China USA: চিনের গুপ্ত ‘স্পেসপ্লেন’ থেকে ছাড়া হল আমেরিকার ওপর রহস্যজনক বস্তু? এল রিপোর্ট
অভিযোগ উঠেছে যে, চিনের গুপ্ত মহাকাশযানটি একাধিকবার পৃথিবীর চারপাশে অজ্ঞাত পেলোড ছেড়েছে।
মার্কিন মুলুক এখন ব্যস্ত সেদেশের মিড টার্ম নির্বাচন নিয়ে। তার মাঝেই গত কয়েকদিন ধরে ব্যাপক চর্চার কেন্দ্রে এক ছবি! আমেরিকার সেনার গোয়েন্দা এজেন্সি তুলে ধরেছে সেই ছবি। তারা দাবি করছে ছবিতে রয়েছে চিনের গুপ্ত স্পেসপ্লেন। বলা হচ্ছে, এই স্পেসপ্লেন (মহাকাশ বিমান) পৃথিবীর কক্ষপথ ধরে ঘুরছে। আর সেই গোপন স্পেসপ্লেনের কর্মকাণ্ড ঘিরেই উঠছে এক প্রশ্ন!

অভিযোগ উঠেছে যে, চিনের গুপ্ত মহাকাশযানটি একাধিকবার পৃথিবীর চারপাশে অজ্ঞাত পেলোড ছেড়েছে। এই অভিযোগ নিয়ে সর্বশেষ দাবিটি আসে এই বছরের জুন মাসে, যখন আমেরিকান মহাকাশ গোয়েন্দা সংস্থা লিওল্যাবস জানায় যে তারা মহাকাশযানটির কাছে একটি বস্তু শনাক্ত করেছে। লিওল্যাবাস বলছে,‘আমাদের গ্লোবাল নেটওয়ার্ক জুড়ে অতিরিক্ত পর্যবেক্ষণ এবং লিওল্যাবস ডেল্টার মাধ্যমে বিশ্লেষণের পর, আমরা স্বাধীনভাবে এই বস্তুটিকে তালিকাভুক্ত করেছি এবং অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসের সাথে মূল্যায়ন করেছি যে এটি চিনা মহাকাশযান থেকে নিক্ষেপ করা হয়েছিল।’ আর এই অভিযোগ ঘিরেই রয়েছে হইচই। প্রশ্ন উঠছে যে বস্তুটি নিক্ষেপের কথা মার্কিন প্রতিষ্ঠানদাবি করছে, সেই রহস্যজনক বস্তু আসলে কী?
যে ছবি নিয়ে এই চর্চা, তা কতটা স্পষ্ট, তা নিয়ে উঠে আসছে তথ্য। space.com- এর তথ্য অনুযায়ী , ছবিটি ২০২৪ সালে ম্যাক্সার টেকনোলজিস (বর্তমানে ভ্যান্টর) স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ৯০ কিলোমিটার দূর থেকে তোলা হয়েছিল। এর রেজোলিউশন প্রতি পিক্সেলে ৪.৫ সেন্টিমিটার।
উল্লেখ্য, চিনের এই স্পেসপ্লেনের নাম শেনলং বা ‘ঐশ্বরিক ড্রাগন’ এবং এটি ছয় বছর ধরে সক্রিয় রয়েছে। পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথে (LEO) অজ্ঞাত বস্তু স্থাপনের জন্য এটি বেশ কয়েকবার সংবাদ শিরোনামে এসেছে। এই বস্তুগুলোর খবর পাওয়ার পর, বিভিন্ন সংস্থা ও ব্যক্তি ভূমি-ভিত্তিক রাডারের মতো সরঞ্জাম ব্যবহার করে বিমানটিকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেছে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, শেনলং তার সৌর প্যানেলগুলো প্রসারিত করে অন্য একটি স্যাটেলাইটের সাথে সংযুক্ত রয়েছে। এর পেছনের দিকে অবস্থিত পেলোড ডোরটি খোলা বলে মনে হচ্ছে।
এই চিনা বিমানটি তার চতুর্থ অভিযানে রয়েছে, যা এই বছরের ৭ই ফেব্রুয়ারি গোবি মরুভূমির জিউকুয়ান স্যাটেলাইট লঞ্চ সেন্টার থেকে একটি লং মার্চ ২এফ রকেটে উৎক্ষেপণের মাধ্যমে শুরু হয়েছিল। প্রসঙ্গত, চিনা মহাকাশ সংস্থা তাদের মিশনের উদ্দেশ্য নির্দিষ্ট করে জানায়নি। একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে শুধু বলা হয়েছিল যে, এটি এমন প্রযুক্তি পরীক্ষা করতে সাহায্য করবে যা ,‘ভবিষ্যতে মহাকাশের শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের জন্য আরও সুবিধাজনক ও সাশ্রয়ী যাতায়াত পদ্ধতির পথ প্রশস্ত করবে।’
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


