Pakistan Latest Update: পাকিস্তানে আরও ফুলেফেঁপে উঠতে পারে মুনিরের ক্ষমতা! আসছে বড় বদল?

পাকিস্তানের যে পরিকল্পনা নিয়ে চর্চা তুঙ্গে, তাতে রয়েছে প্রেসিডেনশিয়াল সিস্টেম। প্রশ্ন হচ্ছে, তাহলে পাকিস্তানে কি প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা খর্ব করে, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বাড়ানো হবে?

Published on: Aug 19, 2026, 18:59:06 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

পাকিস্তানের বুকে সেনা অভ্যুত্থানের ঘটনা নতুন নয়। তবে বর্তমান পাকিস্তানি সেনা প্রধান আসিম মুনিরের ক্রমাগত সেদেশে ক্ষমতা বৃদ্ধি ইতিমধ্যেই চর্চায় রয়েছে। বেশ কয়েকটি মিডিয়া রিপোর্ট দাবি করছে, সম্ভবত এবার পাকিস্তানে অর্থনৈতিক সংস্কারকে ছাপিয়ে কিছু সাংবিধানিক বদল আসতে পারে। রিপোর্ট বলছে, পাকিস্তানের সেনা প্রধান মুনিরের নেতৃত্বে থাকা সেনা এক পরিকাঠামো পরিকল্পনার কাজ শুরু করেছে। তাতে পাকিস্তানের সাংবিধানিক শিলমোহর পড়লেই, সেদেশে সেনার দাপট আরও বাড়তে পারে।

পাকিস্তানে আরও ফুলেফেঁপে উঠতে পারে মুনিরের ক্ষমতা! আসছে বড় বদল?
পাকিস্তানে আরও ফুলেফেঁপে উঠতে পারে মুনিরের ক্ষমতা! আসছে বড় বদল?

পাকিস্তানের যে পরিকল্পনা নিয়ে চর্চা তুঙ্গে, তাতে রয়েছে প্রেসিডেনশিয়াল সিস্টেম। প্রশ্ন হচ্ছে, তাহলে পাকিস্তানে কি প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা খর্ব করে, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বাড়ানো হবে? বর্তমানে সেদেশের রাষ্ট্রপতি পদে রয়েছেন আসিফ জরদারি, এককালে তিনি পিপিপি পার্টির সর্বেসর্বা ছিলেন। তাঁর ও বেনজির ভুট্টোর ছেলে বিলাওয়াল এখন পিপিপির নেতা। এই পিপিপি-র সঙ্গে পাকিস্তানের শেহবাজ শরিফের পার্টি পিএমএলএন-র পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে ক্ষমতায় আসা নিয়ে দ্বন্দ্ব তুঙ্গে। এছাড়াও পাকিস্তানে যে পরিকল্পনা তৈরি হচ্ছে, সেই পরিকল্পনায় চর্চায় রয়েছে, নতুন প্রদেশ ও প্রশাসনিক ইউনিট তৈরির বিষয়টি, এছাড়াও চর্চায় রয়েছে এই প্রদেশগুলি ও ফেডারাল সরকারের মধ্যে সেদেশের আর্থিক সম্পত্তির ভাগ-বাটোয়ারার বিষয়টি। চাঞ্চল্যকরভাবে এই পরিকল্পনায় যে প্রস্তাব রয়েছে, তাতে বলা হচ্ছে, রাষ্ট্রের বড় সিদ্ধান্তগুলিতে সেনার সমান এক্তিয়ার থাকবে। যা কার্যত আসিম মুনিরের নেতৃত্বাধীন সেনাকে বড়সড় ক্ষমতা দেওয়ার শামিল।

প্রসঙ্গত, কার্গিল যুদ্ধের সময় ১৯৯৯ সালে পাকিস্তানের তখতে ছিলেন শেহবাজ শরিফের দাদা নওয়াজ। সেই সময় পাকিস্তানের সেনা প্রধান ছিলেন পরভেজ মুশারফ। পরবর্তীতে এই পরভেজ মুশারফের সময় পাকিস্তানে সেনা অভ্যুত্থান হয়, আর নওয়াজকে গদিচ্যুত করা হয়। এবার পাকিস্তানের গদিতে নওয়াজের ভাই শেহবাজ, আর সেনা প্রধান মুনির! এর আগেও বহু সময় পাকিস্তানে বিদেশনীতি থেকে শুরু করে একাধিক বিষয়ে পাকিস্তানের সেনাকে নাক গলাতে দেখা গিয়েছে। বলা হচ্ছে, যদি পাকিস্তানে প্রস্তাবিত ওই নতুন পরিকল্পনা অনুমোদন পায়, তাহলে পাকিস্তানের নানান নীতিতে সেনার নাক গলানোর যে পরম্পরা, তাতে কার্যত সরকারি শিলমোহর পড়ে যাবে!

পাকিস্তানে ধুঁকে পড়া অর্থনীতি ও দুর্নীতির অভিযোগের মাঝে এই পরিকল্পনার বিষয়ে রিপোর্ট উঠে আসছে। মিডিয়া রিপোর্ট বলছে, পাকিস্তানের সেনা মনে করছে, সেদেশের পর পর সরকারে থাকা ব্যক্তিরা ভীষণভাবে পরিবারকেন্দ্রিক রাজনীতিতে জড়িত, যেমন শরিফ, ভুট্টো-জারদারি পরিবার। সেনা মনে করছে, এই কারণেই পর পর সরকার মুখ থুবড়ে পড়ছে। পাকিস্তান তার বন্ধু দেশ তুরস্কের থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে বা মিশরের রাজনৈতিক ব্যবস্থাপনা দেখে প্রেসিডেনশিয়াল সিস্টেমের দিকে ঝুঁকছে বলে রিপোর্টের দাবি। কিছুদিন আগেই পাকিস্তানের মুনির ঘনিষ্ঠ মন্ত্রী নকভিও এক মন্তব্যে বলেন, পাকিস্তানের সরকারি পরিকাঠামো পুরোপুরি ধসে গিয়েছে। সেই মন্তব্য ঘিরেও জল্পনা কম হয়নি! এমন এক প্রেক্ষাপটে পাকিস্তানের ভবিষ্যতে কী লেখা রয়েছে, সেদিকে তাকিয়ে কূটনৈতিক মহল।

  • Sritama Mitra
    ABOUT THE AUTHOR
    Sritama Mitra

    শ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More