MLA's son hit people with thar: সাইরেন বাজালেও রাস্তা ছাড়েনি! থার দিয়ে ৫ পথচারীকে ধাক্কা মেরে চোটপাট বিধায়ক পুত্রের
MLA's son hit people with thar: দুর্ঘটনার পর একটি ভিডিও ভাইরাল হয়, যেখানে দেখা যায় দীনেশ লোধি আহতদের সঙ্গে তর্ক করছেন এবং ঘটনাস্থলে উপস্থিত লোকজনকে হুমকি দিচ্ছেন ভিডিও না করার।
MLA's son hit people with thar: আবারও নিরীহ পথচারিদের উপর গাড়ি চালিয়ে দেওয়ার ঘটনা সামনে এল। এবার ঘটনাস্থল মধ্যপ্রদেশের শিবপুরী। অভিযুক্ত স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক প্রীতম লোধির ছেলে দীনেশ লোধি। অভিযোগ, তিনি নিজের এসইউভি থার দিয়ে পাঁচজনকে ধাক্কা মেরেছেন। শুধু তাই-ই নয়, ঘটনার পর নির্লজ্জের মতো তা নিয়ে সাফাই দিয়েছে। নিজের ভুল স্বীকার তো করেননি, উল্টে তিনি দোষ চাপালেন আহতদের ঘাড়েই। তাঁর মন্তব্য, 'আমি যখন সাইরেন বাজাচ্ছিলাম, আপনারা সরলেন না কেন?' যা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাটি ঘটে ১৭ এপ্রিল সকাল সাড়ে সাতটায়। একটি বাইকে সঞ্জয় পারিহার, আশিষ পারিহার ও অংশুল পারিহার নামে তিনজন কাজের উদ্দেশ্যে থানরা গ্রামের দিকে যাচ্ছিলেন। সেই সময় পিছন থেকে দ্রুতগতিতে এসে থার গাড়িটি তাদের ধাক্কা মারে। একইসঙ্গে রাস্তার ধারে হাঁটছিলেন সীতা ভার্মা ও পূজা সোনি। তাঁরা ভয়ে সিঁটিয়ে যান। দীনেশ গাড়ির নিয়ন্ত্রণ রাখতে না পেরে তাঁদেরও ধাক্কা মারেন। তাঁরাও গাড়ির ধাক্কায় গুরুতরভাবে আহত হন। চোখের সামনে এমন ঘটনা দেখে ছুটে আসেন আশপাশের স্থানীয় বাসিন্দারা। বিধায়ক-পুত্রের গাড়ি ঘিরে ফেলেন তাঁরা। তখনই রুদ্র মূর্তি ধরেন দীনেশ। গাড়ি থেকে নেমে এসে চোটপাট শুরু করেন।
এদিকে, দুর্ঘটনার পর একটি ভিডিও ভাইরাল হয়, যেখানে দেখা যায় দীনেশ লোধি আহতদের সঙ্গে তর্ক করছেন এবং ঘটনাস্থলে উপস্থিত লোকজনকে হুমকি দিচ্ছেন ভিডিও না করার। আর এরপর, চরম ঔদ্ধত্যের সঙ্গে পুলিশকে জানান যে তাঁর বাবা একজন বিধায়ক, যিনি এমনকী খুনের মতো ঘটনাও সামলে নিতে সক্ষম। তিনি জিজ্ঞাসা করেন, 'আমি যখন সাইরেন বাজাচ্ছিলাম, তখন আপনারা সরলেন না কেন?' এই আচরণে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ আরও বেড়েছে। আহতদের দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাঁদের মাথা, হাত-পা ও কাঁধে গুরুতর চোট লেগেছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগীদের মতে, গাড়িটির সামনে ও পিছনে ‘প্রীতম লোধি’ এবং ‘এমএলএ’ লেখা ছিল। অন্যদিকে, দুর্ঘটনার পর কারেরা পুলিশ অভিযোগ দায়ের করেছে। এই আবহে অভিযুক্তের বাবা ও পিচোরের স্থানীয় বিধায়ক প্রীতম লোধি জানিয়েছেন, আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে। তিনি বলেন, 'একজন বিধায়কের কাছে পরিবার নয়, জনগণই প্রথম। ভুক্তভোগীদের অবশ্যই ন্যায়বিচার পেতে হবে।' যদিও এই মন্তব্যে পরিস্থিতি শান্ত হয়নি, বরং প্রশ্ন উঠছে - ক্ষমতার প্রভাবে কী সত্যিই ন্যায়বিচার হবে? এই ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ও ক্ষোভ দুই-ই বেড়েছে, এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের দাবি জোরালো হচ্ছে।
E-Paper

