Pro-Mamata Leaders: তৃণমূলকে ভাঙা যায় না, বড় ‘খেলার’ আগে হঠাৎ করেই স্পিকারের বাড়িতে মমতার ২ দূত
Pro-Mamata Leaders: ‘অ্যাপয়েন্টমেন্ট’ ছাড়াই লোকসভা স্পিকারের কাছে হাজির হলেন দুই তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ। একজন লোকসভার সাংসদ, অপরজন রাজ্যসভার সাংসদ। বিদ্রোহী সাংসদদের বৈঠকের মধ্যেই লোকসভার স্পিকারকে চিঠি দেন।
Pro-Mamata Leaders: 'বিদ্রোহী' ব্লকের বৈঠকের মধ্যেই আচমকা লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বাসভবনে পৌঁছে গেলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুই 'দূত'। আজ বিকেলে নয়াদিল্লিতে সরাসরি স্পিকারের বাসভবনে আসেন সাগরিকা ঘোষ এবং কীর্তি আজাদ। সূত্রের খবর, আগে থেকে ‘অ্যাপয়েন্টমেন্ট’ নেওয়া ছিল না। হঠাৎই তাঁরা চলে আসেন। তবে ‘কালীঘাট তৃণমূলের’ প্রতিনিধি হিসেবে স্পিকারের বাসভবনে চিঠি দিয়ে আসেন। তাতে দাবি করা হয় যে সংসদে তৃণমূলকে যেন একটি দল হিসেবেই বিবেচনা করা হয়। কোনও বিচ্ছিন্ন গোষ্ঠীকে যাতে স্বীকৃতি না দেওয়া হয়, সেই আর্জিও জানানো হয়েছে।

‘তৃণমূল কংগ্রেস একটি অবিভাজ্য দল’, দাবি মমতার দূতদের
তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা সেই চিঠি দিয়ে লোকসভার স্পিকারের বাসভবন থেকে বের হওয়ার সময় রাজ্যসভার সাংসদ সাগরিকা বলেন, ‘আমরা (লোকসভার স্পিকারের কাছে) একটি চিঠি দিয়েছি যে, তৃণমূল কংগ্রেস একটি অবিভাজ্য দল। লোকসভার ভিতরে আপনারা আলাদা কোনও গোষ্ঠী গঠন করতে পারেন না। এটি সংবিধান-বিরোধী।'
‘নৈতিক দুর্বলতারই প্রতিফলন’, দাবি সাগরিকার
সেইসঙ্গে তিনি বলেন, 'আমরা চিঠিতে জানিয়েছি যে, যাঁরা তৃণমূল কংগ্রেসকে ভেঙে লোকসভার ভিতরে আলাদা গোষ্ঠী গড়তে চাইছেন, (তাঁরা সেটা করতে পারেন না, কারণ) তা সংবিধানের পরিপন্থী। সংবিধান এর অনুমতি দেয় না। এটি বেআইনি। এটি আপনাদের নৈতিক দুর্বলতারই প্রতিফলন যে, দল যখন পরাজিত হয়, তখন আপনারা সেই দল, সেই নেতা এবং সেই প্রতীককেই পরিত্যাগ করেন- যাঁর ওপর ভর করে আপনারা জয়ী হয়েছিলেন।’
দিল্লিতে বিদ্রোহী স্পিকারদের বৈঠক চলছে
আর সেই বিষয়ে স্পিকারের কাছে মমতার দুই দূত আর্জি জানিয়ে এসেছেন, যখন দিল্লিতে বিজেপি নেতা ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে বৈঠক করছেন তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদরা। কানাঘুষো শোনা যাচ্ছিল যে সোমবার স্পিকারের সঙ্গে দেখা করতে পারেন তাঁরা। তবে একটি মহলের তরফে দাবি করা হচ্ছে যে আজই সেই কাজটা সেরে রাখা হতে পারে। আর সেই ‘খেলা’-র আগেই স্পিকারের বাসভবনে পৌঁছে গেলেন মমতার দুই দূত।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


