Nirmala Sitharaman: 'এনডিএ সরকারের হাতে...,' IDBI ব্যাঙ্কের বিক্রি নিয়ে রাহুল গান্ধীকে পাল্টা তোপ অর্থমন্ত্রীর

Nirmala Sitharaman on IDBI Bank: নির্মলা সীতারমন বলেন, কংগ্রেসের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা থাকা বড় ব্যবসায়িক গোষ্ঠীগুলিকে ঋণ দিতে ব্যাঙ্কের উপর রাজনৈতিক চাপ তৈরি করা হয়েছিল।

Published on: Oct 30, 2026, 17:30:43 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
Copy link
  • copy link

Nirmala Sitharaman on IDBI Bank: আইডিবিআই ব্যাঙ্ক বিক্রি নিয়ে কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করায় লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকে পাল্টা আক্রমণ শানালেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। কংগ্রেসের বিরুদ্ধে একের পর এক সরকারের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ককে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বড় ব্যবসায়ীদের ঋণ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ তুললেন তিনি। অর্থমন্ত্রীর দাবি, নরেন্দ্র মোদী সরকারের আমলে পুনর্মূলধন জোগানো এবং পেশাদার পরিচালনার মাধ্যমে ঘুরে দাঁড়িয়েছে আইডিবিআই।

IDBI ব্যাঙ্কের বিক্রি নিয়ে রাহুল গান্ধীকে পাল্টা তোপ অর্থমন্ত্রীর
IDBI ব্যাঙ্কের বিক্রি নিয়ে রাহুল গান্ধীকে পাল্টা তোপ অর্থমন্ত্রীর

কানাডার সংস্থা ফেয়ারফ্যাক্সের কাছে আইডিবিআই ব্যাঙ্ক বিক্রির সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে বৃহস্পতিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হয়েছিলেন রাহুল গান্ধী। ব্যাঙ্কের কর্মীদের পাশে থাকার বার্তাও দেন তিনি। কংগ্রেস নেতার প্রশ্ন ছিল, যে ব্যাঙ্ক লাভের মুখ দেখেছে, সেটি বিক্রি করার প্রয়োজন কী? পাশাপাশি কর্মীদের চাকরির সুরক্ষা, সংরক্ষণ নীতি এবং বিক্রির পর ব্যাঙ্কে সরকারের অংশীদারিত্ব কমে যাওয়া নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। এরপরেই শুক্রবার কংগ্রেস নেতাকে পাল্টা জবাবে এক্স হ্যান্ডেলে নির্মলা সীতারমন বলেন, কংগ্রেসের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা থাকা বড় ব্যবসায়িক গোষ্ঠীগুলিকে ঋণ দিতে ব্যাঙ্কের উপর রাজনৈতিক চাপ তৈরি করা হয়েছিল। অর্থমন্ত্রী লেখেন, 'এনডিএ সরকারের হাতে আইডিবিআই ব্যাঙ্কের দায়িত্ব এসেছিল অত্যন্ত খারাপ অবস্থায়।'

এরপরেই ভিডিওকন, উইনসম, এবিজি শিপইয়ার্ড এবং কিংফিশারের নাম উল্লেখ করেন অর্থমন্ত্রী। তাঁর দাবি, এই সংস্থাগুলিকে দেওয়া ঋণ পরবর্তী সময়ে অনাদায়ী হয়ে পড়ে। তার জেরে ব্যাঙ্কের বিপুল ক্ষতি হয়। নির্মলা সীতারমনের বক্তব্য, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার পেশাদারিত্ব, বিচক্ষণতা এবং ২৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি মূলধন জোগানের মাধ্যমে আইডিবিআই ব্যাঙ্ককে পুনরুজ্জীবিত করেছে। বর্তমানে ব্যাঙ্কটি উন্নয়নের পরবর্তী পর্যায়ে প্রবেশের জন্য প্রস্তুত বলেও মন্তব্য করেন তিনি। অংশীদারিত্ব বিক্রির প্রক্রিয়া নিয়ে নির্মলা সীতারমন বলেন, আইডিবিআই ব্যাঙ্কের কৌশলগত পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে সমস্ত নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে। এই বিষয়ে আগের দিনই সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। কংগ্রেস আমলের ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থার সমালোচনা করে অর্থমন্ত্রী বলেন, তখন প্রভাবশালীদের জন্য ছিল আলাদা নিয়ম, আর সাধারণ নাগরিকদের জন্য ছিল অন্য নিয়ম। তাঁর দাবি, বর্তমানে সাধারণ মানুষ সহজে ঋণ পাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন এবং ফোন করে রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করে ঋণ দেওয়ার প্রবণতা বন্ধ হয়েছে। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত ভারতীয় অর্থনীতি সংক্রান্ত শ্বেতপত্রেও কংগ্রেস আমলের একাধিক আর্থিক অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার বিষয় তুলে ধরা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বৃহস্পতিবার এক্স-এ রাহুল গান্ধী লিখেছিলেন, দেশে শিল্পের বিকাশে সহায়তা করার লক্ষ্যেই কংগ্রেস আইডিবিআই ব্যাঙ্ক তৈরি করেছিল। নরেন্দ্র মোদী সরকার ক্ষমতায় এসে একের পর এক ব্যাঙ্ক বিক্রির পথ বেছে নিয়েছে। কর্মীদের উদ্দেশে লেখা একটি চিঠিও ভাগ করে নেন তিনি। সেখানে ব্যাঙ্কের ঘুরে দাঁড়ানোর পিছনে কর্মীদের অবদানের কথা উল্লেখ করেন। তাঁর সেই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতেই নির্মলা সীতারমন কংগ্রেসের পূর্ববর্তী শাসনকালের ব্যাঙ্কিং নীতি ও ঋণ ব্যবস্থাপনা নিয়ে পাল্টা আক্রমণ শানালেন।