Akriti Chaudhary NSA Case: অন্তর্কলহ বিতর্কে বাড়ছে চাপ! জ্ঞানেশ কুমার-কন্যাকে বড় স্বস্তি দিল সুপ্রিম কোর্ট

Akriti Chaudhary NSA Case: উচ্চ আদালতের সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মেধা রূপম। পৃথক আবেদন করে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী আদিত্যনাথের সরকারও।

Published on: Sep 24, 2026, 14:40:41 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Akriti Chaudhary NSA Case: নির্বাচন কমিশনের অন্তর্কলহ বিতর্কে তিনি নিজে প্রবল চাপে। তাঁর ইস্তফার দাবিতে হইচই জুড়ে দিয়েছেন বিরোধীরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে। এই আবহে বাঙালি কন্যা ও সমাজকর্মী আকৃতি চৌধুরীর বিরুদ্ধে জাতীয় নিরাপত্তা আইন (NSA) প্রয়োগের মামলায় বড়সড় আইনি স্বস্তি পেলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (CEC) জ্ঞানেশ কুমারের কন্যা তথা নয়ডার জেলাশাসক (DM) মেধা রূপম (Medha Roopam)। এলাহাবাদ হাইকোর্টের নির্দেশ ছিল, তাঁকে পাঁচ লক্ষ টাকা জরিমানা দিতে হবে তাও বেতন থেকে কাটিয়ে। তবে সেই নির্দেশে স্থগিতাদেশ জারি করেছে সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ।

নয়ডার জেলাশাসক মেধা রূপম (HT_PRINT)
নয়ডার জেলাশাসক মেধা রূপম (HT_PRINT)

ঘটনার সূত্রপাত নয়ডার শ্রমিক আন্দোলনের সময়। গত এপ্রিল মাসে শ্রমিকদের বকেয়া ও ন্যূনতম মজুরির দাবিতে আন্দোলন চলাকালীন দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৫ বছর বয়সি ইতিহাসের ছাত্রী আকৃতি চৌধুরীকে জাতীয় নিরাপত্তা আইনে (এনএসএ) আটক করার নির্দেশ দিয়েছিলেন নয়ডার জেলাশাসক তথা মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের কন্যা। তার পর থেকে টানা পাঁচ মাস বিচারবিভাগীয় হেফাজতে ছিলেন দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক আকৃতি। গত ২ সেপ্টেম্বর আকৃতির বিরুদ্ধে জাতীয় নিরাপত্তা আইনের ধারা বাতিল করার নির্দেশ দিয়েছিল এলাহাবাদ হাইকোর্ট। এইসঙ্গে বিচারপতি অতুল শ্রীধরন এবং বিচারপতি অচল সচদেবের ডিভিশন বেঞ্চ জেলাশাসক মেধা রূপমের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দেন।

গোটা ঘটনায় এলাহাবাদ হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ, এভাবে প্রশাসনের ‘স্বৈরাচারী’ আচরণ চলতে থাকলে উত্তরপ্রদেশ ধীরে ধীরে ব্রিটিশ আমলের দমন-পীড়ন মূলক প্রশাসনে পরিণত হতে পারে। এমন এক পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, যেখানে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করে নাগরিক স্বাধীনতা এবং ব্যক্তির মত প্রকাশের স্বাধীনতাকেও নিয়ন্ত্রণ করা শুরু হবে। আদালতের মতে, মেধা রূপম মত প্রকাশের অধিকারে বাধা সৃষ্টি করে তাঁর সাংবিধানিক দায়বদ্ধতা লঙ্ঘন করেছেন। এই ঘটনায় মেধা রূপমকে নিজের বেতন থেকে আকৃতিকে পাঁচ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। ৭ সেপ্টেম্বর আদালতের রায়ের প্রতিলিপি প্রকাশ্যে আসে।

উচ্চ আদালতের সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মেধা রূপম। পৃথক আবেদন করে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী আদিত্যনাথের সরকারও। বুধবার শুনানিপর্বে শীর্ষ আদালত প্রশ্ন তোলে আটক করার প্রক্রিয়ায় একাধিক স্তরের আধিকারিক যুক্ত থাকলে শুধু জেলাশাসককেই কী ভাবে আলাদা করে দায়ী করা যায়? এর পরে উভয় পক্ষের প্রায় ২০ মিনিট সওয়াল-জবাব শোনার পরে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারির ঘোষণা করে বিচারপতি সতীশচন্দ্র শর্মা ও বিচারপতি এন কোটিশ্বর সিংয়ের বেঞ্চ।