Jantar Mantar latest: প্রতিবাদস্থল যন্তর মন্তরের কাছে পুলিশের ‘ফেশিয়াল রেকগনিশন ক্যামেরা’? কেন! বলছে রিপোর্ট
সংবাদসংস্থা পিটিআই-র খবর বলছে, এই প্রতিবাদস্থলের কাছেই দিল্লি পুলিশ রেখেছে তাদের ‘ফেশিয়াল রেকগনিশন ক্যামেরা’ ইউনিট, যাতে পুলিশ দাগি অপরাধী, পলাতক, ওয়ান্টেড অপরাধীদের ধরতে পারে তারা।
নিট প্রশফাঁস কাণ্ডে প্রতিবাদ জানিয়ে দিল্লির যন্তরমন্তরে চলছে বিক্ষোভ। সেই প্রতিবাদ স্থলের কাছেই রয়েছে পুলিশি নিরাপত্তা। সংবাদসংস্থা পিটিআই-র খবর বলছে, এই প্রতিবাদস্থলের কাছেই দিল্লি পুলিশ রেখেছে তাদের ‘ফেশিয়াল রেকগনিশন ক্যামেরা’ ইউনিট, যাতে পুলিশ দাগি অপরাধী, পলাতক, ওয়ান্টেড অপরাধীদের ধরতে পারে তারা।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যন্তরমন্তরের কাছে পুলিশের দুটি নজরদারি সূচক গাড়ি রয়েছে। একটি হল, পুলিশ ফোর্সের মোবাইল কমান্ড অ্যান্জ কন্ট্রোল ভেহিক্যাল, যেখানে থেকে লাইভ সিসিটিভি স্ট্রিমিং হচ্ছে অ সাইটে থাকা অফিসারদের কাছে, অন্যটি হল, ইক্ষণা নামের একটি ভ্যান। সেই ভ্যানে ফেশিয়াল রেকগনিশান ক্যামেরা রয়েছে বলে খবর। এক সিনিয়র পুলিশ অফিসারকে উদ্ধৃত করে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের রিপোর্ট বলছে, ‘ আমাদের কাছে অপরাধীদের ছবিসহ একটি বিশাল ডেটাবেস রয়েছে। তাই এলাকার বিভিন্ন সিসিটিভি থেকে পাওয়া ফুটেজের ওপর আমরা 'ফেসিয়াল রিকগনিশন' বা মুখ শনাক্তকরণ প্রযুক্তি ব্যবহার করি, এর উদ্দেশ্য হলো দেখা যে, সফটওয়্যারটি এমন কোনো মুখ শনাক্ত করতে পারে কি না যা আমাদের অপরাধীদের ডেটাবেসে থাকা কোনও ব্যক্তির চেহারার সাথে মিলে যায়।’
এক অফিসারকে উদ্ধৃত করে দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়ার রিপোর্ট বলছে, সাধারণ প্রতিবাদীদের টার্গেট করছে না এই ফেসিয়াল রেকগনিশন ইউনিট, বরং যে সমস্ত অপরাধীরা এই বিপুল জমায়েতের সুযোগ নিতে পারে, তাদের চিহ্নিত করতেই এই উদ্যোগ। জানা যাচ্ছে, দূর থেকেও একজনকে শণাক্ত করতে পারে। একবার মুখের ছবি উঠে গেলে, পুলিশ নিজের ডেটাবেসের সঙ্গে সেই ছবি মিলিয়ে দেখছে। যদি কোনও ওয়ান্টেড কিম্বা পলাতক অভিযুক্তকে খুঁজে পাওয়া যায়, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পুলিশ ইউনিটকে সতর্ক করা হবে, যাতে তারা সেই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে পারে। দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে পুলিশকে সজাগ থাকতে এই সিস্টেম সাহায্য করছে বলে দাবি করা হচ্ছে, যাতে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি থাকে নিয়ন্ত্রণে। বহু সোশ্যাল মিডিয়া ইউজার প্রশ্ন তুলছেন যে এই ফেশিয়াল রেকগনিশন সিস্টেম ইউনিটের সঙ্গে আধারের কোনও যোগ রয়েছে কি না!
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


