US Counterterrorism Chief: ইরান যুদ্ধের বিরোধিতায় পদত্যাগ মার্কিন সন্ত্রাসবাদবিরোধী প্রধান, কী বললেন ট্রাম্প?
ট্রাম্প বারবার দাবি করেছিলেন, আমেরিকা যদি ইরানে হামলা না করত, তাহলে আমেরিকার ওপরে হামলা হত কিংবা পরমাণু বোমা তৈরি করে ফেলত ইরান। তবে তাঁর সেই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে কোনও প্রমাণ ট্রাম্প দেখাতে পারেননি। আর এবার ট্রাম্পের দাবি যে ভিত্তিহীন, কার্যত সেটাই প্রমাণ করে পদত্যাগ করলেন জোসেফ কেন্ট।
আমেরিকার জন্য কোনও হুমকি ছিল না ইরান। এমনই দাবি করে যুদ্ধের প্রতিবাদে পদত্যাগ করলেন ন্যাশনাল কাউন্টারটেররিজম সেন্টারের প্রধান জো কেন্ট। এই ঘটনায় জোর ধাক্কা খেয়েছেন ট্রাম্প। এর আগে ট্রাম্প বারবার দাবি করেছিলেন, আমেরিকা যদি ইরানে হামলা না করত, তাহলে আমেরিকার ওপরে হামলা হত কিংবা পরমাণু বোমা তৈরি করে ফেলত ইরান। তবে তাঁর সেই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে কোনও প্রমাণ ট্রাম্প দেখাতে পারেননি। আর এবার ট্রাম্পের দাবি যে ভিত্তিহীন, কার্যত সেটাই প্রমাণ করে পদত্যাগ করলেন জোসেফ কেন্ট। এরই সঙ্গে ইরাম যুদ্ধের 'সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের' জন্য ট্রাম্পের কাছে আহ্বান জানান কেন্ট।

নিজের চিঠিতে কেন্ট ট্রাম্পের উদ্দেশে লেখেন, 'নিজের বিবেকের কাছে দায়বদ্ধ থেকে আমি ইরানে চলমান এই যুদ্ধকে সমর্থন করতে পারি না। ইরান আমাদের দেশের জন্য কোনও হুমকি ছিল না। ইজরায়েল এবং শক্তিশালী মার্কিন লবির চাপে এই যুদ্ধ শুরু হয়েছে। ০১৬, ২০২০ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনী প্রচারণায় যেসব মূল্যবোধ ও বিদেশনীতির কথা আপনি বলেছিলেন, তা আমি সমর্থন করেছিলাম। তবে আপনার এই মেয়াদের প্রথম থেকে ইজরায়েলের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা এবং মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রভাবশালী কয়েকজন অপ্রচার চালিয়েছিলেন। এটা আপনার 'আমেরিকা ফার্স্ট' নীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। এই প্রচারে আপনাকে বিশ্বাস করানো হয়েছে, আমেরিকার জন্য বড় হুমকি ইরান। এবং এখনই হামলা চালালে ইরানের বিরুদ্ধে জয় নিশ্চিত। তবে এটা মিথ্যা কথা ছিল। এই যুদ্ধ আমেরিকান জনগণের কোনো কল্যাণে আসবে না। আমার আবেদন, আমরা ইরানে কী করছি এবং কাদের স্বার্থে করছি, সে বিষয়ে আপনি আবার ভেবে দেখবেন।'
এদিকে কেন্টের পদত্যাগের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে ট্রাম্প আবার সাংবাদিকদের বলেন, 'নিরাপত্তা বিষয়ে দুর্বল ছিলেন কেন্ট। যখন আমি তাঁর (কেন্ট) বিবৃতি পড়ি, তখন মনে হয়, তিনি চলে যাওয়ায় ভালোই হয়েছে। কারণ কেন্ট বলেছিলেন, ইরান কোনও হুমকি নয়। প্রত্যেক দেশই বুঝেছিল ইরান কী ধরনের হুমকি ছিল- প্রশ্ন হল, তারা এ বিষয়ে কিছু করতে চায় কিনা।'
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


