Ayodhya-fish feast row: 'পর্ক পার্টি'? অযোধ্যায় হাতশিবিরের ভোজসভায় মাছ, রাহুলকে চ্যালেঞ্জ পুনাওয়ালার

Ayodhya-fish feast row: খাদ্যাভ্যাস প্রসঙ্গে শেহজাদ পুনাওয়ালা বলেন, কে নিজের বাড়িতে কী খাবেন তা নিয়ে কারোর কোনও আপত্তি নেই। কারণ, খাবার একটি ব্যক্তিগত পছন্দের বিষয়। কিন্তু যদি তা-ই হয়, তবে বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় এলে মাছ খেতে দেওয়া হবে না বলে কংগ্রেস কেন রাজনীতি করেছিল—সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।

Published on: Aug 25, 2026, 23:41:34 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Ayodhya-fish feast row: মন্দির শহর অযোধ্যায় প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অজয় রাইকে স্বাগত জানাতে আয়োজিত হয় ভোজসভা। আর কংগ্রেসের এই ভোজসভায় মাছের পদ পরিবেশনের অভিযোগ ঘিরে বিতর্ক তুঙ্গে। কংগ্রেস ও বিজেপির বাগযুদ্ধে সরগরম উত্তরপ্রদেশের রাজনীতি। এই আবহে বিজেপি ত্যাগ করা নেতা শেহজাদ পুনাওয়ালা (Shehzad Poonawalla) আবারও কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন।

রাহুল গান্ধীকে চ্যালেঞ্জ শেহজাদ পুনাওয়ালার (Agencies/File photos)
রাহুল গান্ধীকে চ্যালেঞ্জ শেহজাদ পুনাওয়ালার (Agencies/File photos)

ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও বার্তায় শেহজাদ পুনাওয়ালা অভিযোগ করেন, হিন্দু ধর্মকে উপহাস করা এবং সনাতন ধর্মের অবমাননা করা কংগ্রেসের 'ডিএনএ'-তে পরিণত হয়েছে। তিনি বলেন, 'ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতির খাতিরে কংগ্রেস সনাতন ধর্মের অবমাননা করে আসছে, যার বহু নজির রয়েছে। কিন্তু আজ সব সীমা অতিক্রম করেছে।' অযোধ্যার মতো পবিত্র তীর্থক্ষেত্রে শ্রাবণ মাসে এমন আয়োজনের কড়া সমালোচনা করে তিনি বলেন, 'যে অযোধ্যা হিন্দু ও সনাতন ধর্মের অন্যতম পবিত্র স্থান, সেখানেই শ্রাবণ মাসে প্রকাশ্যে মাছ প্রদর্শন ও পরিবেশন করছে কংগ্রেস। এই পবিত্র মাসে যখন সাধারণ মানুষ নিরামিষ ও সাত্ত্বিক খাবার গ্রহণ করেন, তখন অযোধ্যায় প্রকাশ্যেই এই কাজ করা হচ্ছে।' অযোধ্যায় নিষাদ সম্প্রদায়ের একটি অনুষ্ঠানে মাছ রান্নার একটি ভিডিওর প্রেক্ষিতেই এই মন্তব্য করেন তিনি, যেখানে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অজয় রাই উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে।

খাদ্যাভ্যাস প্রসঙ্গে পুনাওয়ালা বলেন, কে নিজের বাড়িতে কী খাবেন তা নিয়ে কারোর কোনও আপত্তি নেই। কারণ, খাবার একটি ব্যক্তিগত পছন্দের বিষয়। কিন্তু যদি তা-ই হয়, তবে বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় এলে মাছ খেতে দেওয়া হবে না বলে কংগ্রেস কেন রাজনীতি করেছিল—সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি। ২০২৩ সালে চম্পারণে আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদবের সঙ্গে রাহুল গান্ধীর মাটন রান্নার প্রসঙ্গের অবতারণা করে পুনাওয়ালা দাবি করেন, কংগ্রেস বারবার হিন্দু ভাবাবেগে আঘাত করেছে। তিনি সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, 'যদি এমন প্রদর্শন কোনও অপরাধ না হয়, তবে অন্য কোনও ধর্মের পবিত্র মাসে আয়োজিত শুয়োরের মাংসের প্রকাশ্য ভোজে কী আপনি যোগ দেবেন?'

সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স (X)-এ রাহুল গান্ধীকে সরাসরি ট্যাগ করে তিনি লেখেন, 'শ্রাবণ মাসে অযোধ্যায় কংগ্রেস ফিশ পার্টিতে যোগ দেয়... তাহলে কী অন্য ধর্মের পবিত্র মাসে অন্য কারোর আয়োজিত পর্ক পার্টি বা উৎসবে যোগ দেবে? ভয় পাবেন না.. উত্তর দিন।' অন্য একটি পোস্টে পুনাওয়ালা একটি ইমেলের স্ক্রিনশট শেয়ার করেন, যেখানে এক অনুগামী দাবি করেছেন যে ইনস্টাগ্রামে এক 'অদ্ভুত প্যাটার্ন' দেখা যাচ্ছে। প্রতি ২৪ ঘণ্টায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে পুনাওয়ালার অ্যাকাউন্ট 'আনফলো' হয়ে যাচ্ছে। ওই ইমেলে আরও দাবি করা হয় যে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রোফাইলের ক্ষেত্রেও নাকি একই ধরনের ঘটনা ঘটছে। এই বিষয়ে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মটিকে কটাক্ষ করে পুনাওয়ালা এক্স-এ লেখেন, 'ইনস্টাগ্রাম- রাহুল গ্রাম।' তবে এই অভিযোগের বিষয়ে মেটা বা ইনস্টাগ্রামের পক্ষ থেকে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি।