অফিস নিশ্চিত করেছে যে, এফ-৩৫ লাইটনিং II-এর যন্ত্রাংশ সংক্রান্ত একটি 'চালান সমস্যা' সম্পর্কে তারা অবগত। জানা যাচ্ছে, মার্কিন ওই যুদ্ধবিমানের যে সরঞ্জাম নিয়ে এই চাঞ্চল্য, তা, পাইলটের ককপিটের জন্য কেবল একটি সুরক্ষামূলক আবরণের চেয়েও বেশি কিছু। এফ-৩৫-এর ক্যানোপি হল, ককপিটের উপরে লাগানো একটি অ্যাক্রিলিক বাবল, যা স্বচ্ছ রাডার-শোষণকারী উপাদানের একটি পাতলা স্তর দিয়ে আবৃত। এই আবরণটি বিমানটির রাডার সিগনেচার কমাতে সাহায্য করার মাধ্যমে এর স্টিলথ ডিজাইনের একটি অংশ গঠন করে। এফ-৩৫র বহর বাড়ার সাথে সাথে ক্যানোপিগুলো মেরামত বা প্রতিস্থাপন করার প্রয়োজন হয়। প্রতিবেদন অনুসারে, অস্ট্রেলিয়ার এফ-৩৫ এর জন্য রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্র থাকলেও, বর্তমানে এর ক্যানোপি মেরামত করার সক্ষমতা কারও নেই। এফ-৩৫র যন্ত্রাংশ সংরক্ষণ, স্থানান্তর এবং মেরামতের জন্য একটি বিশ্বব্যাপী স্থাপনা নেটওয়ার্কের উপর নির্ভর করে। যা বিমানের নির্মাতা সংস্থা লক হিড মার্টিন পরিচালনা করে। তবে এই লক হিড মার্টিন, ‘দ্য পলিটিকো’কে জানিয়েছে যে, নিরাপত্তাজনিত কারণে তারা কোনও নির্দিষ্ট চালান নিয়ে আলোচনা করতে পারবে না।

এদিকে, গত নভেম্বরে হোয়াইট হাউসে ক্রাউন প্রিন্স মহম্মদ বিন সলমনকে স্বাগত জানানোর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সৌদি আরবের সঙ্গে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান চুক্তির কথা ঘোষণা করেন। প্রতিবেদন অনুসারে, প্রস্তাবিত এই চুক্তিটি তখন থেকেই উল্লেখযোগ্যভাবে এগিয়ে চলেছে। কয়েক বিলিয়ন ডলারের এই চুক্তির মাঝেই এল এই নয়া রিপোর্ট। যদিও আমেরিকা সরকারিভাবে এই নিয়ে কোনও মন্তব্য করেনি।

  • Sritama Mitra
    ABOUT THE AUTHOR
    Sritama Mitra

    শ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More