Sanjay Raut: জেলে ক্যান্সারের সূত্রপাত! মারণরোগে আক্রান্ত হয়ে বিস্ফোরক সঞ্জয় রাউত

Sanjay Raut: ২০২২ সালের ১ আগস্ট পাত্র চাওল জমি কেলেঙ্কারি মামলায় সঞ্জয় রাউতকে গ্রেফতার করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। মুম্বইয়ের আর্থার রোডের জেলে রাখা হয়েছিল তাঁকে।

Published on: Sep 6, 2026, 17:24:52 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Sanjay Raut: জেলবন্দি থাকাকালীন তাঁর শরীরে মারণরোগ ক্যান্সারের সূত্রপাত হয়েছিল। এমনই বিস্ফোরক দাবি করলেন শিবসেনা (ইউবিটি) নেতা তথা রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জয় রাউত। শুধু তাই নয়, জেলে খাবারে কোনও ধরণের বিষ মেশানো হয়েছিল কিনা তা নিশ্চিত করতে খোদ কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী তাঁকে একটি 'টক্সিসিটি টেস্ট' করানোর পরামর্শ দিয়েছিলেন বলেও দাবি করেছেন তিনি।

মারণরোগে আক্রান্ত হয়ে বিস্ফোরক সঞ্জয় রাউত (PTI)
মারণরোগে আক্রান্ত হয়ে বিস্ফোরক সঞ্জয় রাউত (PTI)

শনিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শিবসেনা সাংসদ অভিযোগ করেন, বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকার এতটাই 'নিষ্ঠুর' যে বিরোধীদের দমন করতে তারা যে কোনও পর্যায়ে নামতে পারে। সংবাদ সংস্থা পিটিআই-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী সঞ্জয় রাউত বলেন, 'রাহুল গান্ধীও আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন যে জেলে আমাদের মতো মানুষদের যে কোনও কিছু ঘটতে পারে। জেলের ভেতর থেকেই এই (ক্যান্সার) রোগের সূচনা হয়েছিল।' সঞ্জয় রাউতের দাবি, খাবারে কোনও রাসায়নিক বা বিষক্রিয়া ঘটানো হয়েছিল কিনা তা জানতে রাহুল গান্ধী তাঁকে পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, 'খাবারে বিষ মেশানো হয়েছিল কিনা তা যাচাই করতে রাহুলজি আমাকে টক্সিসিটি টেস্ট করানোর পরামর্শ দেন।' তিনি আরও অভিযোগ করেন, যেসব রাজনৈতিক নেতা জেলে সময় কাটিয়েছেন, তাঁরা সকলেই পরবর্তীতে নানাবিধ শারীরিক সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন। জেলে খাবার বা পানীয় জলের সঙ্গে কারচুপি করার অভিযোগ তুলে সঞ্জয় রাউত বলেন, 'জেলে আমাদের মতো যারা সরকারের বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলে, তাদের সঙ্গে এমনটা ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে।' তিনি জানান, রাহুল গান্ধীও তাঁদের এই মর্মে সতর্ক করেছিলেন যে এমন পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ১ আগস্ট পাত্র চাওল জমি কেলেঙ্কারি মামলায় সঞ্জয় রাউতকে গ্রেফতার করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। মুম্বইয়ের আর্থার রোডের জেলে রাখা হয়েছিল তাঁকে। ১০১ দিন জেলবন্দি থাকার পর ২০২২ সালের ৯ নভেম্বর জামিনে মুক্তি পান তিনি। জেলমুক্তির পর সেই সময়ের তিক্ত অভিজ্ঞতা নিয়ে 'নরকতলা স্বর্গ' (নরকে স্বর্গ) শিরোনামে একটি মারাঠি বইও লিখেছিলেন। এরপর ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে পাকস্থলীর ক্যানসার ধরা পড়ে সঞ্জয়ের। এরপর থেকে কেমোথেরাপি এবং রেডিয়েশন চলছে তাঁর।

কে এই সঞ্জয় রাউত?

উদ্ধব ঠাকরের নেতৃত্বাধীন শিবসেনা (ইউবিটি)-র অন্যতম প্রধান মুখ এবং মহারাষ্ট্রের বিরোধী শিবিরের শীর্ষ কণ্ঠস্বর হিসেবে পরিচিত সঞ্জয় রাউত বিজেপি ও তাদের শরিকদের বিরুদ্ধে চড়া আক্রমণের জন্য সুপরিচিত। সুদীর্ঘ কয়েক দশক ধরে মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে সক্রিয় এই নেতা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের অত্যন্ত বিশ্বস্ত ও ঘনিষ্ঠ সহযোগী। রাজনীতিতে পূর্ণাঙ্গভাবে প্রবেশের আগে তিনি সাংবাদিকতা করতেন এবং বর্তমানে শিবসেনা প্রতিষ্ঠাতা বালাসাহেব ঠাকরের প্রতিষ্ঠিত মারাঠি মুখপত্র 'সামনা'-র কার্যনির্বাহী সম্পাদক (Executive Editor) হিসেবে দায়িত্ব সামলাচ্ছেন।