US-Bangladesh Military Exercise: উত্তরপূর্ব ভারত ঘেঁষে যুদ্ধ মহড়া! চলছে বাংলাদেশ-আমেরিকার যৌথ সামরিক অনুশীলন

মহড়ায় অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিশেষ বাহিনী প্যারা কমান্ডো ব্রিগেড এবং মার্কিন সেনাবাহিনীর ইউএস আর্মি প্যাসিফিক (USARPAC)। দুই দেশের মোট ১৮৪ জন সেনা এই যৌথ অনুশীলনে অংশগ্রহণ করছেন। এর মধ্যে মার্কিন বাহিনীর ৯১ জন এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৯৩ জন সদস্য রয়েছেন।

Published on: Jul 25, 2026, 10:17:11 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

US-Bangladesh Military Exercise: ভারতের পূর্ব সীমান্তের খুব কাছেই শুরু হয়েছে বাংলাদেশ ও আমেরিকার যৌথ সামরিক মহড়া 'এক্সারসাইজ টাইগার লাইটনিং-২০২৬'। রবিবার বাংলাদেশের সিলেটের জালালাবাদ সেনানিবাসে এই ১৩ দিনের যুদ্ধ মহড়ার আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত চলবে এই অনুশীলন।

মহড়ায় অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিশেষ বাহিনী প্যারা কমান্ডো ব্রিগেড এবং মার্কিন সেনাবাহিনীর ইউএস আর্মি প্যাসিফিক (USARPAC)।
মহড়ায় অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিশেষ বাহিনী প্যারা কমান্ডো ব্রিগেড এবং মার্কিন সেনাবাহিনীর ইউএস আর্মি প্যাসিফিক (USARPAC)।

এই মহড়ায় অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিশেষ বাহিনী প্যারা কমান্ডো ব্রিগেড এবং মার্কিন সেনাবাহিনীর ইউএস আর্মি প্যাসিফিক (USARPAC)। দুই দেশের মোট ১৮৪ জন সেনা এই যৌথ অনুশীলনে অংশগ্রহণ করছেন। এর মধ্যে মার্কিন বাহিনীর ৯১ জন এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৯৩ জন সদস্য রয়েছেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মাইনুর রহমান। এছাড়াও দুই দেশের একাধিক শীর্ষ সামরিক আধিকারিক, কূটনীতিক এবং প্রশিক্ষণার্থীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত তাঁর বক্তব্যে বলেন, এই যৌথ মহড়া শুধু সামরিক প্রশিক্ষণ নয়, বরং বাংলাদেশ ও আমেরিকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব এবং কৌশলগত সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তাঁর কথায়, এই অনুশীলনের মাধ্যমে দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে সমন্বয় বাড়বে এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও জোরদার হবে।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফও একই ধরনের বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, 'টাইগার লাইটনিং' মহড়া দুই দেশের সামরিক সম্পর্ককে আরও মজবুত করবে। পাশাপাশি যৌথ অভিযান পরিচালনার দক্ষতা বৃদ্ধি, সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং মানবিক সহায়তার মতো ক্ষেত্রে সেনাবাহিনীর প্রস্তুতি আরও বাড়াবে।

বাংলাদেশ ও আমেরিকার মধ্যে বহু বছর ধরেই প্রতিরক্ষা সহযোগিতা রয়েছে। সন্ত্রাস দমন, দুর্যোগ মোকাবিলা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা রক্ষার মতো বিভিন্ন বিষয়ে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করে আসছে। সেই সহযোগিতারই অংশ হিসেবে এবার এই যৌথ সামরিক মহড়ার আয়োজন করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতের পূর্ব সীমান্তের কাছাকাছি এই ধরনের যৌথ সামরিক মহড়া স্বাভাবিকভাবেই কৌশলগত গুরুত্ব বহন করে। যদিও বাংলাদেশ ও আমেরিকার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই অনুশীলনের মূল উদ্দেশ্য যুদ্ধের প্রস্তুতি নয়; বরং যৌথ সামরিক দক্ষতা বাড়ানো, পারস্পরিক সমন্বয় উন্নত করা এবং ভবিষ্যতের বিভিন্ন নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকা।

১৩ দিন ধরে চলা এই মহড়ায় বিভিন্ন ধরনের বিশেষ অভিযান, কৌশলগত পরিকল্পনা, সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান, উদ্ধারকাজ এবং আধুনিক যুদ্ধ কৌশলের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। দুই দেশের সেনাবাহিনী একে অপরের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়ার পাশাপাশি বাস্তব পরিস্থিতিতে কীভাবে যৌথভাবে কাজ করা যায়, তারও অনুশীলন করবে।

ভারতের সীমান্তের কাছাকাছি এই যৌথ সামরিক মহড়া শুরু হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতির দিকে নজর বেড়েছে। যদিও বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র স্পষ্ট জানিয়েছে, এই অনুশীলনের লক্ষ্য আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়ানো এবং যৌথ সামরিক সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করা।

  • Abhijit Chowdhury
    ABOUT THE AUTHOR
    Abhijit Chowdhury

    ২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More