TTP on Pakistan Army: অপারেশন সিঁদুরে মার খেয়ে ভাবমূর্তি ঠিক করতেই আফগানিস্তানে হামলা পাকিস্তানের, দাবি টিটিপির

TTP on Pakistan Army: রিপোর্ট অনুসারে, টিটিপির ম্যাগাজিন 'মুজাল্লাহ তালিবানের' ১১তম সংখ্যায় মুনিরের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি অভিযোগ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে যে মুনির আফগানিস্তানকে ভারতের চেয়ে সহজ লক্ষ্য হিসাবে বিবেচনা করেছিলেন।

Published on: Apr 27, 2026, 14:23:01 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

TTP on Pakistan Army: অপারেশন সিঁদুরে পরাজয়ের পর পাকিস্তান ইচ্ছাকৃতভাবে আফগানিস্তানকে নিশানা করে হামলা চালায়। এমনই অভিযোগ করেছে পাক তালিবান। সেই রিপোর্ট অনুসারে, তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান বা টিটিপি অভিযোগ করেছে, পাকিস্তানের ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির তাঁর ভাবমূর্তি উন্নত করার জন্য আফগানিস্তানের সাথে সংঘাতে জড়িয়েছিলেন। ফেব্রুয়ারিতে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে হামলার পর যুদ্ধের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল।

অপারেশন সিঁদুরে পরাজয়ের পর পাকিস্তান ইচ্ছাকৃতভাবে আফগানিস্তানকে নিশানা করে হামলা চালায়, অভিযোগ টিটিপির (via REUTERS)
অপারেশন সিঁদুরে পরাজয়ের পর পাকিস্তান ইচ্ছাকৃতভাবে আফগানিস্তানকে নিশানা করে হামলা চালায়, অভিযোগ টিটিপির (via REUTERS)

সিএনএন নিউজ ১৮ অনুসারে, টিটিপির ম্যাগাজিন 'মুজাল্লাহ তালিবানের' ১১তম সংখ্যায় মুনিরের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি অভিযোগ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে যে মুনির আফগানিস্তানকে ভারতের চেয়ে সহজ লক্ষ্য হিসাবে বিবেচনা করেছিলেন। ২০২৫ সালের মে মাসে ভারতের সাথে সংঘাতে পরাজয়ের পরে তিনি আফগানিস্তানে হামলার পথটি বেছে নিয়েছিলেন। দাবি করা হচ্ছে, সামরিক সাফল্য দেখানোই ছিল এই হামলা মূল উদ্দেশ্য। প্রতিবেদন অনুসারে, টিটিপি পাকিস্তানি সামরিক নেতৃত্বের বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আঁতাত করার অভিযোগ তুলেছে। তারা বলেছে যে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে আফগান শহরগুলিতে বিমান হামলা চালানো হয়েছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে সন্তুষ্ট করতে।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে ডুরান্ড লাইন বরাবর পাকিস্তানি ও আফগান সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে যে ভয়াবহ সংঘর্ষ বেঁধেছিল, তার কেন্দ্রে ছিল 'তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান' (টিটিপি)। পাকিস্তানের দাবি, টিটিপিকে আশ্রয় দিচ্ছে আফগান তালিবান। আর সেই সব জঙ্গি তারপর পাকিস্তানে হামলা চালাচ্ছে। এদিকে তালিবানের পালটা অভিযোগ, পাকিস্তান সরকার এবং সেনা ইসলামিক স্টেটের মতো জঙ্গি সংগঠনকে সাহায্য করছে। ২০০৭ সালের ডিসেম্বরে বাইতুল্লাহ মেহসুদের নেতৃত্বে পাকিস্তানের ফেডারেল শাসিত উপজাতি এলাকার বিভিন্ন জঙ্গি গোষ্ঠীকে একত্র করে টিটিপি গঠিত হয়। এই গোষ্ঠীকে আন্তর্জাতিকভাবে একটি সন্ত্রাসবাদী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। আল-কায়েদা জঙ্গিদের বিরুদ্ধে পাকিস্তানি সামরিক অভিযানের প্রতিক্রিয়া হিসেবে এর জন্ম হয়েছিল। বর্তমানে টিটিপির মূল লক্ষ্য হল পাকিস্তানের সরকারকে সরিয়ে তাদের নিজস্ব মতাদর্শে একটি ইসলামি শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা।

এই আবহে গত ২০২৫ সালের ৯ অক্টোবর মধ্যরাতের দিকে কাবুলের পূর্বাঞ্চলে শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটে। এরপর পাক সীমান্তে সেনা আউটপোস্টে পালটা হামলা চালায় আফগনরা। সেই হামলায় পাকিস্তানের ৫৮ সেনা জওয়ান নিহত বলে দাবি করে তালিবান। এদিকে পাক সেনা দাবি করে, তাদের ২৩ জন জওয়ানের মৃত্যু হয়েছে। তারপর গত ১৪ অক্টোবর রাতে পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তে নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হয়েছিল। তাতে কমপক্ষে ১৫ আফগান নাগরিক এবং পাকিস্তানি আধাসামরিক বাহিনীর ৬ জন নিহত হয়েছিল। পরে নভেম্বরের শুরুতেও ফের আফগানিস্তানের স্পিন বলডক অঞ্চলে পাকিস্তানের তরফ থেকে গুলি চালানো হয়েছিল। পরে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ফের টিটিপি ঘাঁটির নাম করে আফগানিস্তানে বিমান হামলা চালায় পাকিস্তান।

  • Abhijit Chowdhury
    ABOUT THE AUTHOR
    Abhijit Chowdhury

    ২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More