Abhishek Sharma: ‘চকদে ফট্টে..’ রেকর্ড রানের ম্যাচের আগে পঞ্জাবীতে পেপটক অভিষেকের, খেলার পর…
পঞ্জাবের এই ভূমিপুত্র বলেন, ‘যোদ্ধারা কাউকে দয়া দেখায় না। এটা সিরিজের শেষ ম্যাচ। দর্শকদের দেখো.. আমরা ওঁদের পুরো বিনোদন দেব!’
সদ্য দিল্লিতে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে রানের তাণ্ডব চালিয়েছেন মাঠে। ৩০ বল-এ ১০০ রানের রেকর্ড গড়েছেন অভিষেক শর্মা। ভারতীয় ক্রিকেটের এক শর্মাজি, অপর শর্মাজির রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন! রোহিত শর্মার রেকর্ড ভাঙার পর, প্রতিক্রিয়াও জানিয়েছেন অভিষেক। তবে, যে ম্যাচে এই রান-তাণ্ডব চালিয়েছেন অভিষেক, সেই ম্যাচের আগে, টিমকে জাগিয়ে তুলতে যে বক্তব্য তিনি টিম হার্ডেল-এ দিয়েছেন তাঁর সেই পেপটক এখন ভাইরাল। এক্কেবারে পাঞ্জাবী ভাষায় ‘পঞ্জাব দা পুত্তর’ অভিষেক দেশের জাতীয় দলকে জাগিয়ে তুলতে রেখেছিলেন বক্তব্য। কী বলেছিলেন?

বিসিসিআই-র তরফে এক ভিডিয়োয় অভিষেক শর্মার সেই ভাইরাল বক্তব্য সামনে এসেছে। আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে দিল্লিতে ম্যাচের আগে অভিষেক বলেন, ‘ আমি আজ পুরো পঞ্জাবী ভাষায় বলব.. বয়েজ আমরা আজ সুরমাদের মতো খেলব! সুরমা মানে যোদ্ধা! আমরা পুরো সিরিজটা যেমন খেলেছি, তেমনভাবেই শেষ করব।’ এক কদম এগিয়ে পঞ্জাবের এই ভূমিপুত্র বলেন, ‘যোদ্ধারা কাউকে দয়া দেখায় না। এটা সিরিজের শেষ ম্যাচ। দর্শকদের দেখো.. আমরা ওঁদের পুরো বিনোদন দেব!’ এরই সঙ্গে তিনি বলেন, ‘ছিক আছে? অন্যভাবে বলতে গেলে ফাটিয়ে দাও!’ এরই সঙ্গে তিনি বিখ্যাত এক পঞ্জাবী লাইনও বলেন, ‘চকদে ফট্টে, নাপ দে কিল্লি, সুবহ জলন্ধর, শাম নু দিল্লি ।’ উল্লেখ্য, এই শব্দ বন্ধনীর অর্থ হল, মন উদ্যম নিয়ে গতিতে এগিয়ে যাওয়া।
এরপর ম্যাচে অভিষেকের রানের সুনামি সকলেই দেখেছেন। ২০১৭ সালে রোহিত শর্মার ৩৫ বল-এ সেঞ্চুরির রেকর্ড ভেঙে দেন অভিষেক শর্মা। খেলা শেষ হতেই রোহিত শর্মার রেকর্ড ভাঙা প্রসঙ্গে অভিষেক বলেন, ‘এটা শুধু আমার জন্য নয়, আমি বলতে পারি সব ভারতীয়দের জন্যই একটি বড় অর্জন, কারণ রোহিত ভাইজি যেভাবে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট খেলতেন তা আমার এখনও মনে আছে। বাড়িতে বসে তাঁর খেলা দেখতে আমার খুব ভালো লাগত এবং আমি তা উপভোগ করতাম, আর সেই রেকর্ডটি ভাঙা এখন পর্যন্ত আমার অন্যতম বড় অর্জন।’ টি২০ খেলা শুরুর সময়ের কথাও তোলেন অভিষেক। তিনি প্রসঙ্গে আনেন স্কাই অর্থাৎ ভারতের প্রাক্তন টি২০ অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবের কথাও। অভিষেক বলেন, ‘ আমার এখনও মনে আছে, আমি যখন খেলা শুরু করি তখন স্কাই সেখানে ছিলেন। তিনি সবসময় চাইতেন আমি যেন পাওয়ারপ্লে-কে কাজে লাগাই, কারণ আপনি যদি একটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ দেখেন, দেখবেন সেটি মূলত পাওয়ারপ্লে-কে কেন্দ্র করেই হয়। জিজি ভাইও ঠিক এটাই বলতেন। তিনি চাইতেন আমি যেন দলের ড্রেসিংরুমে এমন একটি পরিবেশ তৈরি করি, যেখানে গিয়ে নির্ভয়ে নিজের মতো করে খেলা যায় এবং নিজেকে মেলে ধরা যায়।’ বিসিসিআইর পোস্ট করে এক ভিডিয়োয় অভিষেকের এই বার্তা উঠে এসেছে।
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


