TMC Rebel MPs Meeting: ইন্ডিয়ার বৈঠকের মাঝে দিল্লিতে ‘বিদ্রোহী’ তৃণমূল সাংসদদের গোপন বৈঠক, জল্পনা তুঙ্গে
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন শর্মিলা সরকার, প্রসূন ব্যানার্জি, জগদীশ চন্দ্র বর্মা বসুনিয়া, কালিপদ সোরেন, অরূপ চক্রবর্তী, অসিত কুমার মাল এবং কাকলি ঘোষ দস্তিদারসহ আরও কয়েকজন সাংসদ। যদিও প্রকাশিত ছবিতে সকলকে স্পষ্টভাবে দেখা যায়নি।
দিল্লিতে ইন্ডিয়া জোটের বৈঠক চলাকালীনই তৃণমূল কংগ্রেসের একাংশ সাংসদের গোপন বৈঠক ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র জল্পনা শুরু হয়েছে। সেই বৈঠকের ছবি সামনে এসেছে। জানা গিয়েছে, রাজধানীতে এক সাংসদের বাসভবনে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় এবং সেখানে উপস্থিত ছিলেন অন্তত ১১ জন সাংসদ।

সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফার সিদ্ধান্ত ঘোষণার পরই বৈঠকে যোগ দিতে দেখা গিয়েছে সুখেন্দু শেখর রায়কে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, শুধুমাত্র পদত্যাগ নয়, তৃণমূলের অন্দরে বিকল্প রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরির চেষ্টাতেও তিনি সক্রিয় কি না, সেই প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে।
সূত্রের খবর, বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন শর্মিলা সরকার, প্রসূন ব্যানার্জি, জগদীশ চন্দ্র বর্মা বসুনিয়া, কালিপদ সোরেন, অরূপ চক্রবর্তী, অসিত কুমার মাল এবং কাকলি ঘোষ দস্তিদারসহ আরও কয়েকজন সাংসদ। যদিও প্রকাশিত ছবিতে সকলকে স্পষ্টভাবে দেখা যায়নি। উল্লেখযোগ্যভাবে, এর আগেই দিল্লিতে বিক্ষুব্ধ সাংসদদের একটি বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনার খবর সামনে এসেছিল। রাজনৈতিক সূত্রের দাবি, দল থেকে আলাদা হয়ে নতুন রাজনৈতিক অবস্থান নেওয়ার ক্ষেত্রে সাংসদদের সংখ্যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দলত্যাগবিরোধী আইন এড়াতে লোকসভায় তৃণমূলের মোট সাংসদের অন্তত দুই-তৃতীয়াংশের সমর্থন প্রয়োজন। সেই হিসেবে প্রায় ১৯ জন সাংসদের সমর্থন দরকার হবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সাংসদরা যদি অন্য কোনও দলের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হওয়ার পথ বেছে নেন, তাহলে পরিস্থিতি একরকম হতে পারে। কিন্তু যদি তাঁরা আলাদা সংসদীয় ব্লক গঠনের উদ্যোগ নেন, তাহলে তা আইনি ও সাংগঠনিকভাবে আরও জটিল হবে। কারণ অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের সংসদীয় নেতৃত্বের চূড়ান্ত কর্তৃত্ব দলের চেয়ারপার্সন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতেই রয়েছে।
সূত্রের খবর, বিক্ষুব্ধ সাংসদরা এমন কোনও পদক্ষেপ করতে চাইছেন না, যাতে তাঁদের বিরুদ্ধে দলত্যাগবিরোধী আইন প্রয়োগের সুযোগ তৈরি হয়। এখনও প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন জোগাড় হয়নি বলেও আলোচনা চলছে। তাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছতে তাঁরা আরও কিছুটা সময় নিতে পারেন। তবে একথা স্পষ্ট, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে ব্যস্ত, ঠিক সেই সময় দিল্লিতে তৃণমূলের একাংশ সাংসদের এই বৈঠক দলের অন্দরের অস্বস্তি ও সম্ভাব্য রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়ে নতুন করে জল্পনা উসকে দিয়েছে।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


