Ex-IPS Officer on CJP Protest: 'ককরোচ জনতা পার্টিকে কখনও সমর্থন করিনি', দাবি বড় নেতার! ধাক্কা অভিজিৎ দীপকেদের
Ex-IPS Officer on CJP Protest: 'ককরোচ জনতা পার্টিকে কখনও সমর্থন করিনি', দাবি করলেন প্রাক্তন আইপিএস অফিসার। যিনি দাবি করেছেন যে বিজেপির তরফে তাঁকে আক্রমণ করা হচ্ছে। তবে অভিজিৎ দীপকেদের খারাপ খবর দিলেন তিনি।
Ex-IPS Officer on CJP Protest: ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভের বিরুদ্ধে কেন্দ্রের পদক্ষেপের সমালোচনা করেছিলেন। তবে অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাসদের ককরোচ পার্টিকে সমর্থনের পথে হাঁটলেন না প্রাক্তন আইপিএস অফিসার তথা তামিলনাড়ুর প্রাক্তন বিজেপি সভাপতি কে আন্নামালাই। বিজেপি ছেড়ে নিজের তৈরি করা 'উই দ্য লিডার' মুভমেন্টের আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘আমরা কখনও ককরোচ জনতা পার্টিকে সমর্থন করি না। ওদের লক্ষ্য আলাদা। আমাদের লক্ষ্য আলাদা।’

ভিন্নমত পোষণের অধিকারের পক্ষে সওয়াল
প্রাক্তন আইপিএস অফিসার সেই মন্তব্য করেছেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের পদক্ষেপের সমালোচনার কয়েক ঘণ্টা পরই। তিনি দাবি করেন, সিজেপির প্রতিবাদ কর্মসূচিকে দেশবিরোধী হিসেবে অভিহিত করার পরিবর্তে বিজেপি সরকার উচিত দীপকেদের তোলা প্রশ্নের জবাব দেওয়া। সিজেপির প্রতিবাদের কৌশলের থেকে দূরত্ব বজায় রেখেই ভিন্নমত পোষণের অধিকারের পক্ষে সওয়াল করেন তামিলনাড়ুর প্রাক্তন বিজেপি সভাপতি।
ওদের প্রতিবাদ, তর্কের বা লড়াইয়ের অধিকার আছে, বললেন আন্নামালাই
তিনি বলেন, ‘বিজেপির কিছু লোকের কাছে আমি একটা বিষয় পরিষ্কার করে দিতে চাই। যদি সুবিধামতো সবকিছু বিস্মৃতির আড়ালে ঠেলে দেওয়ার অভ্যেস থাকে আপনার, তবে এখন থেকে আর এটা ভুলে যাবেন না যে আমি ২০২৬ সালের ৫ জুন বিজেপি ছেড়ে দিয়েছিলাম। কাল যেমনটা বলেছিলাম, আমি সিজেপির প্রতিবাদের ট্যাকটিক্স বা কৌশলের সঙ্গে সহমত পোষণ করি না এবং একাধিক বিষয়ে ওদের কৌশল ভুলপথে চালিত হয়েছে বলে মনে করি। কিন্তু আমায় যদি জিজ্ঞাসা করেন যে ওরা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করে, সেই বিষয় নিয়ে ওদের প্রতিবাদ করার, তর্ক করার বা লড়াই করার অধিকার আছে কিনা, তাহলে আমি অবশ্যই বলব যে হ্যাঁ, হ্যাঁ।’
টাকা দিয়েও এত ভালো প্রচারের টিম পাবে না সিজেপি, খোঁচা আন্নামালাইয়ের
তিনি অভিযোগ করেন, ককরোচ নেতাদের আটক করা এবং লাগাতার পদক্ষেপের মাধ্যমে বিজেপি আদতে সিজেপিকে জনপ্রিয় করে তুলছে। তাঁর কথায়, 'আমি ফের ওই প্রশ্নটাই করছি, বিজেপি কি সত্যিই সিজেপির বিরোধিতা করছে? নাকি ওদেরকে প্রচারের রাস্তা করে দিচ্ছে? বিজেপি কি সিজেপিকে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক পক্ষ হিসেবে তুলে ধরে বিরোধী দলগুলির ভোটভাগ করতে চায়? (কারণ) এখন যে গতিতে চলছে সবকিছু, তাতে সিজেপি টাকা দিয়েও এত ভালো প্রচারের দল পাবে না।'
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


