TCS Religious Conversion: 'শির খুরমা খেয়েই নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়ি', টিসিএস ধর্মান্তরকরণ মামলায় নয়া সূত্র
TCS Religious Conversion case: অভিযোগকারী এক কর্মচারীর ভাষ্যমতে, ধর্মান্তরকরণ প্রক্রিয়ায় ফাঁসানোর আগে অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রথমে তাঁর সঙ্গে বন্ধুত্ব করেছিল। পরে প্রতিটি ধাপে ধাপে সেই কর্মীর মুসলিম ধর্মাচরণের ছবি এবং ভিডিয়ো তোলা হত। তা একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে আপলোড করা হত।
TCS Religious Conversion case: তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেস (টিসিএস)-এর নাসিক ইউনিটে ধর্ম পরিবর্তন মামলার তদন্তে এল নয়া মোড়। এই মামলার তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হিসেবে উঠে এসেছে নেশাজাতীয় দ্রব্য মেশানো একটি মিষ্টি পদ। এই মামলায় অভিযোগকারী এক কর্মচারীর ভাষ্যমতে, ধর্মান্তরকরণ প্রক্রিয়ায় ফাঁসানোর আগে অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রথমে তাঁর সঙ্গে বন্ধুত্ব করেছিল। পরে প্রতিটি ধাপে ধাপে সেই কর্মীর মুসলিম ধর্মাচরণের ছবি এবং ভিডিয়ো তোলা হত। তা একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে আপলোড করা হত।
তিনি অভিযোগ করেন যে, ইদের দিন সাত সন্দেহভাজনের একজন তৌসিফ বিলাল আত্তারের বাড়িতে 'শির খুরমা' খাওয়ার পর তিনি প্রচণ্ড নেশাগ্রস্ত ও দিশাহারা বোধ করছিলেন। এরপর অভিযুক্ত ব্যক্তি তাঁর ব্যক্তিগত পারিবারিক দুঃখ-কষ্ট ও মানসিক যন্ত্রণাকে কাজে লাগিয়ে আধ্যাত্মিক সমাধান হিসেবে 'কালো জাদু'-র পরামর্শ দেন। এই আবহে তাঁকে ধর্মীয় প্রতীক পরতে চাপ দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেন অভিযোগকারী টিসিএস কর্মী। এরই সঙ্গে তৌসিফ নাকি ইচ্ছে করে তাঁর কাজের মূল্যায়নে নেতিবাচক রিপোর্ট পাঠাচ্ছিল। রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, একটি হোটেলে নিয়ে গিয়ে সেই কর্মচারীকে তাঁর ধর্মীয় বিশ্বাসের বিরুদ্ধে খাবার খেতে বাধ্য করা হয়েছিল।
উল্লেখ্য, নাসিকে তথ্য প্রযুক্তি সংস্থা টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসে মহিলা কর্মীদের যৌন হেনস্থা এবং ধর্মান্তরিত করার অভিযোগের ঘটনায় ৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এখনও পর্যন্ত। শ্লীলতাহানি ও ধর্মান্তকরণের চেষ্টার অভিযোগে গ্রেফতার টিসিএস কর্মীদের মধ্যে অন্যতম অভিযুক্তরা হল- আসিফ আনসারি, শফি শেখ, শাহরুখ কুরেশি, রাজা মেমন, তৌসিফ আত্তার এবং অশ্বিন চাইনানি। ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সি টিসিএস-এর একাধিক মহিলা কর্মীরা এফআইআর করেন এই ঘটনায়। অভিযোগ, গত দুই থেকে তিন বছর ধরে তাঁদের উপর নির্যাতন চলেছে। দাবি করা হয়েছে, সংস্থায় কর্মরত অভিযুক্তরা প্রথমে অত্যন্ত সুকৌশলে ওই তরুণীদের ব্যক্তিগত, পারিবারিক এবং বৈবাহিক জীবনের নানা সমস্যার কথা জেনে নিত। এরপর সেই তাদের সেই ব্যক্তিগত দুর্বল বিষয়গুলিকেই হাতিয়ার করা হত। মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত মহিলাদের টার্গেট করে ব্ল্যাকমেল করা হত এবং ভয় দেখানো হত কিংবা প্রেমের ফাঁদে ফেলা হত। এরপর দিনের পর দিন ধর্ষণ ও যৌন হেনস্থা চলত। তাঁদের ধর্মীয় ভাবাবেগেও আঘাত করা হত বলে অভিযোগ করেছেন মহিলা কর্মীরা। পরে ধর্ম পরিবর্তনের জন্য ব্রেনওয়াশ করা হত তাঁদের।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


