Umar Khalid Gets Bail: অবশেষে সাময়িক মুক্তি! মায়ের জন্য অন্তর্বর্তী জামিন পেলেন উমর খলিদ

Umar Khalid Gets Bail: গত ১৯ মে দিল্লির উমর খালিদের অন্তর্বর্তী জামিনের আবেদন খারিজ করেছিল দিল্লির একটি আদালত।নিম্ন আদালতের কাছে চাওয়া জামিন খারিজের পরে, সেই আদেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে উমর খলিদ দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন।

Published on: May 22, 2026, 19:30:44 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Umar Khalid Gets Bail: অবশেষে স্বস্তি। জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্রনেতা, কারাবন্দি উমর খলিদের তিন দিনের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন মঞ্জুর করল দিল্লি হাইকোর্ট। আদালতে উমর খলিদের তরফে জানানো হয়, তাঁর মা অসুস্থ এবং অস্ত্রোপচারের জন্য হাসপাতালে ভর্তি হতে চলেছেন। পাশাপাশি, প্রয়াত কাকার ‘চেহলুম’ অনুষ্ঠানেও উপস্থিত থাকতে চান। এই দুই ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণকে গুরুত্ব দিয়েই অন্তর্বর্তী জামিন মঞ্জুর করে আদালত।

অন্তর্বর্তী জামিন পেলেন উমর খলিদ (PTI)
অন্তর্বর্তী জামিন পেলেন উমর খলিদ (PTI)

গত ১৯ মে দিল্লির উমর খালিদের অন্তর্বর্তী জামিনের আবেদন খারিজ করেছিল দিল্লির একটি আদালত।নিম্ন আদালতের কাছে চাওয়া জামিন খারিজের পরে, সেই আদেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে উমর খলিদ দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। অসুস্থ মায়ের দেখাশোনা এবং কাকার শ্রাদ্ধের অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য জামিন চেয়েছিলেন তিনি। শুক্রবার বিচারপতি প্রতিভা এম সিং এবং বিচারপতি মধু জৈনের ডিভিশন বেঞ্চ মানবিক কারণে উমরকে ১ থেকে ৩ জুন পর্যন্ত শর্তসাপেক্ষে জামিন দিয়েছে। হাইকোর্ট জামিনের পাওয়ায় উমর খলিদ তাঁর প্রয়াত কাকার 'চেহলাম' (মৃত্যুর পর চল্লিশ দিনের অনুষ্ঠান) অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারবেন। পাশাপাশি, ২ জুন তাঁর ৬২ বছর বয়সি মায়ের পিঠের একটি টিউমার অস্ত্রোপচারের (ল্যাম্প এক্সিশন সার্জারি) সময়েও উপস্থিত থাকতে পারবেন তিনি।

২০২০ সালে রাজধানীতে যখন সিএএ ও এনআরসি বিরোধী আন্দোলন চলছিল, সেই সময়ে উত্তর-পূর্ব দিল্লিতে দাঙ্গা হয় এবং ৫৩ জনের মৃত্যু হয়। দিল্লি দাঙ্গার পরে বেআইনি কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) আইন বা ইউএপিএ মামলায় গ্রেফতার হন উমর খলিদ। ভিযোগ ছিল, এই দাঙ্গার সঙ্গে সিএএ বিরোধী আন্দোলনের যোগ ছিল এবং এটি বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অংশ। ওই মামলায় মূল ষড়যন্ত্রকারী হিসাবে উমর খলিদকে গ্রেফতার করা হয়। তারপর থেকে তিনি জেলেই রয়েছেন। কয়েকবার প্যারোলে জেলের বাইরে এলেও, বারংবার বিভিন্ন আদালতে তাঁর জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে গিয়েছে। দিল্লি হাইকোর্টে ২২ মে থেকে ৫ জুন পর্যন্ত জামিনের আর্জি জানিয়েছিলেন জেএনইউ-র ছাত্রনেতা। হাইকোর্ট জামিনের আবেদনে জানানো হয়, উমর খলিদের মা সাবিহা খানম গত দু'বছর ধরে পিঠে সিস্ট এবং টিউমারের সমস্যায় ভুগছেন। খালিদের ৭১ বছর বয়সি বাবার পক্ষে স্ত্রীর দেখাশোনা করা সমস্যাজনক। পরিবারের বড় সন্তান এবং একমাত্র ছেলে হিসেবে এই সময়ে মায়ের পাশে থেকে সাহায্য করতে চান তিনি। আদালতে খলিদ আরও দাবি করেন যে, এর আগে ২০২২, ২০২৪ এবং ২০২৫ সালেও পারিবারিক কারণে তিনি অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পেয়েছিলেন। সে বারও তিনি সমস্ত শর্ত কঠোরভাবে মেনে চলেছেন। যদিও সরকারি আইনজীবী এই জামিনের বিরোধিতা করেন। তাঁর দাবি, এই সাধারণ অস্ত্রোপচারের জন্য পরিবারের অন্য সদস্যরা সাহায্য করতে পারেন।

এর আগে, ট্রায়াল কোর্টে জামিনের আবেদন খারিজ হওয়ার ঠিক আগের দিনই সুপ্রিম কোর্টে উমর-শার্জিল ইমামের জামিন না পাওয়া নিয়ে সমালোচনা করা হয় নিজেদের রায়েরই। শীর্ষ আদালত জানায় যে জামিন পাওয়াই দস্তুর, দিনের পর দিন জেলে আটকে রাখা ব্যতিক্রম। ইউএপিএ আইনের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম হওয়া উচিত। চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্ট উমর খলিদ ও শার্জিল ইমামের জামিনের আবেদন খারিজ করার রায়ের বিপরীতে পর্যবেক্ষণ রাখা হয়।