PAK vs SL T20 World Cup 2026: অবশেষে বাংলাদেশের ‘পাশে’ পাকিস্তান! ছুটি হল T20 বিশ্বকাপ থেকে, ইডেনেই হবে সেমি
মাথায় হাত পাকিস্তানের, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেল।অথচ আজ একটা বড় সময়জুড়ে মনে হচ্ছিল যে পাকিস্তান সেমিতে উঠে যাবে। কারণ কলম্বোয় প্রথমে ব্যাট করতে বিস্ফোরক ছন্দে খেলতে থাকে পাকিস্তান। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে আট উইকেটে ২১২ রান তোলে।
এবার সত্যিই বাংলাদেশের 'পাশে' চলে গেল পাকিস্তান। বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানো নিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শুরুতে যে নাটক করেছিল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি), সেটা আর টুর্নামেন্টের শেষলগ্নে চালিয়ে যেতে পারল না।কারণ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে পাকিস্তানকে ছিটকে দিল শ্রীলঙ্কা। শনিবার প্রথমে ব্যাট করে ২১২ রান তোলার পরে বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে ওঠার জন্য শ্রীলঙ্কাকে ১৪৭ রানে আটকে রাখার দরকার ছিল পাকিস্তানের। কিন্তু সেটা হয়নি। ফলে ২০২৬ সালের পুরুষদের আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেল পাকিস্তান। সেই পরিস্থিতিতে ইংল্যান্ডের সঙ্গে সেমিফাইনালে উঠে গেল নিউজিল্যান্ড।তবে শুধু কিউয়িদের নয়, পাকিস্তানের বিদায়ে হাসি ফুটল কলকাতার মুখেও। কারণ পাকিস্তান বা শ্রীলঙ্কা না ওঠায় বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল হবে ইডেন গার্ডেন্স।

১৭৬/০ থেকে ২১২/৮- পাকিস্তান থাকল পাকিস্তানেই
অথচ আজ একটা বড় সময়জুড়ে মনে হচ্ছিল যে পাকিস্তান সেমিতে উঠে যাবে। কারণ কলম্বোয় প্রথমে ব্যাট করতে বিস্ফোরক ছন্দে খেলতে থাকে পাকিস্তান। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে আট উইকেটে ২১২ রান তোলে। যে রানটা আরও বেশি হতে পারত। কারণ ১৫.৪ ওভারে পাকিস্তানের স্কোর ছিল বিনা উইকেটে ১৭৬ রান। সেখান থেকে মনে হচ্ছিল যে পাকিস্তানের স্কোরটা ২৫০ পেরিয়ে যাবে। কিন্তু পাকিস্তান ঠিক পাকিস্তানের মতো খেলে ২১২ রানেই থেমে যায়। শেষ আট উইকেট হারায় ৩৬ রানে। আর শেষ দু'ওভারে ১২ রানে পাঁচ উইকেটে হারিয়ে ফেলে।
সাহিবজাদা ও ফখরের স্বপ্বভঙ্গ
আর সেই ধসই পাল্লেকেলেতে পাকিস্তানের স্বপ্ন ভেঙে দিল।ভেঙে গেল সাহিবজাদা ফারহান এবং ফখর জামানের স্বপ্নও। যাঁরা প্রথম উইকেটে মাত্র ৯৪ বলে ১৭৬ রান যোগ করেন। ৬০ বলে ১০০ রান করেন সাহিবজাদা। মারেন ন'টি চার। পাঁচটি ছক্কা। স্ট্রাইক রেট ছিল ১৬৬.৬৬। আবার ফখর ৪২ বলে ৮৪ রান করেন। ন'টি চার মারেন। ছক্কা মারেন চারটি।অর্থাৎ তাঁরাই ১০২ বলে ১৮৪ রান যোগ করেন।
পাকিস্তানকে আগে ফেরার ব্যবস্থা করে দিল শ্রীলঙ্কা
তাঁদের সেই দুরন্ত পারফরম্যান্সের রেশটা ধরে রাখেন পাকিস্তানি বোলাররাও। কিন্তু তারপর খেই হারিয়ে ফেলেন। ফলস্বরূপ ১৪৮ রান তুলে ফেলে শ্রীলঙ্কা। আর পাকিস্তানের দেশে ফেরার টিকিট ধরিয়ে দেয় দ্বীপরাষ্ট্র। এমনকী পরিস্থিতি যা, তাতে শ্রীলঙ্কা যদি রান তাড়া করে জিতে ফেলে, তাহলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। কাজটা কঠিন হলেও একেবারে অসম্ভব নয়।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


