Vaibhav Abhishek in Wimbledon: ‘অভিষেক ভাইকে বলে..’, উইম্বলডনে তাঁর ফ্যাশন-র নেপথ্য কাহিনী শোনালেন সূর্যবংশী
বৈভব বলেন,'বলেন,' গত চার-পাঁচ বছর ধরে আমি টেনিস ফলো করছি। আগে আমি (রাফায়েল) নাদাল ও (নোভাক) জোকোভিচের খেলা খুব দেখতাম।'
সদ্য শেষ হয়েছে ইংল্যান্ডে ভারতের টি২০ সিরিজ। এদিকে, তারই মাঝে খবরে উঠে আসে, উইম্বলডনের আঙিনায় সচিনের পরিবারের সঙ্গে বসে থাকা শুভমন গিলের ছবি। তা নিয়ে ইন্টারনেটে চর্চারও শেষ নেই! এদিকে, এবার সেই উইম্বলডনের আসরে দেখা গেল ভারতের আরও তিন ক্রিকেট স্টারকে। প্রাক্তন ক্রিকেটার যুবরাজ সিংয়ের সঙ্গে উইম্বলডনের আসরে দেখা যায় যুবরাজ-শিষ্য অভিষেক শর্মাকে। সঙ্গে ছিলেন ভারতীয় ক্রিকেটের বিস্ময় বালক ১৫ বছর বয়সী বৈভব সূর্যবংশীও।

২০২৬ সালের উইম্বলডনের ফাইনাল ম্যাচ দেখতে হাজির ছিলেন বৈভব সূর্যবংশী, অভিষেক শর্মারা। উইম্বলডনের কোর্টে তখন পুরুষদের ফাইনালে তখন ম্যাচ চলছে জানিক সিনার বনাম অ্যালেকজান্ডার জেভরেভের মধ্যে। আর তার সাক্ষী ছিলেন ভারতীয় ব্যাটিং-র তিন ‘সেনশেন’! উইম্বলডনের আঙিনায় প্রথমবার ১৫ বছর বয়সী বৈভব, তাঁর নয়া লুক ও ফ্যাশন স্টেটমেন্ট নিয়েও মুখ খোলেন। তিনি সেখানে যে আউটফিট পরে যান, তা জোগাড় করতে তাঁর টিমের সতীর্থ অভিষেক শর্মা যে তাঁকে সাহায্য করেছেন, তা জানাতে ভোলেননি বৈভব।
ফর্মাল ব্লেজার, সাদা শার্ট, স্ট্রাইপ টাই, চিনটেড গ্লাস, এই নিয়েই নিজের নয়া লুক-এ উইম্বলডনের আঙিনা মাত করেন সূর্যবংশী। এই লুক নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ভারতের এই ১৫ বছর বয়সী ক্রিকেট-স্টার মুখ খোলেন। এই লুক পেতে খুব কি সময় নিয়েছিলেন সূর্যবংশী? তিনি বলছেন 'না না, তাড়াতাড়িতে যা পেয়েছিলাম… আমি অভিষেক ভাইকে বলে ব্যবস্থা করিয়েছিলান (জামাকাপড়ের) আর সেটা পরেই চলে এসেছি।' বলেই হেসে ফেলছেন সূর্যবংশী।
উইম্বলডনে ফাইনাল ম্যাচ দেখার আগ্রহ নিয়েও মুখ খোলেন বিহারের এই ক্রিকেট স্টার। সূর্যবংশী বলেন,'অবশ্যই আমি ফাইনাল ম্যাচ দেখতে চেয়েছিলাম। এই প্রথমবার আমি লাইভ ম্যাচ দেখছি। ফাইনালে খেলোয়াড়দের অ্যাপ্রোচটা দেখার সুযোগ পেয়ে ভালো লাগছে।' তাঁর পছন্দের টেনিস প্লেয়ার নিয়েও মুখ খোলেন সূর্যবংশী। তিনি বলেন,' গত চার-পাঁচ বছর ধরে আমি টেনিস ফলো করছি। আগে আমি (রাফায়েল) নাদাল ও (নোভাক) জোকোভিচের খেলা খুব দেখতাম। এখন আমি জোকোভিচের বড় ভক্ত। তবে এই দুজন খেলোয়াড়কেই আমি সবসময় নিবিড়ভাবে অনুসরণ করেছি।' এছাড়াও তিনি বলেন,'বর্তমান প্রজন্মের টেনিস খেলোয়াড়দের মধ্যে কার্লোস আলকারাজকে আমার খুব ভালো লাগে, কিন্তু তিনি এ বছর খেলছেন না।'
প্রশ্ন যায়, ভারতীয় টিমে তাঁর সতীর্থদের মধ্যে কার সঙ্গে বৈভব টেনিস ডবলস খেলতে পছন্দ করবেন, তা নিয়ে। উত্তরে ১৫ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার বলেন,' আমি অভিষেক ভাইয়ের কথা বলব। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তিনি আমার ওপেনিং পার্টনার। তার সাথে ব্যাটিং করাটা আমি সত্যিই খুব উপভোগ করি, তাই টেনিসের ডাবলস পার্টনার হিসেবেও আমি তাঁকেই বেছে নেব।'
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


