সাহায্যের হাত বাড়াচ্ছে ‘বন্ধু’ মস্কো? ইরান যুদ্ধের মাঝে ভারত, রাশিয়া তেল-অঙ্কে নয়া হিসাব? বড় দাবি রিপোর্টের
রয়টার্স এক সূত্রকে তুলে ধরে রিপোর্টে কোন বড় দাবি করছে?
ইরানের সঙ্গে ইজরায়েলের মাঝে তেলের দাম নিয়ে গোটা বিশ্ব চিন্তিত। এদিকে বেশ কিছু মিডিয়া রিপোর্ট সূত্র উল্লেখ করে জানাচ্ছে যে, ভারতের কাছে আর কয়েক সপ্তাহের মতো জ্বালানি মজুত রয়েছে। এই অবস্থায় ভারত কতটা উদ্বিগ্ন তেল ঘিরে? কিছুদিন আগেই ভারতের সঙ্গে আমেরিকার এক বাণিজ্য চুক্তির কথা হয়। তারপর থেকেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করে যাচ্ছেন, ভারত আর রাশিয়ার থেকে তেল কিনবে না। রিপোর্ট এও দাবি করেছে যে, ভারত ভেনেজুয়েলা থেকে তেল কিনবে, যে ভেনে জুয়েলা বর্তমানে মার্কিনি কবজায় রয়েছে। এরই মাঝে শুরু হয়ে গিয়েছে উপসাগরীয় যুদ্ধ। যেখানে তেল উত্তোলক বহু দেশই কোনও না কোনওভাবে প্রভাবিত। এমন অবস্থায় ভারতের তেল-সমীকরণ কী হবে?

রয়টার্স এক সূত্রকে তুলে ধরে রিপোর্টে দাবি করেছে, উপসগারীয় যুদ্ধ পরিস্থিতিতে রাশিয়া নাকি আগ্রহ দেখিয়েছে ভারতকে তেল সরবরাহ করার ক্ষেত্রে। এর আগে, ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধরত রাশিয়ার থেকে ভারত তেল কেনায় ক্ষুব্ধ ছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রাশিয়ার থেকে ভারতের তেল কেনায় , দিল্লির ওপর বাড়তি ২৫ শতাংশ হারে শুল্ক চাপিয়েছিলেন ট্রাম্প। যার জেরে ভারতের ওপর মার্কিন শুল্কের বোঝা চলে যায় ৫০ শতাংশে। এরপর সদ্য ভারত-মার্কিন বাণিজ্য ডিল হয়। তারপরই ভারতের ওপর চাপানো সেই বড় অঙ্কের শুল্ক কমে ১৮ শতাংশ হয়। ট্রাম্প দাবি করেন, ভারত আর রাশিয়ার থেকে তেল কিনবে না। যদিও রাশিয়া তা মানতে রাজি হয়নি।
এরপর ফেব্রুয়ারির শেষলগ্ন থেকে উপসাগরীয় অঞ্চলে তুমুল উত্তেজনা দেখা যায় ইরানে ইজরায়েল ও আমেরিকার হানার জেরে। এরপরই ভারতের তেল সরবরাহে রাশিয়ার এগিয়ে আসার রিপোর্ট সামনে আসছে।
সরকারি সূত্র জানিয়েছে, ভারতে বর্তমানে অপরিশোধিত তেল এবং পরিশোধিত পেট্রোলিয়াম পণ্যের মজুদ রয়েছে যা মোট ৫০ দিন স্থায়ী হতে পারে, অর্থাৎ, ২৫ দিনের অপরিশোধিত তেল এবং আরও ২৫ দিনের পেট্রোলিয়াম পণ্য রয়েছে। যে পথ দিয়ে ভারতের অপরিশোধিত তেল ও এলপিজি আসে, সেই হোমরুজ প্রণালী রুদ্ধ যুদ্ধের জেরে। এমন এক অবস্থায় রাশিয়ার তরফে এই প্রস্তাব এসেছে বলে খবর। তবে ভারত ও রাশিয়া, দুই সরকারই এই নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি।
E-Paper











