US Congressman on Trump Tariff on India: ভারতের ওপর শুল্ক বৃদ্ধির অজুহাত খুঁজছেন ট্রাম্প, বিস্ফোরক মার্কিন কংগ্রেস সদস্য
মার্কিন কংগ্রেস সদস্য শেরম্যান বলেন, 'প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ভারতের ওপর আরও শুল্ক আরোপের অজুহাত খুঁজছেন।' এই নিয়ে মার্কিন কংগ্রেসম্যান বলেন, 'ভারত রাশিয়ার কাছ থেকে তার অপরিশোধিত তেলের মাত্র ২১ শতাংশ গ্রহণ করে, তবে আমাদের অংশীদারকে টার্গেট করা হচ্ছে। প্রেসিডেন্টের উচিত অবিলম্বে এই নীতি পরিবর্তন করা।'
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনও ভারতের বিরুদ্ধে উচ্চ হারে শুল্ক আরোপের অজুহাত খুঁজছেন। এমনটাই দাবি করেছেন মার্কিন কংগ্রেসম্যান ব্র্যাড শেরম্যান। তিনি বলেছেন, ভারতকে আলাদাভাবে টার্গেট করা হচ্ছে। তিনি ট্রাম্প প্রশাসনকে তাদের এই নীতি পরিবর্তন করার দাবি জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, সম্প্রতি ট্রাম্প ভারতের উপর আরোপিত শুল্ক কমিয়ে ১৮ শতাংশে নামিয়ে আনার ঘোষণা দিয়েছিলেন। এই আবহে শেরম্যান বলেন, 'প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ভারতের ওপর আরও শুল্ক আরোপের অজুহাত খুঁজছেন।' তিনি দাবি করছেন, এর কারণ রাশিয়ার তেল। এদিকে হাঙ্গেরি তার ৯০ শতাংশ তেল রাশিয়া থেকে কেনে। তবে আমেরিকা তাদের ওপর কোনও শুল্ক চাপায়নি। রাশিয়ার তেলের অন্যতম বড় ক্রেতা চিন। তবে তাদের ওপরেও এর জন্য কোনও শুল্ক চাপানো হয়নি।

এই নিয়ে মার্কিন কংগ্রেসম্যান বলেন, 'ভারত রাশিয়ার কাছ থেকে তার অপরিশোধিত তেলের মাত্র ২১ শতাংশ গ্রহণ করে, তবে আমাদের অংশীদারকে টার্গেট করা হচ্ছে। প্রেসিডেন্টের উচিত অবিলম্বে এই নীতি পরিবর্তন করা।' উল্লেখ্য, উচ্চ হারে শুল্কের আবহে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ভারতের পণ্যদ্রব্য রফতানি জানুয়ারিতে ২১.৭৭ শতাংশ কমে ৬.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যে এ তথ্য জানানো হয়েছে। গত বছরের সেপ্টেম্বর, অক্টোবর এবং ডিসেম্বরে আমেরিকায় ভারতের রফতানি হ্রাস পেয়েছিল।
এর আগে ট্রাম্প মুখে দাবি করেছিলেন, রাশিয়ার থেকে তেল কেনায় ভারতের ওপর শুল্ক চাপানো হচ্ছে। তবে রাশিয়ার সঙ্গে আমেরিকার বাণিজ্য বেড়েছে ট্রাম্পের জমানাতেই। এদিকে ভারত-পাকিস্তান সংঘর্ষে মধ্যস্থতার দাবি করেছিলেন ট্রাম্প। ভারত সেই দাবি অস্বীকার করে। এরপর থেকেই নিজের মনের মতো গল্প বানিয়ে ট্রাম্প দাবি করেন, তিনি নাকি মোদীকে ফোন করে যুদ্ধ বন্ধ করতে বলেছিলেন। এবং যুদ্ধ করলে বাণিজ্য চুক্তি না করা নিয়ে মোদীকে বার্তা দেওয়ার পর নাকি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নাকি বলেছিলেন, 'না না বাণিজ্য চুক্তি তো করতে হবে'। ট্রাম্প বলেছিলেন, 'আমি প্রধানমন্ত্রী মোদীকে ফোন করে করেছিলাম। আমি দুই দেশকেই বলেছিলাম যে আমি প্রতিটি দেশের উপর ২৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করব... যার মানে তারা কখনও আর আমেরিকার সঙ্গে ব্যবসা করতে পারবে না। আমি শুল্কের কথা বলে শুধু ভালো ভাষায় বোঝাতে চেয়েছিলাম, আমরা আপনার সাথে ব্যবসা করতে চাই না।' তবে সম্প্রতি পরিস্থিতিতে পরিবর্তন এসেছে। ভারত-মার্কিন সম্পর্কের ক্ষতে প্রলেপ পড়েছে। নয়াদিল্লি এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে অন্তর্বর্তীকালীন বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে যৌথ বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। তবে এর মাঝেও নাকি ট্রাম্প ভারতের ওপর আবারও শুল্ক বৃদ্ধির অজুহাত খুঁজছে।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


