‘এটা আমরা চাইনি...,' নিষেধাজ্ঞা উঠে যাবে আওয়ামি লীগের? কী বললেন তারেকের মন্ত্রী?

বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ের পর এই প্রথম বিএনপি-র কোনও মন্ত্রী বা সিনিয়র নেতা এই কার্যালয়ে যান।

Published on: Feb 23, 2026, 18:20:22 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

বাংলাদেশে বিএনপি নেতৃত্বে নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় আসার পরদিন থেকেই কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের একাংশ প্রকাশ্যে কার্যকলাপ শুরু করেছেন। গত দিন দশকের মধ্যে তারা একশোর কাছাকাছি অফিস খুলেছে। ‌গণঅভ্যুত্থানের সময় থেকেই সেগুলি তালা বন্ধ ছিল। এই আবহে প্রশ্ন উঠছে-বাংলাদেশে কী এবার আওয়ামি লীগের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা উঠে যাবে? এবার সেই প্রশ্নের জবাব দিলেন বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর (সৌজন্যে টুইটার)
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর (সৌজন্যে টুইটার)

সোমবার সকালে ঢাকার নয়াপল্টনে বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তারেক রহমানের মন্ত্রিসভার সেকেন্ড ইন কমান্ড স্থানীয় সরকার মন্ত্রীকে সাংবাদিকেরা প্রশ্ন করেন, বিভিন্ন স্থানে আওয়ামি লীগের অফিসগুলো খোলা হচ্ছে-এই বিষয়ে সরকারের অবস্থান কী? জবাবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘এটা আমরা চাইনি এবং যেহেতু আইনগতভাবে বলা আছে যে তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ, সেভাবেই এটাকে দেখা হবে সব জায়গায়।’ বলে রাখা ভালো, বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ের পর এই প্রথম বিএনপি-র কোনও মন্ত্রী বা সিনিয়র নেতা এই কার্যালয়ে যান। এদিন সকাল সাড়ে ১০ টায় নয়াপল্টন অফিসে যান বিএনপি মহাসচিব। সেখানে দলীয় নেতা-কর্মীরা মির্জা ফখরুলকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনার সময় মির্জা ফখরুল বলেন, নয়াপল্টনে বিএনপির এই কার্যালয় থেকে বিগত সময়ে সবচেয়ে বেশি আন্দোলন ও কর্মসূচি পালন করা হয়, যার নের্তৃত্বে ছিলেন বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপার্সন ও প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। মির্জা ফখরুল বলেন, এই কার্যালয় থেকে দেওয়া কর্মসূচিগুলো জনগণকে অনুপ্রাণিত করেছিল। স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, সঠিক সময়ে সরকারি নিয়ম মেনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। মির্জা ফখরুলের কথায়, ‘কতগুলো নিয়মকানুন আছে সরকারি। সরকারি এবং যে সব প্রথা আছে, সেগুলো কতগুলোর মেয়াদ আছে, কতগুলোর মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে, সবগুলোকে এক জায়গায় নিয়ে এসে সরকারের তরফ থেকে একটি সঠিক সময়ে এই নির্বাচনগুলো দেওয়ার ব্যবস্থা আমরা করব। তবে নিঃসন্দেহে এই নির্বাচনকে প্রাধান্য দেওয়া হবে।’ বিএনপি মহাসচিব তথা স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এখন নতুন এক বাংলাদেশের জন্য কাজ করছি। স্বপ্ন দেখছি আমাদের নেতা দলের চেয়ারম্যান এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাহেবের নেতৃত্বে। অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি দেশের মানুষের মধ্যে একটা জায়গা তৈরি করেছেন এবং মানুষ বিশ্বাস করে তিনি কাজ করবেন।'

জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপি কাদের মনোনয়ন দেবে, এমন প্রশ্নোত্তরে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘তাঁদের জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততা থাকতে হবে, রাজনীতি ও দলের সঙ্গে সম্পৃক্ততা থাকতে হবে। আমাদের দলের পক্ষ থেকে যাঁরা দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত আছেন, তাঁদের প্রাধান্য দেওয়া হবে।’ প্রসঙ্গত, দফতর খোলার পর বেশ কিছু জায়গায় পুলিশ আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার করেছে। ধৃতদের কয়েকজন জামিনও পেয়ে গিয়েছেন।