Strait of Hormuz Latest Update: হরমুজে প্রণালীতে ইরানি বোট এবং ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্রে হামলা আমেরিকার
Strait of Hormuz Latest Update: শান্তি চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলার মাঝেই ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে একাধিক সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে আমেরিকা। মার্কিন সেনার দাবি, হরমুজে প্রণালীতে মাইন পেতে রাখা বোট এবং ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলিকে লক্ষ্য করেই এই হামলা চালানো হয়েছে।
Strait of Hormuz Latest Update: মধ্যপ্রাচ্যে ফের উত্তেজনা বাড়ল। শান্তি চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলার মাঝেই ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে একাধিক সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে আমেরিকা। মার্কিন সেনার দাবি, হরমুজে প্রণালীতে মাইন পেতে রাখা বোট এবং ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলিকে লক্ষ্য করেই এই হামলা চালানো হয়েছে।
খবর অনুযায়ী, ইরানের শহর বন্দর আব্বাসের কাছে ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কোরের (IRGC) কয়েকটি বোট সমুদ্রপথে মাইন বসানোর চেষ্টা করছিল। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড বা সেন্টকম জানিয়েছে, নিজেদের বাহিনী ও আন্তর্জাতিক জলপথ সুরক্ষিত রাখতেই 'আত্মরক্ষাকারী হামলা' চালানো হয়েছে। হামলায় কয়েকটি বোট এবং একটি ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি ধ্বংস হয়েছে বলে দাবি মার্কিন সেনার।
এই ঘটনার মধ্যেই ওয়াশিংটন এবং তেহরানের মধ্যে শান্তি চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছে। সূত্রের খবর, সম্ভাব্য চুক্তির অংশ হিসেবে স্ট্রেট অব হরমুজ পুনরায় খুলে দেওয়া, যুদ্ধবিরতি বাড়ানো এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। এমনকি ইরান ৩০ দিনের মধ্যে সমুদ্র থেকে মাইন সরিয়ে নেওয়ার আশ্বাসও দিতে পারে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে।
তবে নতুন মার্কিন হামলার পর সেই আলোচনার ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এখনও পর্যন্ত ইরানের তরফে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া না মিললেও পরিস্থিতি যে অত্যন্ত স্পর্শকাতর, তা স্পষ্ট। বিশেষজ্ঞদের মতে, স্ট্রেট অব হরমুজ বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হওয়ায় এই সংঘাত আন্তর্জাতিক বাজারেও বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
উল্লেখ্য, ইরান যুদ্ধের জেরে আমেরিকার ক্ষয়ক্ষতি শুধু সামরিক ক্ষেত্রেই নয়, অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক কূটনীতির ক্ষেত্রেও বড় আকারে দেখা যাচ্ছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, অন্তত ১৫ জন মার্কিন সেনা নিহত এবং ৫০০-র বেশি সেনাকর্মী আহত হয়েছেন। সামরিক সরঞ্জামের ক্ষতিও কম নয়। মার্কিন ড্রোন, যুদ্ধবিমান এবং অন্যান্য প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার বড় ক্ষতির কথা উঠে এসেছে বিভিন্ন প্রতিবেদনে। একটি বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, আমেরিকার কয়েক বিলিয়ন ডলারের সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস হয়েছে।
সবচেয়ে বড় ধাক্কা এসেছে স্ট্রেট অব হরমুজকে ঘিরে। এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে সংঘাতের কারণে তেলের জোগান ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়েছে। যুদ্ধের সময় দৈনিক জাহাজ চলাচল ৯০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায় বলে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম হু হু করে বাড়ে এবং আমেরিকাসহ বিশ্ব অর্থনীতিতে চাপ তৈরি হয়। কূটনৈতিক দিক থেকেও আমেরিকা চাপের মুখে পড়েছে। ইউরোপের বহু দেশ সরাসরি সামরিক অভিযানে যোগ দিতে অনীহা দেখিয়েছে। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার ঘাঁটি ও জোটসঙ্গীদের উপর ইরানপন্থী গোষ্ঠীর হামলার আশঙ্কাও বেড়েছে।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


