UP Pak Linked Module: উত্তরপ্রদেশে বসে গজওয়া-ই-হিন্দের ছক, দুবাই হয়ে নির্দেশ আসছিল পাক হ্যান্ডলারদের থেকে
তদন্তকারীরা জানিয়েছে, এই মডিউলটি ভারতবিরোধী কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত ছিল। হিন্দু যুবকদেরও এই নেটওয়ার্কে যুক্ত করা হয়েছিল এবং তাদের মুসলিম কোড নাম দেওয়া হয়েছিল। তদন্তে জানা গেছে যে পাকিস্তানি হ্যান্ডলাররা এই নেটওয়ার্ককে সরাসরি নানা নির্দেশ দিচ্ছিল।
মিরাট এবং আশপাশের এলাকায় সক্রিয় একটি সন্ত্রাসবাদী নেটওয়ার্কের সন্ধান পেল উত্তরপ্রদেশ অ্যান্টি-টেররিজম স্কোয়াড। এই নেটওয়ার্কের সঙ্গে পাকিস্তানের সরাসরি যোগসূত্র রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তদন্তকারীরা জানিয়েছে, এই মডিউলটি ভারতবিরোধী কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত ছিল। হিন্দু যুবকদেরও এই নেটওয়ার্কে যুক্ত করা হয়েছিল এবং তাদের মুসলিম কোড নাম দেওয়া হয়েছিল। তদন্তে জানা গেছে যে পাকিস্তানি হ্যান্ডলাররা এই নেটওয়ার্ককে সরাসরি নানা নির্দেশ দিচ্ছিল।

ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই মামলায় মূল অভিযুক্ত সাকিবকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গেছে, পাকিস্তানে বসে থাকা হ্যান্ডলারদের সঙ্গে তার সরাসরি যোগাযোগ ছিল। সাকিবকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, কোনও অবস্থাতেই মিশন যেন অসম্পূর্ণ না থাকে। হ্যান্ডলাররা তাঁকে গজওয়া-ই-হিন্দের এজেন্ডা নিয়ে কাজ করতে বলেছিল। হ্যান্ডলাররা সাকিবকে হুঁশিয়ারি দিয়েছিল যে ভারত যদি পাকিস্তানে অপারেশন করার চেষ্টা করে তবে তাদের 'প্রস্তুত' থাকতে হবে। এই ষড়যন্ত্রে বিকাশ ও লোকেশ নামের দুই হিন্দু যুবককেও প্রলুব্ধ করেছিল সাকিব। তাদের পরিচয় গোপন করার জন্য তাদের কোড নাম দেওয়া হয়েছিল। লোকেশকে সেলিম এবং বিকাশকে জাহিদ বলে ডাকা হত।
তদন্তকারীরা বলছেন, সাকিব লোকেশকে (সেলিম) ব্যবহার করে স্পর্শকাতর ও ধর্মীয় স্থানগুলোতে রেকি করেছিল। এই মডিউলের মূল উদ্দেশ্য ছিল সামরিক ঘাঁটি এবং ভারতের কিছু ধর্মীয় স্থান সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা। এটিএস তদন্তে জানতে পেরেছে, পাকিস্তানে বসে থাকা হ্যান্ডলাররা গুগল লোকেশন শেয়ার করত, এরপর সাকিব ও তার সহযোগীরা ওই জায়গায় গিয়ে ভিডিয়ো রেকর্ড করে তা পাকিস্তানে পাঠাত। এই কাজের বিনিময়ে তাদের টাকা দেওয়া হত। এই নেটওয়ার্কের বড় একটা অংশ দুবাইয়ের সাথেও যুক্ত।
তদন্তে আকিব নামের এক ব্যক্তির নাম উঠে এসেছে যে দুবাইয়ে বসে সাকিব ও পাকিস্তানি হ্যান্ডলারদের মধ্যে সেতুবন্ধনের কাজ করছিল। আকিব তরুণদের মৌলবাদী করার জন্য ইনস্টাগ্রাম এবং টেলিগ্রামের মতো প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে। এডিজি (আইনশৃঙ্খলা) অমিতাভ যশ বলেন, দুবাইয়ে আকিবের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ ছিল সাকিব। আকিবের বিরুদ্ধে একটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে এবং আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, গত কয়েক মাসে উত্তরপ্রদেশে এমন বেশ কয়েকটি মডিউল প্রকাশ্যে এসেছে। সম্প্রতি টেলিগ্রাম, ডিসকর্ডের মতো এনক্রিপ্টেড অ্যাপের মাধ্যমে পাকিস্তান থেকে মৌলবাদী মতবাদ ছড়ানো হচ্ছে ভারতে।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


