UP SIR Latest Update: উত্তরপ্রদেশে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ জেলাগুলিতে কত শতাংশ ভোটের নাম কেটেছে এসআইআরে?

রিপোর্টে দাবি করা হচ্ছে, বিজেপি যে সব বড় শহরে ২০২২ সালের বিধানসভা ভোটে ভালো ফল করেছিল, সেখানে ২০ থেকে ২৩ শতাংশ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ জেলাগুলিতে, আবার ভোট কাটার হার ৯ থেকে ১১ শতাংশ।

Published on: Apr 11, 2026 12:30 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি এসআইআর-এর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে উত্তরপ্রদেশেও। সেই রাজ্যে ভোটার তালিকা থেকে দুই কোটি নাম বাদ পড়েছে। আর তাতে দেখা যাচ্ছে, বিজেপি যে সকল বড় শহরগুলিতে আধিপত্য বিস্তার করে আছে, সেখান থেকেই বিপুল সংখ্যক ভোটারের নাম কাটা গিয়েছে। অন্যদিকে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ জেলাগুলোতেও কমবেশি ভোটার নাম কেটেছে। তবে সেই হার তুলনামূলক ভাবে কম। এই আবহে উত্তরপ্রদেশে 'কোন দলের ভোট' কাটা হয়েছে কোথায়? এই ছবিটি পরিষ্কার নয়। তবে দাবি করা হচ্ছে, বিজেপি যে সব বড় শহরে ২০২২ সালের বিধানসভা ভোটে ভালো ফল করেছিল, সেখানে ২০ থেকে ২৩ শতাংশ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ জেলাগুলিতে ভোটারের নাম কাটার হার ৯ থেকে ১১ শতাংশ।

উত্তরপ্রদেশে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ জেলাগুলিতে ভোটারের নাম কাটার হার ৯ থেকে ১১ শতাংশ। (PTI)
উত্তরপ্রদেশে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ জেলাগুলিতে ভোটারের নাম কাটার হার ৯ থেকে ১১ শতাংশ। (PTI)

যদি উত্তরপ্রদেশের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনগুলির ওপর নজর দেওয়া যায়, তাহলে দেখা যায় মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ জেলাগুলোতে তুলনামূলকভাবে কম ভোট কাটছাঁট হয়। উদাহরণস্বরূপ, সাহারানপুরে ১০.৪৮ শতাংশ ভোটারের নাম কাটা পড়েছে। মুজাফফরনগরে ১০.৩৮ শতাংশ, শামলিতে ১০.৯৩ শতাংশ, মোরাদাবাদে ১০ শতাংশ, আমরোহায় ৮.৯২ শতাংশ, আজমগড়ে ৯.৪৬ শতাংশ, মাউতে ১১.৫৩ শতাংশ এবং গাজিপুরে ১০.৮৯ শতাংশ ভোটারের নাম বাদ পেয়েছে।

এই জেলাগুলি ২০২২ সালের বিধানসভা নির্বাচনে মেরুকরণের প্রভাব দেখা গিয়েছিল। অন্যদিকে যেসব শহরে বিজেপির আধিপত্য দেখা গিয়েছিল, সেখানে ভোটারের নাম বাদ পড়ার হার অনেকটা বেশি। যেমন, লখনউতে নাম বাদ পড়েছে প্রায় ২২.৮৯ শতাংশ ভোটারের। গৌতম বুদ্ধ নগরে (নয়ডা) ১৯.৩৩ শতাংশ, কানপুর নগরে ১৯.৪২ শতাংশ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। মিরাটে আবার ২০২২ সালে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই ছিল এসপি-বিজেপির। সেখানে ১৮.৭৫ শতাংশ ভোটারের নাম কেটে ফেলা হয়। এদিকে আগরায় ১৭.৭১ শতাংশ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে এসআইআরে। অন্যদিকে শাহজাহানপুরে ১৭.৯০ শতাংশ ভোট বাদ পড়েছে। এদিকে প্রয়াগরাজে বাদ পড়েছে ৮.২৬ লাখ ভোটারের নাম।

  • Abhijit Chowdhury
    ABOUT THE AUTHOR
    Abhijit Chowdhury

    ২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More