৪ মিনিটের জুম কল-এ ছাঁটাই করেছিলেন ৯০০ কর্মীকে, সেই CEO র কপালেও জুটল…
সংস্থার বোর্ডের তরফে নিশ্চিত করেছে যে গর্গ তার নির্বাহী পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন এবং পর্ষদের সদস্য পদ থেকেও পদত্যাগ করেছেন।
মাত্র ৪ মিনিটের জুম-কল। আর সেই কল-এই ৯০০ কর্মীকে ছাঁটাই করেছিলেন বিশাল গর্গ। সালটা ছিল ২০২১। কোভিড ঘিরে তখন গোটা বিশ্ব ত্রস্ত। সেই সময় চলেছিল সেই ছাঁটাই। ঘটনা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াও সরব হয়। এরপর আজ ২০২৬। বেটার হোমস অ্যান্ড অ্যান্ড ফাইনান্স সংস্থার ভারতীয় বংশোদ্ভূত সিইও সেই বিশাল গর্গ এবার নিজেই সেই চাকরি হারিয়েছেন বলে খবর।

সংস্থার বোর্ডের তরফে নিশ্চিত করেছে যে গর্গ তার নির্বাহী পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন এবং পর্ষদের সদস্য পদ থেকেও পদত্যাগ করেছেন। এই সংস্থার নেতৃত্ব পরিবর্তনটি ডিজিটাল মর্টগেজ ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান, বেটার হোমস অ্যান্ড অ্যান্ড ফাইনান্স-র জন্য একটি উত্তাল অধ্যায়ের সমাপ্তি চিহ্নিত করে, যা গণছাঁটাই কেলেঙ্কারির পর মারাত্মকভাবে ভাবমূর্তি খোয়ায়। সংস্থার এক্সিকিউটিভদের পদত্যাগ এবং শেয়ারের মূল্যের ব্যাপক পতনের মতো সমস্যায় জর্জরিত ছিল। এদিকে, তাঁর চাকরি হারানোর পর বেজায় ক্ষুব্ধ গর্গ। নিউজ ১৮র খবর বলছে, গর্গ দাবি করছেন, তাঁর মতে, তাঁকে ব্যাপকভাবে প্রতারিত করা হয়েছে। গার্গের দাবি, হেজ ফান্ড ম্যানেজার ড্যানিয়েল লুইস কয়েক মাস আগে ব্যয় হ্রাস এবং আর্থিক কর্মক্ষমতা বিষয়ে পরামর্শ দেওয়ার ছলে তার সাথে যোগাযোগ করেন এবং সুসম্পর্ক তৈরির জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ্যে সংস্থার কৌশলের প্রশংসা করেন। গর্গ বলছেন, 'তিনি বলেছিলেন যে কোম্পানির কৌশল তার পছন্দ হয়েছে। তিনি আমাদের ‘এক্স’ বিষয়ের প্রশংসা করেন এবং সেটাকে কাজে লাগিয়ে আমাদের বোর্ডে যোগ দেন ও আমাদের আস্থা অর্জন করেন।'
গার্গ দাবি করেন যে, তিনি লুইসকে এতটাই বিশ্বাস করতেন যে ২৭শে জুলাই তাঁকে বোর্ডে নিয়োগ করেছিলেন, কিন্তু এর এক সপ্তাহের মধ্যেই লুইস মত পরিবর্তন করেন, অন্য ডিরেক্টরদের রাজি করিয়ে ৩রা আগস্ট গর্গের নির্বাহী পদটি বাতিল করান এবং নিজেই তাঁর স্থলাভিষিক্ত সিইও হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এই পরিস্থিতিতে তিনি কোনও মতেই হাল ছাড়তে রাজি নন। এই লড়াই তিনি লড়ে যেতে চান বলে জানিয়েছেন গর্গ।
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


