UPI ₹2000 Plus Payment Explained: UPI-তে ২ হাজারের বেশি টাকা পাঠালেই কি কাটবে চার্জ? কী জানাল কেন্দ্র

এই প্রশ্নে সোমবার গুরুত্বপূর্ণ বিষয় স্পষ্ট করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। ১৪ সেপ্টেম্বরের অর্থ মন্ত্রকের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২ হাজার টাকা পর্যন্ত UPI লেনদেন এবং RuPay ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে পেমেন্টে ব্যাঙ্ক বা পেমেন্ট সিস্টেম প্রদানকারী কোনও সরাসরি বা পরোক্ষ চার্জ নিতে পারবে না।

Published on: Sep 15, 2026, 09:28:11 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

ভারতে UPI দিয়ে টাকা লেনদেন এখন নিত্যদিনের বিষয়। দোকানে কেনাকাটা হোক বা কাউকে টাকা পাঠানো—মোবাইলে QR কোড স্ক্যান করে কয়েক সেকেন্ডেই পেমেন্ট হয়ে যায়। কিন্তু সম্প্রতি UPI লেনদেনে চার্জ নিয়ে আলোচনা শুরু হওয়ায় অনেকের মনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে—২ হাজার টাকার বেশি UPI পেমেন্ট করলেই কি এবার টাকা কাটবে?

১৪ সেপ্টেম্বরের অর্থ মন্ত্রকের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২ হাজার টাকা পর্যন্ত UPI লেনদেন এবং RuPay ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে পেমেন্টে ব্যাঙ্ক বা পেমেন্ট সিস্টেম প্রদানকারী কোনও সরাসরি বা পরোক্ষ চার্জ নিতে পারবে না।
১৪ সেপ্টেম্বরের অর্থ মন্ত্রকের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২ হাজার টাকা পর্যন্ত UPI লেনদেন এবং RuPay ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে পেমেন্টে ব্যাঙ্ক বা পেমেন্ট সিস্টেম প্রদানকারী কোনও সরাসরি বা পরোক্ষ চার্জ নিতে পারবে না।

এই প্রশ্নে সোমবার গুরুত্বপূর্ণ বিষয় স্পষ্ট করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। ১৪ সেপ্টেম্বরের অর্থ মন্ত্রকের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২ হাজার টাকা পর্যন্ত UPI লেনদেন এবং RuPay ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে পেমেন্টে ব্যাঙ্ক বা পেমেন্ট সিস্টেম প্রদানকারী কোনও সরাসরি বা পরোক্ষ চার্জ নিতে পারবে না।

অর্থাৎ কেউ ৫০০ টাকা, ১,৫০০ টাকা বা ২ হাজার টাকা UPI-তে পাঠালে সেই লেনদেনের জন্য ব্যাঙ্ক বা পেমেন্ট সংস্থা আলাদা কোনও ফি নিতে পারবে না। একই নিয়ম RuPay ডেবিট কার্ডের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।

তবে এখানেই তৈরি হয়েছে বিভ্রান্তি। ২ হাজার টাকার বেশি, যেমন ২,৫০০ টাকা, ৫ হাজার টাকা বা ২০ হাজার টাকা UPI-তে পাঠালেই যে গ্রাহকের কাছ থেকে চার্জ কাটা শুরু হবে, এমন কোনও ঘোষণা সরকার করেনি।

বরং সাম্প্রতিক আইনি পরিবর্তনের মাধ্যমে ভবিষ্যতে নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে ডিজিটাল পেমেন্টের উপর চার্জ চালুর একটি কাঠামো তৈরি করা হয়েছে। সরকারের আগের বক্তব্য অনুযায়ী, ভবিষ্যতে Merchant Discount Rate বা MDR চালু হলে তা নির্দিষ্ট কিছু বড় ব্যবসায়িক লেনদেনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। সাধারণ গ্রাহকের কাছ থেকে UPI পেমেন্টের জন্য সরাসরি লেনদেন ফি নেওয়া হবে না বলেই সরকার জানিয়েছে।

MDR আসলে কী? কোনও ডিজিটাল পেমেন্ট প্রক্রিয়া করার জন্য ব্যবসায়ী বা পেমেন্ট ব্যবস্থার উপর যে প্রসেসিং ফি নেওয়া হয়, সেটিই MDR। UPI নিয়ে আলোচনার মূল বিষয় হল, বড় অঙ্কের পেমেন্ট গ্রহণকারী কিছু ব্যবসায়ীর ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে এমন কোনও সামান্য চার্জ চালু করা যায় কি না।

কিছু প্রতিবেদনে সম্ভাব্য MDR-এর হার ০.২৫ থেকে ০.৪ শতাংশের মধ্যে হতে পারে বলে আলোচনা হয়েছে। তবে এই হার এখনও সরকারের সর্বশেষ বিজ্ঞপ্তিতে নির্ধারণ করা হয়নি। তাই ৫ হাজার টাকার UPI পেমেন্ট করলেই গ্রাহকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে অতিরিক্ত টাকা কেটে নেওয়া হবে—এমন ধারণা এখনই ঠিক নয়।

তাহলে ২ হাজার টাকার সীমা এত গুরুত্বপূর্ণ কেন? কারণ কেন্দ্রের নতুন বিজ্ঞপ্তিতে এই অঙ্ক পর্যন্ত UPI লেনদেনকে নির্দিষ্টভাবে সুরক্ষিত বা চার্জমুক্ত লেনদেন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থাৎ এটি কোনও নতুন UPI খরচের সর্বোচ্চ সীমা নয়। বরং কোথায় চার্জ বসানো যাবে আর কোথায় যাবে না, সেই বৃহত্তর নীতির অংশ।

এদিকে UPI ব্যবহারের পরিমাণ দ্রুত বাড়ছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬-১৭ অর্থবর্ষে UPI-র সঙ্গে যুক্ত ব্যাঙ্কের সংখ্যা ছিল ৪৪। ২০২৬ সালের জুলাইয়ে সেই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৭৪১। একই মাসে UPI লেনদেনের পরিমাণ রেকর্ড ২,৩৬৬ কোটি ছুঁয়েছে।

এত বিপুল লেনদেনের সঙ্গে বাড়ছে পরিকাঠামো, সাইবার নিরাপত্তা এবং জালিয়াতি ঠেকানোর খরচ। তাই UPI ব্যবস্থার জন্য দীর্ঘমেয়াদে একটি টেকসই আয় মডেল কীভাবে তৈরি হবে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।

এর পাশাপাশি অফলাইন UPI নিয়েও কাজ চলছে। ইন্টারনেট দুর্বল থাকলেও ‘ট্যাপ অ্যান্ড পে’-এর মতো প্রযুক্তির মাধ্যমে সহজে পেমেন্ট করার ব্যবস্থা ভবিষ্যতে বাড়তে পারে। বিশেষ করে গ্রাম ও ছোট শহরে এমন ব্যবস্থা ডিজিটাল পেমেন্টকে আরও সহজ করতে পারে।

সব মিলিয়ে এখনই UPI-তে ২ হাজার টাকার বেশি লেনদেন করলেই গ্রাহকের কাছ থেকে চার্জ নেওয়া শুরু হয়নি। আপাতত ২ হাজার টাকা পর্যন্ত UPI পেমেন্টে চার্জ না নেওয়ার বিষয়টি স্পষ্ট। ভবিষ্যতে বড় ব্যবসায়িক লেনদেনে MDR-এর নিয়ম কী হবে, সেটাই নজরে রাখার বিষয়।

  • Abhijit Chowdhury
    ABOUT THE AUTHOR
    Abhijit Chowdhury

    ২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More