Donald Trump on Immigration: তৃতীয় বিশ্বের দেশে পরিণত হবে US! অভিবাসন নীতি নিয়ে ফের সুর চড়ালেন ট্রাম্প

Donald Trump on Immigration: গত ৮ জুন ভিসা-নীতি নিয়ে আদালতে ধাক্কা খেয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এইচ-১বি ভিসার জন্য মার্কিন সংস্থাগুলির উপর যে মাসুল চাপিয়েছিল ট্রাম্প প্রশাসন, তা বেআইনি। ৪২ পাতার এক রায়ে এমনটাই জানিয়েছে মার্কিন আদালত।

Published on: Jun 16, 2026, 17:41:14 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Donald Trump on Immigration: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অভিবাসন ইস্যুতে তাঁর আক্রমণাত্মক সুর আরও একবার উস্কে দিয়েছেন। তাঁর দাবি, উন্নয়নশীল দেশগুলো থেকে এই ধরনের ব্যাপক মাত্রায় অভিবাসন দীর্ঘমেয়াদে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভবিষ্যৎকে আমূল বদলে দিতে পারে।

অভিবাসন নীতি নিয়ে ফের সুর চড়ালেন ডোনাল্ড ট্রাম্প (AFP)
অভিবাসন নীতি নিয়ে ফের সুর চড়ালেন ডোনাল্ড ট্রাম্প (AFP)

সোমবার নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ একটি পোস্টে ট্রাম্প অভিবাসন ইস্যুটিকে তাঁর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক স্লোগানের সঙ্গে যুক্ত করেছেন। এর মাধ্যমে তিনি আরও একবার স্পষ্ট করে দিলেন যে, তাঁর রাজনৈতিক এজেন্ডার অন্যতম প্রধান অংশই হলো এই অভিবাসন নীতি। পোস্টে তিনি লিখেছেন, 'দুর্ভাগ্যবশত, আপনি যদি তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলো থেকে মানুষ নিয়ে আসেন, তবে খুব দ্রুত আপনি নিজেই একটি তৃতীয় বিশ্বের দেশে পরিণত হবেন-এবং তখন আপনার আর কিছুই করার থাকবে না। মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন (আমেরিকাকে আবার মহান করে তুলুন)!' বছরের পর বছর ধরে ট্রাম্পের রাজনৈতিক আন্দোলনকে পরিচালিত করা এই ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ স্লোগানটি তাঁর এই বার্তায় বিশেষভাবে স্থান পেয়েছে, যা অভিবাসন এবং জাতীয় পরিচয়ের ওপর তাঁর লাগাতার মনোযোগকেই নতুন করে সামনে এনেছে।

অভিবাসন-সংক্রান্ত নীতি নিয়ে সম্প্রতি মার্কিন বিচার ব্যবস্থার ওপর তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন ট্রাম্প। তাঁর এই সাম্প্রতি মন্তব্য মূলত সেই ধারাবাহিক আক্রমণেরই অংশ। গত ৮ জুন ভিসা-নীতি নিয়ে আদালতে ধাক্কা খেয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এইচ-১বি ভিসার জন্য মার্কিন সংস্থাগুলির উপর যে মাসুল চাপিয়েছিল ট্রাম্প প্রশাসন, তা বেআইনি। ৪২ পাতার এক রায়ে এমনটাই জানিয়েছে মার্কিন আদালত। এইচ-১বি ভিসার জন্য ট্রাম্পের চাপানো ওই শর্তকে বাতিল করে দিয়েছেন বিচারক। বলে রাখা প্রয়োজন, এইচ-১বি হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি অ-অভিবাসী ভিসা। এর মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের দক্ষ কর্মীরা সাময়িক ভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে থেকে সেখানকার সংস্থার হয়ে কাজ করতে পারেন। কিন্তু গত বছরের সেপ্টেম্বরে এই ভিসা-নিয়মে কড়াকড়ি চালু করেন ট্রাম্প। জানিয়ে দেন, ভিন্‌দেশের কর্মীদের নিয়োগের ক্ষেত্রে এইচ-১বি ভিসার আবেদনের সময়ে এক লক্ষ ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় ৯৫ লক্ষ টাকারও বেশি) জমা দিতে হবে মার্কিন সংস্থাগুলিকে। তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বস্টনে এক ফেডারেল কোর্টে। সেই আদালত বাতিল করে দিয়েছে ট্রাম্পের চাপানো এইচ-১বি ভিসার শর্ত।

এদিকে, গত ২৩ এপ্রিল রক্ষণশীল লেখক ও রেডিও উপস্থাপক মাইকেল স্যাভেজের একটি ভিডিও শেয়ার করে জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের একটি উসকানিমূলক সমালোচনাকে আরও জোরালো করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব আইনে পরিবর্তনের আহ্বান জানিয়ে করা নিজের বক্তব্যে স্যাভেজ অভিযোগ করেছিলেন, চিন ও ভারতের মতো দেশের মানুষ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আসে ‘নবম মাসে শিশুর জন্ম দিতে’ এবং এই আইন তাদেরকে ‘তাৎক্ষণিক’ মার্কিন নাগরিক বানিয়ে দেয়। স্যাভেজের কথায়, ‘বর্তমান আইনি ব্যবস্থা (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের) অভিবাসীদেরকে গর্ভাবস্থার নবম মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এসে মার্কিন আইনের অপব্যবহার করার সুযোগ করে দেয়।’ মূলত নিউজম্যাক্স সিরিজ ‘দ্য স্যাভেজ নেশন’-এ প্রচারিত ফুটেজটি ‘কমেন্টারি ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প পোস্টস ফ্রম ট্রুথ সোশ্যাল’ নামক অ্যাকাউন্টটির মাধ্যমে তুলে ধরা হয়, যেটি প্রেসিডেন্টের সোশ্যাল মিডিয়া কার্যকলাপ পুনঃপোস্ট করার জন্য নিবেদিত একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে।