Ram Mandir Donation Row: 'আকাশ ভেঙ্গে পড়বে না!' রাম মন্দিরে অর্থ তছরুপ মামলার জরুরি শুনানির আর্জি খারিজ সুপ্রিম কোর্টের

Ram Mandir Donation Row: সোমবার শীর্ষ আদালতে আবেদনকারীর পক্ষ থেকে দ্রুত শুনানির আর্জি জানানো হয়। কিন্তু জরুরি ভিত্তিতে মামলার শুনানিতে নারাজ বিচারপতিরা। বিচারপতিদের মতে, মামলাটি জরুরি ভিত্তিতে শোনার মতো বিষয় নয়।

Published on: Jun 29, 2026, 20:26:44 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Ram Mandir Donation Row: অযোধ্যার রাম মন্দিরের ভক্তদের দানের টাকা আত্মসাতের ঘটনায় সিবিআই তদন্তের দাবিতে সুপ্রিম কোর্টে জরুরি শুনানির আর্জি জানানো হয়েছিল। কিন্তু সোমবার সেই জরুরি শুনানির আবেদন নাকচ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের পর্যবেক্ষণ, এই মামলার শুনানি পরে হলে 'আকাশ ভেঙ্গে পড়বে না।'

রাম মন্দিরে অর্থ তছরুপ মামলার জরুরি শুনানির আর্জি খারিজ সুপ্রিম কোর্টের
রাম মন্দিরে অর্থ তছরুপ মামলার জরুরি শুনানির আর্জি খারিজ সুপ্রিম কোর্টের

সোমবার বিচারপতি এম এম সুন্দরেশ এবং বিচারপতি শীল নাগুর বেঞ্চ বলেছে, সাধারণ নিয়মে গ্রীষ্মকালীন ছুটির পর এই মামলার শুনানি হবে। আদালত সূত্রে আবাস দেওয়া হয়েছে আগামী মাসের ১২ থেকে ১৭ জুলাই এর মধ্যে মামলাটি শুনানির জন্য উঠতে পারে। আইনজীবী অজয় কুমার রাই এবং আইনজীবী দীনেশ কুমার যাদবের করা এই আবেদনে দাবি জানানো হয় যে, শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাষ্টের কাজকর্ম এবং প্রশাসন সংক্রান্ত কথিত আর্থিক অনিয়মের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে সিবিআই-এর নেতৃত্বে এক বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা উচিত। একই ধরণের বিষয় সামনে এনে আইনজীবী নরেন্দ্র কুমার গোস্বামীও একটি পৃথক আবেদন করেছেন।

সোমবার শীর্ষ আদালতে আবেদনকারীর পক্ষ থেকে দ্রুত শুনানির আর্জি জানানো হয়। কিন্তু জরুরি ভিত্তিতে মামলার শুনানিতে নারাজ বিচারপতিরা। বিচারপতিদের মতে, মামলাটি জরুরি ভিত্তিতে শোনার মতো বিষয় নয়। শুনানির সময়ে আদালত মৌখিকভাবে মন্তব্য করে যে, ‘বিষয়টি এমন নয় যে, দ্রুত শুনানি না হলে আকাশ ভেঙে পড়বে। গ্রীষ্মের ছুটির পরে এই মামলার শুনানি হতে পারে। ততদিনে মাথায় আকাশ ভেঙে পড়বে না।’ অর্থাৎ, মামলায় দ্রুত শুনানির প্রয়োজন রয়েছে বলে আদালত মনে করেনি। তবে আদালত শুনানির আবেদন খারিজ করেনি। স্বাভাবিক আইনি প্রক্রিয়ায় বিষয়টি তালিকাভুক্ত হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে। শুনাএদিন নির সময় উত্তরপ্রদেশের সিনিয়র এডিশনাল অ্যাডভোকেট জেনারেল ও সিনিয়র কাউন্সেল শরণ দেব সিং ঠাকুর রাজ্যের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন।

জানা গিয়েছে, শ্রী রাম জন্মভূমি ট্রাস্টের সদস্য শ্রী কৃষ্ণ মোহনের অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ের করা এফআইআর-এ আটজনের নাম-পরিচয় উল্লেখ করা হয়েছে এবং আরও বেশ কয়েকজন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিকেও অভিযুক্ত হিসেবে নাম দেওয়া হয়েছে এই এফআইআর-এ। এদের মধ্যে রয়েছেন তিনু যাদব, লবকুশ মিশ্র, অনুকল্প মিশ্র, অবিনাশ শুক্লা এবং মনীশ যাদব। সূত্রের রিপোর্ট অনুসারে, এই ব্যক্তিরা মন্দিরে প্রাপ্ত অনুদান ও অর্ঘ্য গ্রহণ, গণনা এবং জমা দেওয়ার প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তবে কি সর্ষের মধ্যেই ভূত? তদন্ত চলাকালীন সিটের সদস্যরা ট্রাস্টের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি, কর্মচারী এবং দান গণনার সঙ্গে জড়িত যাবতীয় ব্যাক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করে। তাঁদের কাছ থেকে পাওয়া নথি ও বয়ান পর্যালোচনায় বেশ কিছু অসঙ্গতি প্রকাশ পেয়েছে বলে জানা যায়। তাঁদের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে হিসাব-বহির্ভূত প্রায় ৮০ লক্ষ টাকা উদ্ধার করেছে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। সিটের রিপোর্ট অনুযায়ী, রামমন্দিরে নগদ প্রণামী জমা পড়েছে ৩,৫০০ কোটি টাকারও বেশি, সঙ্গে অগণিত সোনা-রুপোর গয়না৷ এই বিপুল অনুদানের একটা বড় অংশের কোনও হদিশ মিলছে না। তবে পুলিশ সূত্রে খবর, রাম মন্দির তীর্থক্ষেত্র নির্মাণ ট্রাস্টের সদ্য পদত্যাগী সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাইকে বিশেষ তদন্তকারীরা ইতিমধ্যে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন। অর্থ তছরুপের ঘটনায় ধৃত আটজনের মধ্যে তিনজন বিশ্বহিন্দু পরিষদের সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি চম্পত রাইয়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। একজন চম্পত রাইয়ের গাড়ির চালক। তারপরও তাঁর কী করে অনিয়ম নজর এড়িয়ে গেল তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীরা।