Russia on Indians killed: ‘ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছি,’ তবে ‘অস্ত্রবাহী ভেসেলে..’, ৪ ভারতীয়ের মৃত্যুতে মুখ খুলল রাশিয়া
রাশিয়ার তরফে বলা হয়েছে, ‘আমরা আমাদের পার্টনার ভারতের সাথে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছি।’
সদ্য ইউক্রনের ওডেসা বন্দর থেকে রওনা হওয়া এক কার্গো জাহাজে হামলার ঘটনায় ৪ ভারতীয়ের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাকে মোটেও সহজে নেয়নি দিল্লি। ইউক্রেনের তরফে জানানো হয়, ওই হামলা রাশিয়া চালিয়েছে। এদিকে, ভারতে নিযুক্ত রাশিয়ার এক কূটনীতিককে ইতিমধ্যেই ডেকে পাঠায় ভারতের বিদেশমন্ত্রক। ভারতের তরফে ঘটনার তীব্র নিন্দা করা হয়েছে। এরপরই পরিস্থিতি নিয়ে মুখ খুলেছে মস্কো।

রাশিয়ার তরফে বলা হয়েছে, ‘আমরা আমাদের পার্টনার ভারতের সাথে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছি।’ মঙ্গলবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, মৃত্যুর ঘটনাগুলো নিয়ে রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে, তবে তিনি স্পষ্ট করে দেন যে, তাদের সামরিক অভিযানে কোনো পরিবর্তন আসবে না। পেসকভ জানান,'আমরা আমাদের অবস্থান স্পষ্ট করছি, এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, কিয়েভ সরকারের জন্য গোলাবারুদ, অস্ত্রশস্ত্র ও অন্যান্য সামগ্রী পরিবহনের কাজে নিয়োজিত জাহাজগুলোর ওপর আমাদের সশস্ত্র বাহিনী আঘাত হানছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত রাখবে।' এই মৃত্যুর ঘটনায় নয়াদিল্লি তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে এবং আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানাতে রাশিয়ার চার্জ ডি’অ্যাফেয়ার্স ভ্লাদিমির লাদানভকে তলব করে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ভারতীয় নাবিকদের প্রাণহানির এটিই প্রথম ঘটনা।
জানা গিয়েছে, যে জাহাজে রাশিয়া হামলা চালিয়েছিল, তাতে ১৭ জনের মধ্যে ৫ জন ভারতীয় ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। ১ জন আহত হয়েছেন। এক বিবৃতিতে ভারতীয় বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে যে, ভারত এই হামলার বিষয়ে তারা 'গভীর উদ্বেগ' প্রকাশ করে। এমন হামলাকে আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক বাণিজ্যের জন্য সরাসরি হুমকি হিসেবে অভিহিত করেছে দিল্লি। ভারতের বিদেশমন্ত্রক জানায়, যে, বাণিজ্যিক জাহাজটির ওপর হামলার ফলে চারজন ভারতীয় প্রাণ হারিয়েছেন। বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে যে, ইউক্রেনে অবস্থিত ভারতীয় মিশন সেখানকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তা প্রদান করছে। প্রসঙ্গত, গত কয়েক বছর ধরে চলছে ইউক্রেন রাশিয়ার যুদ্ধ। তারই মাঝে বহু অবৈধ দালালচক্রের ফাঁদে পা দিয়ে ভারতের বহু যুবক রাশিয়ার যুদ্ধক্ষেত্রে নামতে বাধ্য হয়। আসে বহু দুঃসংবাদ। তাঁদের দেশে ফেরাতেও দিল্লিকে উদ্যোগ নিতে দেখা যায়। এরপর এই ৪ ভারতীয়ের মর্মান্তিক মৃত্যুর খবর উঠে আসে এই যুদ্ধ ঘিরে।
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


