Uniform Civil Code: ২০২৯ সালের মধ্যেই ২১টি NDA-শাসিত রাজ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি, ঘোষণা অমিত শাহের
Uniform Civil Code: অমিত শাহ বলেন, ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি রাজ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করা হয়েছে। এবার এনডিএ শাসিত বাকি রাজ্যগুলিতেও তা কার্যকর করার লক্ষ্যে এগোবে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারগুলি।
Uniform Civil Code: ২০২৯ সালের আগেই বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ শাসিত দেশের ২১টি রাজ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বা ইউনিফর্ম সিভিল কোড (UCC) চালু হবে। এমনই ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

রবিবার মুম্বইয়ে এক সাংবাদিক বৈঠকে অমিত শাহ বলেন, ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি রাজ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করা হয়েছে। এবার এনডিএ শাসিত বাকি রাজ্যগুলিতেও তা কার্যকর করার লক্ষ্যে এগোবে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারগুলি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কথায়, 'আমরা বেশ কয়েকটি রাজ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করেছি। ২০২৯ সালের আগে বিজেপি ও এনডিএ-র অধীনে থাকা ২১টি রাজ্যেই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করা হবে।' বলে রাখা প্রয়োজন, ২০২৯ সালেই লোকসভা নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে।
সম্প্রতি ভোপালের জগদীশপুরায় আয়োজিত এক বিশেষ মন্ত্রিসভার বৈঠকে মধ্যপ্রদেশ সরকার সর্বসম্মতভাবে ইউসিসি অনুমোদন করেছে। এর আগে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে উত্তরাখণ্ড দেশের প্রথম রাজ্য হিসেবে ইউসিসি আইন পাস করে। গত বছর একই পথ অনুসরণ করে গুজরাট। এরপর চলতি ২০২৬ সালের মে মাসে প্রথম উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য হিসেবে ইউসিসি বিল পাস করে অসম। যদি ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাস থেকেই উত্তরাখণ্ডে এই আইন পুরোপুরি কার্যকর হয়েছে। অন্যদিকে গুজরাট, অসম এবং মধ্যপ্রদেশে এই বিলটি রাষ্ট্রপতির সম্মতি ও চূড়ান্ত বিজ্ঞপ্তির অপেক্ষায় রয়েছে। এছাড়া মহারাষ্ট্র, পশ্চিমবঙ্গ এবং ছত্তিশগড় সরকার এই আইনের খসড়া তৈরির জন্য বিশেষ কমিটি গঠন করেছে।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ভারতীয় ন্যায় সংহিতা কার্যকর করার মাধ্যমে দেশে ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করেছে কেন্দ্র। সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, অমিত শাহের দাবি অনুযায়ী মাত্র এক বছরের মধ্যে বেশ কয়েকটি রাজ্যে অপরাধীদের সাজা পাওয়ার হার (কনভিকশন রেট) ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। অমিত শাহের দাবি, দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সরকারের আমলে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা একাধিক অভ্যন্তরীণ সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সংবিধানের ৩৭০ ধারা, নকশালবাদ এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের নিরাপত্তা পরিস্থিতি। তাঁর বক্তব্য, এই বিষয়গুলি দীর্ঘদিন ধরে দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছিল। ২০২৯-এর আগে এনডিএ শাসিত ২১টি রাজ্যে ইউসিসি কার্যকর করার এই ঘোষণা আগামী দিনে দেশের আইন ও রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠতে পারে। তিনি উল্লেখ করেন যে, ভারতের বিদেশ ও প্রতিরক্ষা নীতি এখন এক দৃঢ় ভিত্তির উপর দাঁড়িয়েছে। যেখানে 'ইন্ডিয়া ফার্স্ট' নীতি সরকারের কার্যক্রমকে পরিচালিত করছে এবং জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
E-Paper

