US military: সমুদ্রের পর এবার স্থলপথেও ইরানকে ঘিরে ধরছে US, গঠন নয়া টাস্ক ফোর্স

US military: ওয়াশিংটন ইতিমধ্যে ইরানের নৌ বন্দরগুলিতে অবরোধ আরোপ করে রেখেছে। স্থলপথে একই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করলে পরিধি আরও বাড়াবে।

Published on: Nov 8, 2026, 17:01:03 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
Copy link
  • copy link

US military: ইরানের ওপর চাপ বাড়াতে এবার নতুন কৌশলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের। মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ইরানে প্রবেশের স্থলপথগুলিতে কীভাবে বাধা সৃষ্টি করা যায়, তা খোঁজা হচ্ছে। এ জন্য ২০ সদস্যের একটি টাস্ক ফোর্স গঠন করা হবে। সেনাবাহিনীর দাবি, এসব পথ দিয়ে অস্ত্র ও অবৈধ সামগ্রী পরিবহণ করা হয়।

সমুদ্রের পর এবার স্থলপথেও ইরানকে ঘিরে ধরছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (সৌজন্যে এক্স )
সমুদ্রের পর এবার স্থলপথেও ইরানকে ঘিরে ধরছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (সৌজন্যে এক্স )

ওয়াশিংটন ইতিমধ্যে ইরানের নৌ বন্দরগুলিতে অবরোধ আরোপ করে রেখেছে। স্থলপথে একই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করলে পরিধি আরও বাড়াবে। স্থানীয় সময় শনিবার এক্স পোস্টে সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) প্রধান ব্র্যাড কুপার বলেন, সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন, অস্ত্র কারখানা পুনর্নির্মাণ ও পুনরায় সামরিক সরঞ্জামের মজুতের ক্ষেত্রে ইরানের সক্ষমতা সীমিত করবে টাস্ক ফোর্স। ফ্লোরিডায় বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তাদের নিয়ে টাস্ক ফোর্স গঠন করা হবে। দলটি মার্কিন সরকারি সংস্থাগুলির সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করবে। সেন্টকমের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তাদের লক্ষ্য হবে- ইরানের স্থলসীমান্ত ও কাস্পিয়ান সাগর দিয়ে উন্নত অস্ত্রব্যবস্থা, দ্বৈত ব্যবহারের প্রযুক্তি, নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত সামগ্রী ও অবৈধ অর্থের প্রবাহ বন্ধ করা।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের শুরুতে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল সীমিত করার উদ্যোগ নেয় তেহরান। এর জবাবে তাদের বন্দরগুলিতে অবরোধ আরোপ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। বিশ্বে মোট তেল বাণিজ্যের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালী দিয়ে পরিবাহিত হয়। সেন্টকমের তথ্য অনুযায়ী, এই অবরোধের কারণে ইরানের প্রায় ২ হাজার ৫০০ কোটি ডলারের অপরিশোধিত তেল রপ্তানি বন্ধ হয়ে গেছে।

এদিকে, শনিবার ওমান উপসাগরে ইরানের বন্দর অবরোধের অংশ হিসেবে সেন্টকম একটি বাণিজ্যিক জাহাজ অচল করে দেওয়ার কথা জানিয়েছে। সেন্টকমের দাবি, সেন্ট কিটসের পতাকাবাহী ‘এমভি হুদা’ নামের জাহাজটির নাবিকদের সতর্ক করার পর মার্কিন সামরিক বিমান থেকে নির্ভুল নিশানায় গোলাবর্ষণ করা হয়। এতে জাহাজটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। জুলাই থেকে অবরোধ কার্যকরের অংশ হিসেবে ১৪৭টি বাণিজ্যিক জাহাজের গতিপথ পরিবর্তন করা হয়েছে এবং নির্দেশ অমান্য করায় পাঁচটি জাহাজ অচল করে দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। অন্যদিকে, শনিবার হরমুজ প্রণালীর কেশম দ্বীপে দুটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাওয়ার খবর দিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা। জাস্ক, সিরিক ও বন্দর আব্বাস শহরেও কয়েকটি বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে বলে সূত্রের খবর। এছাড়া ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) নৌবাহিনীর দাবি, শনিবার হরমুজ প্রণালীর কাছে সমুদ্র মাইনে আঘাত লেগে দুটি তেলবাহী ট্যাংকার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনিরাপদ এলাকায় নেভিগেশন ব্যবস্থা বন্ধ রেখে চলাচলের সময় জাহাজ দুটি মাইনে আঘাত পায় বলে জানানো হয়েছে।