Jaishankar on buying Russian Oil: রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধ করলেই ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ হয়ে যাবে না, US-কে গুগলি জয়শংকরের
Jaishankar on buying Russian Oil: রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধ করলেই ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ হয়ে যাবে না - ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠকের আবহেই কিয়েভে দাঁড়িয়ে সেই মন্তব্য করলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর।
Jaishankar on buying Russian Oil: ইউক্রেনে দাঁড়িয়ে নাম না করে আমেরিকাকে ‘গুগলি’ দিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর। বৃহস্পতিবার কিয়েভে ইউক্রেনের বিদেশমন্ত্রী আন্দ্রি সাইবিহার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পরে সাংবাদিক বৈঠকে জয়শংকরকে প্রশ্ন করা হয় যে রাশিয়ার থেকে তেল কেনা দেশগুলির উপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করে আমেরিকা, তারপরও কি মস্কোর দিকেই হাঁটবে নয়াদিল্লি। তার জবাবে জয়শংকর বলেন, 'কেউ তেল বা অ্যালুমনিয়াম বা খনিজ সম্পদ বা ধাতু বা সার কিনছে অথবা কেউ কিনছে না - সেটা দিয়ে এই সংঘাতের সমাধানা করা যাবে না। আলোচনা, কূটনীতি ও দরকষাকষির মাধ্যমে এই সংঘাতের সমাধান করতে হবে। আমরা তাতেই উৎসাহিত করব।'

দীর্ঘদিন ধরেই রাশিয়ার তেল কেনা নিয়ে হইচই পশ্চিমী দুনিয়ার
আর জয়শংকরের সেই বার্তার প্রেক্ষিতে কূটনৈতিক মহল মনে করছে যে কিয়েভ থেকে দাঁড়িয়ে যেমন ইউক্রেনকে বার্তা দিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী, তেমনই 'মেসেজ' পাঠালেন ওয়াশিংটনেও। রাশিয়া এবং ইউক্রেনের সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকেই মস্কো থেকে তেল কেনা নিয়ে ভারতের দিকে আঙুল তুলেছে পশ্চিমী দুনিয়া। যা নিয়ে বারবার নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে নয়াদিল্লি। এটাও বলে এসেছে যে পশ্চিমী দুনিয়া নিজেরাই রাশিয়ার থেকে বিভিন্ন জিনিস কিনছে।
১৪০ কোটি মানুষকে তেলের জোগান দেওয়া চ্যালেঞ্জিং, বার্তা জয়শংকরের
সেই রেশ ধরে বৃহস্পতিবার কিয়েভে যখন রাশিয়ার থেকে তেল কেনা নিয়ে জয়শংকরকে প্রশ্ন করা হয়, তখন ভারতের বিদেশমন্ত্রী বলেন, ‘(বিশ্ববাজারে) তেল নিয়ে যখন জটিল পরিস্থিতি চলছে, সেইসময় একইসঙ্গে ১৪০ কোটি মানুষকে তেলের জোগান দেওয়ার কাজ কতটা কঠিন, সেটা বুঝুন। ইউক্রেনের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি আছে। আমরা সেটার সম্মান করি। কিন্তু আমাদের নিজেদেরও দৃষ্টিভঙ্গি আছে। আর আমি আশা করব যে অন্যরা সেই দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি সম্মান জানাবেন।’
রাশিয়া-ইউক্রেন নিয়ে আসল কাজ করতে রাজি ভারত, বললেন জয়শংকর
কিন্তু বাস্তবে যে কাজটা করলে রাশিয়া ও ইউক্রেনের সংঘাতে ইতি পড়তে পারে, সেটা করতে ভারত সবসময় তৈরি আছে বলে জানিয়েছেন জয়শংকর। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোমিদির জেলেনস্কির সঙ্গে সাক্ষাতের আগে তিনি বলেছেন, 'ভারত ধারাবাহিকভাবে বলে এসেছে যে এটা যুদ্ধের যুগ নয়। আর যুদ্ধক্ষেত্র থেকে সমস্যার সমাধানসূত্র বেরিয়ে আসবে না। মাত্র দু'দিন আগেই বিশকেক প্রধানমন্ত্রী (নরেন্দ্র) মোদী স্পষ্টভাবে বলেছেন যে অন্তহীন যুদ্ধের এখন যুদ্ধের সমাপ্তিকে রাস্তা করে দেওয়ার সময় এসে গিয়েছে। অর্থাৎ অন্তহীন যুদ্ধের অবসান ঘটাতেই হবে এখন।'
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


