সেমির অঙ্ক কঠিন! বিশ্বকাপে ভারতের ভাগ্য দক্ষিণ আফ্রিকার হাতে, ২৬ ফেব্রুয়ারিই চূড়ান্ত...
তবে ভারত বাকি দুটি ম্যাচ জিতলেই যে সেমিফাইনালে উঠে যাবে, তা নয়। জয়ের পাশাপাশি নেট রানরেটের ক্ষতও কাটিয়ে উঠতে হবে।
চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিজয় রথ থামিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ঘরের মাঠ আমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে মুখ পুড়েছে সূর্য কুমার যাদবদের। ২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালের রিপ্লে তো দূর প্রোটিয়াদের সামনে অসহায়ভাবে ধরা দেন ভারতীয় ব্যাটাররা। একরাশ হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় ভারতীয় সমর্থকদের। এই আবহে গুরু গম্ভীরের ছেলেদের সেমিফাইনালে ওঠার অঙ্ক কঠিন।

রবিবার বিশ্বকাপের সুপার এইটের প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ৭৬ রানের বড় ব্যবধানে হেরেছে ভারত। প্রোটিয়াদের ১৮৭ রান তাড়া করতে নেমে সূর্যরা অলআউট হয়ে গেছে মাত্র ১১১ রানে। ফলে গ্রুপের বাকি দুই ম্যাচ জিতলেও অন্য ম্যাচের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে ভারতকে। এই মুহূর্তে টিম ইন্ডিয়া গ্রুপ ১-এ পয়েন্ট তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। এই গ্রুপে ভারত এবং দক্ষিণ আফ্রিকা ছাড়াও রয়েছে জিম্বাবোয়ে এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ভারচতের নেট রান রেট -৩.৮০০ হয়ে গিয়েছে। পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। তাদের ২ পয়েন্ট। তাদের নেট রান রেট +৩.৮০০। ভারত এবার যথাক্রমে জিম্বাবোয়ে (২৬ ফেব্রুয়ারি) এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের (১ মার্চ) খেলতে নামবে। বলা বাহুল্য এই দুটি ম্যাচই ভারতকে জিততে হবে। শুধু জিতলে হবে না। জিততে হবে বড় ব্যবধানে।
ভারতকে কী করতে হবে?
বাকি দুই ম্যাচ ভারত জিতলে পয়েন্ট হবে ৪। এমনকী ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও জিম্বাবোয়ের কাছেও সুযোগ রয়েছে ৪ পয়েন্ট তোলার। ৩ ম্যাচেই যদি প্রোটিয়ারা জয় পায় তাহলে পয়েন্ট হবে ৬। ভারতের কাছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও জিম্বাবোয়ে-কে হারতে হবে। তবেই সেমিফাইনালে উঠতে পারবে টিম ইন্ডিয়া। এর একটিতেও হেরে গেলে ভারতের সেমিফাইনাল একরকম অসম্ভবই হয়ে পড়বে। যেটুকু সম্ভাবনা থাকবে, সেটিও অন্য ম্যাচগুলোর ফলাফল এবং নেট রানরেটের ওপর নির্ভর করবে।
দুটি জয়েও নিশ্চয়তা নেই
তবে ভারত বাকি দুটি ম্যাচ জিতলেই যে সেমিফাইনালে উঠে যাবে, তা নয়। জয়ের পাশাপাশি নেট রানরেটের ক্ষতও কাটিয়ে উঠতে হবে। কারণ, গ্রুপের তিনটি দলের পয়েন্ট ৪ হওয়া খুবই সম্ভব, আবার একটি দলের ছয় ও দুটি দলের চার পয়েন্ট করে হওয়াও সম্ভব। তাই ভারতের কাজ শুধু জেতাই নয়, ভালোভাবে জেতাও। যার অর্থ হচ্ছে ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং করলে দ্রুত রান তাড়া করা, আর আগে ব্যাটিং করলে বড় ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করা। সূর্যকুমারদের জন্য সবচেয়ে ভালো হয় যদি দক্ষিণ আফ্রিকা তাদের পরের দুই ম্যাচে জিম্বাবোয়ের ও ওয়েস্ট ইন্ডিজকে বড় ব্যবধানে হারায়। এতে ৬ পয়েন্ট নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা সেমিফাইনালে তো উঠবেই, পাশাপাশি জিম্বাবোয়ে ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের রানরেট কম থাকবে। সেক্ষেত্রে ওয়েস্ট ইন্ডিজ-জিম্বাবোয়ের ম্যাচে যে দলই জিতুক, কারও মোট পয়েন্ট চারের বেশি হবে না। আর ভারতও এ দুটি দলকে হারিয়ে দিলে ৪ পয়েন্ট পেয়ে যাবে। তখন রানরেট হয়ে উঠবে মুখ্য।
বাকি ম্যাচ
২৩ ফেব্রুয়ারি : ওয়েস্ট ইন্ডিজ বনাম জিম্বাবোয়ে (মুম্বই)
২৬ ফেব্রুয়ারি : দক্ষিণ আফ্রিকা বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ (আহমেদাবাদ)
২৬ ফেব্রুয়ারি : ভারত বনাম জিম্বাবোয়ে (চেন্নাই)
১ মার্চ : দক্ষিণ আফ্রিকা বনাম জিম্বাবোয়ে (দিল্লি)
১ মার্চ : ভারত বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ (কলকাতা)
E-Paper











