Pakistan Noor Khan Base: অপারেশন সিঁদুরে ক্ষতিগ্রস্ত নূর খানে মার্কিন-ইরানি বিমান, ঘাঁটির মালিক কি আমেরিকা? রয়েছে জল্পনা
অপারেশন সিঁদুরের পরে দীর্ঘদিন এই বিমানঘাঁটির ওপর নোটাম জারি ছিল। অর্থাৎ, এই বিমানঘাঁটিটি অব্যবহারযোগ্য অবস্থায় পড়েছিল। কয়েক মাসের প্রয়াসে অবশ্য নূর খান বিমানঘাঁটির মেরামত সম্পন্ন করেছে পাকিস্তান। সেখানেই মার্কিন বিমান 'চার্লসটন' অবতরণ করে। পরে ইরানের প্রতিনিধি দলের বিমানও অবতরণ করে সেখানে।
পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে পাকিস্তান। ইসলামাবাদ দাবি করেছে, মার্কিন ও ইরানি প্রতিনিধি দল পাকিস্তানে পৌঁছছে। এজন্য ইসলামাবাদকে সম্পূর্ণরূপে ক্যান্টনমেন্টে পরিণত করা হয়েছে। এই প্রতিনিধি দলগুলি নূর খান বিমান ঘাঁটিতে অবতরণ করে। উল্লেখ্য, অপারেশন সিঁদুরের সময় এই বিমানঘাঁটিতে ভারত হামলা চালিয়েছিল। এই আক্রমণে এয়ারস্ট্রিপে একটি বড় গর্ত তৈরি হয়েছিল। তারপর দীর্ঘদিন এই বিমানঘাঁটির ওপর নোটাম জারি ছিল। অর্থাৎ, এই বিমানঘাঁটিটি অব্যবহারযোগ্য অবস্থায় পড়েছিল। কয়েক মাসের প্রয়াসে অবশ্য নূর খান বিমানঘাঁটির মেরামত সম্পন্ন করেছে পাকিস্তান। সেখানেই মার্কিন বিমান 'চার্লসটন' অবতরণ করে। পরে ইরানের প্রতিনিধি দলের বিমানও অবতরণ করে সেখানে।
এদিকে গত ১ মার্চ পাকিস্তানের এই নূর খান ঘাঁটিতেই হামলা চালিয়েছিল আফগানিস্তান। ড্রোন দিয়ে পাক বায়ুসেনা ঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়েছিল সেদিন। তবে সেই হামলায় বিমানঘাঁটির কোনও বড় ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলে জানা যায়। তবে এর আগে যখন ২০২৫ সালের ১০ মে এই নূর খান ঘাঁটিতে ভারত হামলা চালিয়েছিল, তারপর বিগত বহু মাস ধরে অকেজো হয়ে পড়েছিল এই ঘাঁটি।
১০ মে নূর খান ঘাঁটিতে নির্দিষ্ট অংশে রাখা দু’টি ট্রাক লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হানা চালানো হয়। দু’টি ট্রাক এবং ওই অংশটি ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে জানা যায়। ১৭ মে একটি উপগ্রহচিত্রে দেখা যায়, নূর খান বেসের সেই ক্ষতিগ্রস্ত অংশটি ফাঁকা হয়ে গিয়েছে। পরে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে প্রকাশিত বেশ কয়েকটি উপগ্রহচিত্র বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ভারতীয় হানায় ক্ষতিগ্রস্ত বায়ুসেনার ঘাঁটিটি পুনর্নির্মাণ করছে পাকিস্তান। পরে ডিসেম্বরে নূর খান ঘাঁটিতে অবতরণ করেছিল সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ নাহিয়ান। আর সেই ঘাঁটতে এবার অবতরণ করল আমেরিকা এবং ইরানের প্রতিনিধিরা।
এদিকে ইসালামাবাদে মার্কিন-ইরান আলোচনার মধ্যেও রয়েছে অনিশ্চয়তা। দীর্ঘ টালবাহানার পরে পাকিস্তানে গিয়ে পৌঁছেছেন ইরানের প্রতিনিধি দল। তবে আমেরিকার সঙ্গে আলোচনায় বসার আগে তারা শর্ত চাপিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে শেষ পর্যন্ত দুই পক্ষ আলোচনার টেবিলে বসলেও তা কতটা ফলপ্রসূ হবে, তা নিয়ে অনেকের মনেই সংশয় রয়েছে। এদিকে আলোচনা 'সফল' না হলে আবার ইরানের ওপর হামলার হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সব মিলিয়ে এখন গোটা বিশ্বের নজর যেন পাকিস্তানের দিকে।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


