'বিশ্বে ইসলামিক সন্ত্রাসবাদ রফতানি...,' পাকিস্তানকে তুলোধোনা ট্রাম্প সহযোগীর

লরা লুমার তাঁর দাবির সমর্থনে, গত সপ্তাহে ট্রাম্প এবং সিনিয়র আমেরিকান রাজনীতিবিদদের হত্যার ষড়যন্ত্রের জন্য আসিফ মার্চেন্ট নামে এক পাকিস্তানি নাগরিকের দোষী সাব্যস্ত হওয়ার ঘটনাটি উল্লেখ করেছেন।

Published on: Mar 14, 2026, 23:35:45 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

বিশ্বে পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় রফতানি হল 'ইসলামিক সন্ত্রাসবাদ।'এমনই বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনুগামী এবং অতি-ডানপন্থী রাজনৈতিক কর্মী লরা লুমার। সেই সঙ্গে তিনি পরামর্শ দিয়েছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শাহবাজ শরিফের সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ থাকা উচিত নয়। লরা লুমার নয়া দিল্লিতে ইন্ডিয়া টুডে-র কনক্লেভে যোগ দিয়েছিলেন। সেখানেই মুসলিম-বিরোধী বক্তব্যের জন্য সুপরিচিত লুমার প্রকাশ্যে জিহাদ প্রচারের জন্য পাকিস্তানের দিকে আঙুল তোলেন।

লরা লুমার (AP)
লরা লুমার (AP)

ইসলামিক সন্ত্রাসবাদ সম্পর্কে স্পষ্ট মন্তব্য করে লরা লুমার অভিযোগ করেন, বিশ্বজুড়ে বেশ কয়েকটি জঙ্গি হামলার নেপথ্যে পাকিস্তানের হাত রয়েছে। ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারের সময় তাঁর পাশে থাকা লুমার জোর দিয়ে বলেন যে ভারত এবং ব্রিটিনে সাম্প্রতিক জঙ্গি হামলাগুলি পাকিস্তানের চরমপন্থী নেটওয়ার্কগুলির সঙ্গে যুক্ত। তিনি বলেন, 'বিশ্বে পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় রফতানি হল ইসলামী সন্ত্রাসবাদ, এবং আমি বিশ্বাস করি না যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পাকিস্তান সরকারের প্রতি আদৌ সহানুভূতিশীল হওয়া উচিত।' লুমার আরও বলেন, 'পাকিস্তান একটি প্রকাশ্যে জিহাদি এবং শরিয়া-পন্থী রাষ্ট্র হিসেবে কাজ করে, এবং যখন আপনি বিশ্বজুড়ে অনেক ইসলামপন্থী সন্ত্রাসী হামলার দিকে তাকান, তখন প্রায়শই পাকিস্তানের সঙ্গে কিছু সংযোগ দেখা যায়।'

'সন্ত্রাসবাদ মূলত পাকিস্তান থেকে আসছে'

লরা লুমার তাঁর দাবির সমর্থনে, গত সপ্তাহে ট্রাম্প এবং সিনিয়র আমেরিকান রাজনীতিবিদদের হত্যার ষড়যন্ত্রের জন্য আসিফ মার্চেন্ট নামে এক পাকিস্তানি নাগরিকের দোষী সাব্যস্ত হওয়ার ঘটনাটি উল্লেখ করেছেন। মার্চেন্টের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে তিনি ইরানের নির্দেশে ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে লোক নিয়োগের চেষ্টা করেছিলেন। ২০২০ সালে ট্রাম্পের প্রথম প্রেসিডেন্টের মেয়াদের সময় ইরানি সামরিক কমান্ডার কাসেম সোলাইমানিকে হত্যার প্রতিশোধ নিতে এই ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। লুমার জোর দিয়ে বলেন, 'এই ঘটনাটি একটি বিষয় স্পষ্ট করে তোলে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই, সমস্ত সন্ত্রাসবাদ মূলত পাকিস্তান থেকে আসছে।'

ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ একজন সহযোগীর এই মন্তব্য এমন এক সময়ে সামনে এসেছে যখন গত কয়েক মাসে পাকিস্তান এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্কের ব্যাপক পরিবর্তন দেখা গেছে। লুমার বলেন, তিনি ট্রাম্পের সঙ্গে, 'ইসলামিক সন্ত্রাস' বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছেন এবং ব্যক্তিগতভাবে তিনি চান না ওভাল অফিসে ইসলামী নেতাদের স্বাগত জানানো হোক। তবে লুমার এও বলেন, 'কিন্তু তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট। তাঁকে কূটনীতি পরিচালনা করতে হবে এবং বিশ্বজুড়ে নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।'