Hasina's Son on Al Qaeda Leader: ভারতের মোস্ট ওয়ান্টেড বাংলাদেশে! আল কায়েদার শীর্ষ নেতাকে নিয়ে বিস্ফোরক হাসিনা পুত্র

সজীব ওয়াজেদের অভিযোগ, বাংলাদেশের বর্তমান সরকার আবু তালহাকে শনাক্ত করার বা তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কোনও সক্রিয় চেষ্টা করছে না। তাঁর বক্তব্য, এই পরিস্থিতি শুধু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার বিষয় নয়, ভারতের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।

Published on: Aug 26, 2026, 14:32:27 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

বাংলাদেশে আল কায়েদার এক শীর্ষ নেতা মুক্তভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছে- এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন শেখ হাসিনার পুত্র সজীব ওয়াজেদ। তাঁর দাবি, মৌলানা ইক্রামুল হক ওরফে আবু তালহা জামিনে মুক্ত হওয়ার পর বাংলাদেশেই রয়েছে। এই ইক্রামুলকে আল কায়েদা ইন দ্য ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্টের দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা হিসেবে উল্লেখ করেছেন সজীব। বিষয়টি ভারতের নিরাপত্তার জন্যও উদ্বেগের বলে মনে করা হচ্ছে।

সজীব ওয়াজেদের অভিযোগ, বাংলাদেশের বর্তমান সরকার আবু তালহাকে শনাক্ত করার বা তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কোনও সক্রিয় চেষ্টা করছে না।
সজীব ওয়াজেদের অভিযোগ, বাংলাদেশের বর্তমান সরকার আবু তালহাকে শনাক্ত করার বা তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কোনও সক্রিয় চেষ্টা করছে না।

সজীব ওয়াজেদের অভিযোগ, বাংলাদেশের বর্তমান সরকার আবু তালহাকে শনাক্ত করার বা তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কোনও সক্রিয় চেষ্টা করছে না। তাঁর বক্তব্য, এই পরিস্থিতি শুধু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার বিষয় নয়, ভারতের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, বাংলাদেশে সক্রিয় কোনও জঙ্গি নেটওয়ার্ক সীমান্তের ওপারে প্রভাব বিস্তার করতে পারে বলে নিরাপত্তা মহলে আশঙ্কা রয়েছে।

ভারতীয় নিরাপত্তা সূত্রের তরফেও বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে বলে একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের এক শীর্ষ এসটিএফ আধিকারিক জানিয়েছেন, ইক্রামুল হক ওরফে আবু তালহা ভারতের জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার মোস্ট ওয়ান্টেড তালিকায় রয়েছেন। ফলে সজীবের দাবি সামনে আসার পর ভারতীয় গোয়েন্দা মহলেও বিষয়টি নিয়ে নজরদারি বাড়তে পারে।

এই দাবির সঙ্গে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ পরিস্থিতির প্রসঙ্গও তুলেছেন সজীব ওয়াজেদ। তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন, রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সন্ত্রাসবাদ-সংক্রান্ত পর্যবেক্ষণে আল কায়েদা ও তাদের সহযোগী সংগঠনগুলির কার্যকলাপ নিয়ে দক্ষিণ এশিয়ায় এখনও উদ্বেগ রয়েছে। রাষ্ট্রসংঘের সন্ত্রাসবিরোধী কমিটির তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ায় আল কায়েদা এবং অন্যান্য জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত গোষ্ঠীগুলির কার্যকলাপের ঝুঁকি এখনও রয়েছে।

অগস্টের মাঝামাঝি প্রকাশিত একটি রাষ্ট্রসংঘ-সম্পর্কিত প্রতিবেদনের পর বাংলাদেশেও নিরাপত্তা সংস্থাগুলি সতর্ক হয়েছে বলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে। সেখানে বলা হয়েছিল, আল কায়েদা ইন দ্য ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্ট বাংলাদেশকে ব্যবহার করে গোপন নেটওয়ার্ক বা সেল গড়ে তোলার চেষ্টা করতে পারে। তবে বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী স্পষ্ট করেছে, এই ধরনের সতর্কতাকে দেশে সক্রিয় আল কায়েদা উপস্থিতির সরাসরি প্রমাণ হিসেবে দেখা হচ্ছে না। বরং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও নেটওয়ার্কের সঙ্গে কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

তবে সজীব ওয়াজেদের বক্তব্যকে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট থেকেও দেখছে বিভিন্ন মহল। এর আগে তিনি বাংলাদেশে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের প্রভাব বেড়েছে এবং দেশটি ‘আরও একটি পাকিস্তান’-এর দিকে এগোচ্ছে বলেও দাবি করেছিলেন। তাঁর বক্তব্য নিয়ে বাংলাদেশকে ঘিরে ভারতীয় রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহলে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

আবু তালহা সম্পর্কে সজীবের সর্বশেষ দাবির স্বাধীনভাবে পূর্ণ যাচাই এখনও প্রকাশ্যে পাওয়া যায়নি। তবে তিনি যে ব্যক্তির কথা বলেছেন, তাঁকে ভারতীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলি আগে থেকেই গুরুত্ব দিয়ে দেখে থাকলে বাংলাদেশে তাঁর বর্তমান অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। বিশেষ করে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের নিরাপত্তার দিক থেকে বিষয়টি খতিয়ে দেখার প্রয়োজন রয়েছে।

ফলে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—সজীব ওয়াজেদের দাবি কতটা সত্য এবং বাংলাদেশে সত্যিই আবু তালহার মতো কোনও উচ্চপদস্থ জঙ্গি নেতা অবস্থান করছেন কি না। বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের তরফে এ বিষয়ে কী তথ্য সামনে আসে, এবং ভারতের নিরাপত্তা সংস্থাগুলি কী পদক্ষেপ নেয়, সেদিকেই নজর থাকবে।

  • Abhijit Chowdhury
    ABOUT THE AUTHOR
    Abhijit Chowdhury

    ২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More