Threat Poster against Kashmiri Pandits: নব্বইয়ের বিভীষিকা ফেরানোর ছক? কাশ্মীরি পণ্ডিতদের বিরুদ্ধে হুমকি পোস্টার উপত্যকায়

জম্মু ও কাশ্মীরে পণ্ডিতদের হুমকি দিয়ে পোস্টার পড়ল। এর আগে কাশ্মীরে পোস্টারের সূত্র ধরেই ডাক্তারদের জঙ্গি মডিউলের পর্দা ফাঁস করা হয়েছিল। সেই সময়ই দিল্লিতে লালকেল্লার সামনে বিস্ফোরণ হয়েছিল। আর এবার ফের একবার জম্মু ও কাশ্মীরে জঙ্গিরা পোস্টার সাঁটতে শুরু করেছে।

Published on: Feb 23, 2026 1:47 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

দিল্লি এবং কলকাতায় কাশ্মীর নিয়ে উস্কানিমূলক পোস্টার পড়েছিল সম্প্রতি। সেই সূত্র ধরে পশ্চিমবঙ্গের মালদহ এবং তামিলনাড়ু থেকে ৭ বাংলাদেশি সহ ৮ জঙ্গিকে সম্প্রতি ধরা হয়। আর এবার জম্মু ও কাশ্মীরে পণ্ডিতদের হুমকি দিয়ে পোস্টার পড়ল। এর আগে কাশ্মীরে পোস্টারের সূত্র ধরেই ডাক্তারদের জঙ্গি মডিউলের পর্দা ফাঁস করা হয়েছিল। সেই সময়ই দিল্লিতে লালকেল্লার সামনে বিস্ফোরণ হয়েছিল। আর এবার ফের একবার জম্মু ও কাশ্মীরে জঙ্গিরা পোস্টার সাঁটতে শুরু করেছে।

জম্মু ও কাশ্মীরে পণ্ডিতদের হুমকি দিয়ে পোস্টার পড়ল। (Basit Zargar )
জম্মু ও কাশ্মীরে পণ্ডিতদের হুমকি দিয়ে পোস্টার পড়ল। (Basit Zargar )

উল্লেখ্য, ১৯৯০-এর দশক থেকে অধিকাংশ কাশ্মীরি পণ্ডিত উপত্যকা ছেড়েছিলেন। তবে সেই সময়ও দাঁতে দাঁত চেপে কাশ্মীরে থেকে গিয়েছিলেন কয়েকজন কাশ্মীরি। সেই কাশ্মীরি পণ্ডিতদের সংগঠন পণ্ডিত সংঘর্ষ সমিতি দাবি জানাল, উপত্যকায় পণ্ডিতদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক। প্রসঙ্গত, বছর চার-পাঁচেক আগেই উপত্যকায় বেশ কয়েকজন কাশ্মীরি পণ্ডিত খুন হন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে কাশ্মীরি পণ্ডিতদের ওপরে সেভাবে কোনও হামলা হয়নি। এদিকে পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার পর থেকেই উপত্যকায় জঙ্গিদের খোঁজে লাগাতার তল্লাশি অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে নিরাপত্তাবাহিনী। দিল্লি বিস্ফোরণের পর থেকে সেই তল্লাশি অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে।

এদিকে এর আগে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল মালদহ থেকে ২ জনকে গ্রেফতার করেছে। ধৃতদের নাম উমর ফারুক এবং রবিউল ইসলাম। উমর মালদহের বাসিন্দার। রবিউল বাংলাদেশি। এরা লস্করের সঙ্গে যুক্ত ছিল। এছাড়া তামিলনাড়ু থেকে গ্রেফতার মিজানুর রহমান, মহম্মদ শব্বত, উমর, মহম্মদ লিটন, মহম্মদ শহিদ ও মহম্মদ উজ্জ্বলরা সবাই বাংলাদেশি। শাব্বির আহমেদ লোন নামে একজন হ্যান্ডলার নির্দেশে বাংলাদেশ থেকে ভারতে এসে নাশকতা ছকের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল এই বাংলাদেশিরা। এই শব্বির লোন কাশ্মীরি। ২০০৭ সালে এক আত্মঘাতী হামলার চেষ্টার সময় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। ২০১৯ সালে জেল থেকে ছাড়া পেয়ে সে বাংলাদেশে পালিয়ে গিয়ে সেখানে ঘাঁটি গড়ে তুলেছিল। সম্প্রতি কলকাতায় সে বাড়ি ভাড়া নিয়েছিল। বড়সড় এক জঙ্গি হামলার পরিকল্পনা করছিল এই শব্বির। আর সেই ছকের ঘুঁটি ছিল এই বাংলাদেশি জঙ্গিরা। তদন্তের সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তাদের দাবি, লস্কর প্রধান হাফিজ সইদ ও জঙ্গি নেতা জ্যাকিউর রহমান লাখভির সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ ছিল বাংলাদেশি হ্যান্ডলার শব্বির আহমেদ লোনের।

তদন্তে জানা গেছে, দেশের প্রধান মেট্রো শহর দিল্লি, মুম্বই, কলকাতা ও চেন্নাই এই মডিউলের টার্গেট ছিল। সূত্রের খবর, হোলি উপলক্ষে কিছু জায়গায় রেকিও করা হয়েছিল এবং হামলার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। এদিকে দিল্লির চাঁদনী চকে অবস্থিত মন্দিরও তাদের নিশানায় রয়েছে। বলা হচ্ছে, ৬ ফেব্রুয়ারি ইসলামাবাদের একটি মসজিদে হামলার প্রতিশোধ নিতে এই পরিকল্পনা করা হয়েছে। কয়েক মাস আগেই দিল্লির লালকেল্লার কাছে একটি বড় বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিল পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি। সেই হামলায় ১৫ জনের মৃত্যু ঘটেছিল। এই আবহে দিল্লির স্পর্শকাতর এলাকায় ব্যাপক হারে আধাসামরিক বাহিনী ও পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। দিল্লিতে প্রবেশকারী প্রতিটি গাড়িতে তল্লাশি চালানো হচ্ছে এবং পরিত্যক্ত গাড়িগুলির উপর বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে।