Gas crisis charge in Bill: ২টি লেমোনেডের খরচ ৩৭৪ টাকা, বিলে যোগ হল ‘গ্যাস ক্রাইসিস চার্জ’!রেস্তোরাঁর বিল ভাইরাল
যে ছবিটি পোস্ট হয়েছে, তাতে একটি বিল দেখা যাচ্ছে। বিলে লেখা ঠিকানা বলছে, রেস্তোরাঁ বেঙ্গালুরুর।
গ্যাসের দাম ইতিমধ্যেই রকেট গতিতে বেড়েছে ইরান যুদ্ধের জেরে। তারই মাঝে রেস্তোরাঁয় কমার্শিয়াল গ্যাস সরবরাহে রাশ টেনেছে সরকার। ইরানে আমেরিকা ও ইজরায়েলের যুদ্ধের মাঝে দেশ জুড়ে এলিপিজি নিয়ে সাধারণের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়। এদিকে, বহু রিপোর্টের দাবি, একাধিক রেস্তোরাঁ এই কমার্শিয়াল এলপিজি সমস্যার জেরে বহু পদ আপাতত স্থগিত রাখার পথে হাঁটতে পারে! পাউরিটি উৎপাদনকারী বেকারি গুলিও বেশ চিন্তায় কমার্শিয়াল এলপিজি নিয়ে। এই পরিস্থিতিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল একটি পোস্ট। সেখানে এক রেস্তোরাঁর বিলের ছবি পোস্ট করা হয়েছে। আর সেই বিলই (ছবির সত্যতা যাচাই করেনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা।) এবার খবরে।

যে ছবিটি পোস্ট হয়েছে, তাতে একটি বিল দেখা যাচ্ছে। বিলে লেখা ঠিকানা বলছে, রেস্তোরাঁ বেঙ্গালুরুর। বেঙ্গালুরুর কোথানুরের রেস্তোরাঁর এই বিলটি। বিল-এ লেখা রয়েছে সেখানে প্রতিটি মিন্ট লেমোনেড ১৭৯ টাকা করে। ফলত, মোট দাম হচ্ছে, ৩৫৮ টাকা। আর সেখানে বিভিন্ন চার্জ যুক্ত হয়ে মোট খরচ হচ্ছে ২৭৪ টাকা। এমনটাই লেখা রয়েছে বিল-এ। ৩৫৮ টাকার সঙ্গে এসজিএসটি, সিজিএসটি সংযুক্ত করার পাশাপাশি, রেস্তোরাঁ ‘গ্যাস ক্রাইসিস চার্জ’ যুক্ত করেছে। যেখানে এসজিএসটি, সিজিএসটি ২.৫ শতাংশ আকারে যুক্ত হয়েছে, সেখানে শুধুমাত্র ‘গ্যাস ক্রাইসিস চার্জ’ ৫ শতাংশ হারে যুক্ত করে বিলের মোট অঙ্ক তৈরি করা হয়েছে। এই বিলের সত্যতা কতটা তা নিয়ে নেটপাড়ায় প্রশ্ন। যেখানে এলপিজি নিয়ে অযথা মিথ্যা রটনা থেকে বিরত থাকতে সরকার আর্জি জানাচ্ছে, সেখানে এমনভাবে বিল কি রেস্তোরাঁ তৈরি করতে পারে? তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।
অনেক ইউজারই এই নিয়ে হাসাহাসি করেছেন যে, মিন্ট লেমোনেড তৈরি করতে গেলে গ্যাস কীভাবে লাগে, সেই প্রশ্ন তুলে। অনেকে মজার ছলে প্রশ্ন তুলেছেন, লেবু কি গরম করে লেমোনেডে দেওয়া হয়েছে ? তবে সব মিলিয়ে এলিপিজি উদ্বেগের মধ্যে এই সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট হয়ে গিয়েছে ভাইরাল।
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper











