US new visa rules: ১ অক্টোবর থেকেই US-র আরও ৩ ভিসায় বাধ্যতামূলক সোশ্যাল মিডিয়া যাচাই, কারা প্রভাবিত হবেন?

US new visa rules: স্টেট ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, প্রতিটি ভিসা আবেদন যাচাইয়ের ক্ষেত্রে জাতীয় নিরাপত্তাকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

Published on: Oct 1, 2026, 16:41:14 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
Copy link
  • copy link

US new visa rules: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা যাচাই প্রক্রিয়ায় আরও তিনটি ভিসা শ্রেণি যুক্ত হচ্ছে। আজ, ১ অক্টোবর থেকেই আই, টিএন ও টিডি ভিসার আবেদনকারীদের সোশ্যাল মিডিয়ায় অনলাইন উপস্থিতি পর্যালোচনা করা হবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, ভিসা যাচাই আরও বিস্তৃত করার অংশ হিসেবে এই পরিবর্তন আনা হয়েছে। আবেদনকারীদের নিজেদের সমস্ত সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টের গোপনীয়তা সেটিংস ‘পাবলিক’ বা ‘ওপেন’ করে রাখতে বলা হয়েছে।

১ অক্টোবর থেকেই US-র আরও ৩ ভিসায় বাধ্যতামূলক সোশ্যাল মিডিয়া যাচাই (AFP)
১ অক্টোবর থেকেই US-র আরও ৩ ভিসায় বাধ্যতামূলক সোশ্যাল মিডিয়া যাচাই (AFP)

এর আগে থেকেই বেশ কয়েকটি ভিসা শ্রেণির আবেদনকারীদের জন্য অনলাইন উপস্থিতি যাচাই চালু রয়েছে। স্টেট ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, এর মাধ্যমে ভিসা কর্মকর্তারা আবেদনকারীর অনলাইন উপস্থিতি পর্যালোচনা করতে পারবেন।

১ অক্টোবর থেকে ভিসা যাচাই প্রক্রিয়ায় কী কী পরিবর্তন হচ্ছে?

নতুন নিয়মের আওতায় আই ভিসা হলো বিদেশি সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের জন্য।

টিএন ভিসা হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো-কানাডা চুক্তির আওতায় নির্দিষ্ট পেশাজীবীদের জন্য।

টিডি ভিসা মূলত টিএন ভিসাধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও সন্তানদের মতো নির্ভরশীল পরিবারের সদস্যদের জন্য ব্যবহৃত হয়।

যাচাই প্রক্রিয়াটি সহজতর করতে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট এই তিনটি ক্যাটাগরির আবেদনকারীদের তাদের সমস্ত সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইল ‘পাবলিক’ (public) বা 'ওপেন' (open) রাখার নির্দেশ দিয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়া স্ক্রিনিং কী আগেই চালু ছিল?

হ্যাঁ। মার্কিন ভিসার আবেদনে সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য নেওয়া শুরু হয়েছিল আরও আগে। এর মধ্যে ২০২৫ সালের জুনে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে কূটনৈতিক ও সরকারি ভিসার কিছু শ্রেণি, এফ ও এম স্টুডেন্ট ভিসা, এইচ-১বি ও সংশ্লিষ্ট কিছু ভিসা, জে-১ ও জে-২ এক্সচেঞ্জ ভিজিটর ভিসা, কে-১, কে-২ ও কে-৩ ভিসা, কিউ, আর-১ ও আর-২ এবং এস, টি ও ইউ শ্রেণির ভিসা। ২০১৯ সালের ৩১ মে থেকে অধিকাংশ ইমিগ্র্যান্ট ও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা আবেদনকারীর কাছে আগের পাঁচ বছরে ব্যবহার করা সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট-এর নাম বা হ্যান্ডেল চাওয়া শুরু করে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট। অর্থাৎ ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, এক্স বা তালিকাভুক্ত অন্য কোনও প্ল্যাটফর্মে আবেদনকারী কোন নামে সক্রিয় ছিলেন, সেই তথ্যও আবেদনপত্রের অংশ হয়ে যায়। স্টেট ডিপার্টমেন্ট বলেছিল, পরিচয় নিশ্চিত করা এবং নিরাপত্তা যাচাই আরও জোরদার করাই এর উদ্দেশ্য। তবে অ্যাকাউন্ট-এর নাম বা হ্যান্ডেল জানানো আর পুরো অ্যাকাউন্ট সবার জন্য উন্মুক্ত রাখা এক বিষয় নয়। সাম্প্রতিক পরিবর্তনের বড় দিকটি এখানেই।

স্টেট ডিপার্টমেন্টের ভাষ্য অনুযায়ী, ভিসা যাচাইয়ের সময় আবেদনকারীর বিষয়ে যত ধরনের তথ্য পাওয়া যায়, তা বিবেচনায় নেওয়া হয়। এর লক্ষ্য হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে অযোগ্য হতে পারেন বা জাতীয় নিরাপত্তা ও জননিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারেন—এমন আবেদনকারীদের শনাক্ত করা। স্টেট ডিপার্টমেন্ট আরও জানিয়েছে, প্রতিটি ভিসা আবেদন যাচাইয়ের ক্ষেত্রে জাতীয় নিরাপত্তাকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আবেদনকারী যে ভিসার জন্য আবেদন করেছেন, তার শর্ত মেনে চলার প্রকৃত ইচ্ছা রয়েছে কিনা এবং তিনি ওই ভিসার যোগ্যতা যথাযথভাবে প্রমাণ করতে পারছেন কিনা, সেটিও যাচাই করা হবে।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৃহত্তর অভিবাসন নীতির সঙ্গে কীভাবে সম্পর্কিত?

ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে বিদেশি নাগরিকদের কড়া যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ার যে সামগ্রিক বিস্তার ঘটেছে, সোশ্যাল মিডিয়ায় অনলাইন উপস্থিতি যাচাই তারই একটি অংশ। এর আগে এই প্রশাসন পড়ুয়া এবং অন্যান্য ভিসা আবেদনকারীদের জন্য অনলাইন উপস্থিতি পর্যালোচনার পরিধি বাড়িয়েছিল। সেখানে স্টেট ডিপার্টমেন্ট নির্দিষ্ট কিছু আবেদনকারীকে তাঁদের সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইল 'ওপেন' করে রাখার নির্দেশ দেয় এবং কনস্যুলার আধিকারিকদের ব্যাকগ্রাউন্ড যাচাইয়ের অংশ হিসেবে আবেদনকারীদের অনলাইন কার্যকলাপ খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়। ২০২৬ সালের মার্চেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট বেশ কয়েকটি নতুন ভিসা শ্রেণিতে অনলাইন উপস্থিতি যাচাই সম্প্রসারণের ঘোষণা করেছিল। তখন সংশ্লিষ্ট আবেদনকারীদের সোশ্যাল মিডিয়ায় গোপনীয়তা সেটিংস ‘ পাবলিক ’ বা ‘ ওপেন ’ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।