Stray Dog Rules: পথকুকুর নিয়ে বড় নির্দেশ! হিংস্র-ক্ষিপ্তদের নিষ্কৃতিমৃত্যুতে অনুমতি, অবস্থানে অনড় SC

Stray Dog Rules: আদালত বলেছে, যদি কোনও কুকুর জলাতঙ্কে আক্রান্ত হয়, খুব অসুস্থ হয় বা মানুষের জন্য বিপজ্জনক হয়ে ওঠে, তাহলে আইন মেনে তাদের নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে ‘ইউথেনেসিয়া’ অথবা ‘নিষ্কৃতি মৃত্যুদান' করা যেতে পারে।

Published on: May 19, 2026 6:40 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Stray Dog Rules: বেশ কয়েকটি জায়গায় পথকুকুর কামড়ের দরুন দেশজুড়ে এক চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। বিশেষ করে শিশুদের আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা বেড়েই চলেছিল, আর সেই কারণেই গত বছর, জন-নিরাপত্তায় উদ্বেগজনক পরিস্থিতি বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে এক যুগান্তকারী নির্দেশ জারি করেছিল সুপ্রিম কোর্ট। এবার পথকুকুর মামলায় নিজের আগের অবস্থানেই অনড় রইল শীর্ষ আদালত। পথকুকুর প্রেমী ও এনজিওগুলির দায়ের করা আবেদন খারিজ হয়ে গিয়েছে শীর্ষ আদালতে।

পথকুকুর নিয়ে বড় নির্দেশ SCর! (HT_PRINT)
পথকুকুর নিয়ে বড় নির্দেশ SCর! (HT_PRINT)

এইচটি-র প্রতিবেদন অনুসারে, আদালত বলেছে, যদি কোনও কুকুর জলাতঙ্কে আক্রান্ত হয়, খুব অসুস্থ হয় বা মানুষের জন্য বিপজ্জনক হয়ে ওঠে, তাহলে আইন মেনে তাদের নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে ‘ইউথেনেসিয়া’ অথবা ‘নিষ্কৃতি মৃত্যুদান' করা যেতে পারে। ২০২৫-এর নভেম্বরে আদালত নির্দেশ দিয়েছিল, স্কুল, কলেজ বা হাসপাতালের মতো এলাকা থেকে পথ কুকুরদের টিকাকরণ বা বন্ধ্যাকরণের জন্য নিয়ে যাওয়ার পর, তাদের আর সেই পুরনো জায়গায় ফেরত পাঠানো যাবে না। সেই রায় পুনর্বিবেচনার জন্য শীর্ষ আদালতে আবেদন জমা পড়েছিল। কিন্তু তার প্রেক্ষিতে এদিন সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ, কুকুরের কামড়ের মতো বিষয়কে অবহেলা করা যায় না। আগের নির্দেশের কোনও পরিবর্তন করা হবে না বলে মঙ্গলবার জানিয়ে দেন বিচারপতি বিক্রম নাথ, বিচারপতি সন্দীপ মেহতা এবং বিচারপতি এনভি আঞ্জারিয়ার বেঞ্চ।

রাজ্য সরকারগুলির প্রতি কড়া মন্তব্য

এদিন পথকুকুর নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিতগুলির তীব্র সমালোচনা করেছে সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতি বিক্রম নাথ, বিচারপতি সন্দীপ মেহতা এবং বিচারপতি এন ভি আঞ্জারিয়ার বেঞ্চ বলেছে, 'রাজ্য সরকার কোনওভাবেই নিরব দর্শকের ভূমিকা নিতে পারে না। পথকুকুরের আক্রমণে বহু শিশু ও প্রবীণ আহত হয়েছেন। এমনকী ছাড় পাননি বিদেশি পর্যটকরাও। তাঁদেরকেও অক্রমণের মুখে পড়তে হয়েছে। তাই মানুষের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই প্রশাসনকে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।' শীর্ষ আদালত আরও জানায়, বর্তমানে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যেখানে সাধারণ মানুষ মনে মনে কুকুরের আতঙ্ককে সঙ্গে নিয়েই রাস্তায় বের হচ্ছেন। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধদের জন্য বিষয়টি খুবই বিপজ্জনক হয়ে উঠছে।

শুনানির সময়, আদালত দেশজুড়ে কুকুরের কামড়ের ঘটনা বৃদ্ধি পাওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে যে তারা বিমানবন্দর, আবাসিক এলাকা এবং শহরাঞ্চলে কুকুরের কামড়ের ঘন ঘন অভিযোগ পাচ্ছে। আদালত বিশেষভাবে দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের (আইজিআই) কথা উল্লেখ করে বলেছে যে দেশের ব্যস্ততম এই বিমানবন্দরে ঘন ঘন কুকুরের কামড়ের ঘটনা গুরুতর প্রশাসনিক দক্ষতাহীণতারই প্রতিফলন। আদালত গুজরাটের সুরাতে এক জার্মান পর্যটককে পথকুকুরের কামড়ে আহত করার ঘটনাটিও উল্লেখ করেছে। আদালত বলেছে যে, এই ধরনের ঘটনা শুধু নাগরিকদের নিরাপত্তাই বিপন্ন করে না, বরং নগর প্রশাসন ও স্থানীয় সংস্থাগুলির কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন তোলে। এগুলি প্রশাসনের প্রতি জনগণের আস্থা ক্ষুণ্ণ করে।