ফের শিরোনামে হাথরস! বেরির প্রলোভন দেখিয়ে নাবালিকাকে ধর্ষণ, আটক ২ নাবালক
হিমাচল প্রদেশের বিলাসপুর জেলায় পাঁচ বছরের শিশুকে ১৫ বছরের এক নাবালকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
আবার সেই উত্তরপ্রদেশের হাথরস! ২০২০ সালে এক দলিত তরুণীকে গণধর্ষণের ঘটনায় উত্তাল হয়েছিল হাথরস। মাঝে কেটে গিয়েছে বেশ কয়েকটা বছর। কিন্তু, পরিস্থিতি এখনও আগের মতোই। এবার বেরির লোভ দেখিয়ে এক নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল ১০ এবং ১২ বছর বয়সের দুই নাবালকের বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যে তাদেরকে আটক করেছে পুলিশ। আর এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে যোগীগড়ে।

এই ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার দুপুর ২টো নাগাদ হাথরসে। পুলিশ সূত্রে খবর, শুক্রবার দুপুরে চতুর্থ শ্রেণির ওই নাবালিকা গবাদি পশুর খাবার নিয়ে আসার জন্য গ্রামের কাছে একটি জঙ্গলে গিয়েছিল। সেই সময় দুই নাবালক তাকে বেরি খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে কাছেই একটি গমের ক্ষেতে টেনে নিয়ে যায়। জানা গিয়েছে, এরপরে বছর ১০-এর ওই নাবালক মাটিতে ফেলে নাবালিকার হাত চেপে ধরে। আরেক ১২ বছর বয়েসি তাকে ধর্ষণ করে। এ বিষয়ে এক পুলিশ আধিকারিক পিটিআই-কে জানিয়েছেন, 'নির্যাতিতা ও অভিযুক্তরা উভয়ই নাবালক। আমরা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছি।'
টাইমস অফ ইন্ডিয়া-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই দুই অভিযুক্ত নাবালক ওই নাবালিকার গ্রামেরই বাসিন্দা। ঘটনার পরে বাড়িতে ফিরে মাকে সমস্ত ঘটনা খুলে বলে ওই নাবালিকা। এরপরেই থানায় অভিযোগ দায়ের করেন নাবালিকার পরিবারের সদস্যরা। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে পুলিশ দুই নাবালককে আটক করেছে। ঘটনার তদন্ত করছে পুলিশ। এক আধিকারিক জানান, 'দুই নাবালকের বিরুদ্ধে পকসো আইনের বিএনএস ধারা ৭০-১ এবং ৫/৬ এর অধীনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ওই নাবালিকার শারীরিক পরীক্ষাও করা হয়েছে।' তিনি আরও বলেন, শনিবার রাতে দুই অভিযুক্ত নাবালককে আটক করে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করানো হলে, তাদের জুভেনাইল হোমে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, হিমাচল প্রদেশের বিলাসপুর জেলায় পাঁচ বছরের শিশুকে ১৫ বছরের এক নাবালকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে গত শুক্রবার।পুলিশ জানিয়েছে, ওই নাবালক ছেলেটি মাঠে নিয়ে গিয়ে শিশুটিকে ধর্ষণ করে। আর এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই উন্মুক্ত জনতা জমায়েত হয়ে অভিযুক্তের বাড়িতে ভাঙচুর চালায়। শনিবারই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ এবং পকসো আইনের প্রাসঙ্গিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত করছে পুলিশ।
E-Paper

