Ind-Pak:পাকিস্তানের চেয়ে ভারতের কাছে বেশি রয়েছে নিউক্লিয়ার ওয়ারহেড! সংখ্য়ায় UKকেও ছাপিয়ে যেতে পারে শীঘ্র, বলছে রিপোর্ট
ভারতের নিউক্লিয়ার ওয়ারহেড নিয়ে কী বলছে 'ফেডারেশন অফ আমেরিকান সায়ান্টিস্ট’ (এফএএস)-র রিপোর্ট!
পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ ভারতের উদ্দেশে পরমাণু হামলার হুমকি এর আগে সংবাদ শিরোনাম কেড়েছে। ২০২৫ সালেই জাতির উদ্দেশে ভাষণে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছিলেন, 'কোনও রকমের পরমাণু (নিউক্লিয়ার) ব্ল্যাকমেল সহ্য করবে না দেশ।’ এবার খবর নিউক্লিয়ার ওয়ারহেড নিয়ে। 'ফেডারেশন অফ আমেরিকান সায়ান্টিস্ট’ (এফএএস) সংগঠন সদ্য এক রিপোর্ট পেশ করেছে। ইন্ডিয়াস নিউক্লিয়ার ওয়েপেন ২০২৬’ নামাঙ্কিত সেই রিপোর্ট দাবি করছে, ভারতের কাছে পাকিস্তানের চেয়ে বেশি সংখ্যক নিউইক্লিয়ার ওয়ারহেড রয়েছে। কী রয়েছে এই চাঞ্চল্যকর রিপোর্টে!

'ফেডারেশন অফ আমেরিকান সায়ান্টিস্ট’ মূলত, আমেরিকায় একটি অলাভজনক নীতি-ধারী সংগঠন। সংগঠনের নিউক্লিয়ার ইনফরমেশন প্রজেক্টের ডিরেক্টর হ্যানস কার্স্টন এই রিপোর্ট লিখেছেন। এফএএস-র তথ্য অনুযায়ী, ভারত বর্তমানে পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম নয়টি ভিন্ন ধরনের ব্যবস্থা পরিচালনা করছে, তারমধ্যে দুটি বিমান, ছয়টি স্থল-ভিত্তিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং একটি সমুদ্র-ভিত্তিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। মূল্যায়নটিতে আরও দাবি করা হয়েছে যে, অন্তত আরও দুটি ব্যবস্থা বর্তমানে উন্নয়নের পর্যায়ে রয়েছে এবং শেষের পথে; আশা করা হচ্ছে, আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই সেগুলোকে সশস্ত্র বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। ভারত নিয়ে রিপোর্ট বলছে, আমাদের ধারণা অনুযায়ী, সক্রিয় বাহিনী ১৬০টিরও বেশি পারমাণবিক ওয়ারহেড মোতায়েন করতে সক্ষম; এছাড়া বর্তমানে উৎপাদনাধীন ক্ষেপণাস্ত্রের জন্য আরও কিছু ওয়ারহেড তৈরি করা হয়েছে, যার ফলে মোট মজুতকৃত ওয়ারহেডের সংখ্যা ১৯০টি পর্যন্ত হতে পারে। এই সংখ্য়া পাকিস্তানের তুলনায় ২০ টি বেশি ওয়ারহেড বলে দাবি করা হয়েছে রিপোর্টে। পাকিস্তানে এই সংখ্যা ১৭০, বলছে ওই রিপোর্ট। ইউকে-র সংখ্যা ২২৫। ফলত, নিউক্লিয়ার ওয়ারহেড সংখ্যায় ভারত, ইউকের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছে বলে মনে করা হচ্ছে। চিনের এই ওয়ারহেডের সংখ্যা ৬২০, বলে রিপোর্ট দাবি করছে।
প্রসঙ্গত, দিল্লির তরফে বারবারই বিশ্বশান্তির বার্তা দেওয়া হয়েছে। ভারত দীর্ঘকাল ধরে পারমাণবিক অস্ত্র ‘প্রথমে ব্যবহার না করার’ (NFU) নীতি মেনে চলেছে, যা প্রতিপক্ষকে অকার্যকর করে দেওয়ার মতো ‘প্রথম আঘাত’ (first strike)-এর সক্ষমতা বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তা কমিয়ে দেয়। মিডিয়া রিপোর্ট বলছে, বিশ্বের বৃহত্তম পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার রয়েছে রাশিয়ার,যার মধ্যে আনুমানিক ৫,৪২০টি ওয়ারহেড রয়েছে,এবং এর পরেই রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, যাদের হাতে রয়েছে প্রায় ৫,০৪২টি ওয়ারহেড। ফেডারেশন অফ আমেরিকান সায়েন্টিস্টস এবং স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউটের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের মোট পারমাণবিক ওয়ারহেডের প্রায় ৮৬ শতাংশই এই দুটি দেশের দখলে রয়েছে।
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


