Iran-US: 'গুলি চালানোর সিদ্ধান্ত মানুষের,সাহায্য যন্ত্রের!' ইরানের স্কুলে বোমা হামলা নিয়ে বিস্ফোরক প্রাক্তন সিআইএ প্রধান

Iran School Bombing: ডেভিড পেট্রাউসের এই বক্তব্য আগের দাবি থেকে আলাদা। আগে দাবি করা হয়েছিল, এআই-নির্ভর ‘কিল চেন’-এর মাধ্যমে চালানো মার্কিন হামলায় অন্তত ১২৩ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছিল।

Published on: Oct 23, 2026, 13:20:58 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
Copy link
  • copy link

Iran School Bombing: ইরানের দক্ষিণের মিনাব শহরের শাজারাহ তাইয়েবেহ প্রাথমিক বিদ্যালয় চত্বরে বোমা হামলার ঘটনায় অন্তত ১৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছিল। ওই হামলায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কোনও যন্ত্র নেয়নি, বরং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্য নিয়ে একজন মানুষই হামলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। এমনটাই দাবি করলেন মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ-র প্রাক্তন প্রধান ডেভিড পেট্রাউস। তাঁর বক্তব্য, সিদ্ধান্ত গ্রহণে এআই সাহায্য করলেও চূড়ান্ত দায়িত্ব ছিল মানুষেরই হাতে।

ইরানের স্কুলে বোমা হামলা নিয়ে বিস্ফোরক প্রাক্তন সিআইএ প্রধান
ইরানের স্কুলে বোমা হামলা নিয়ে বিস্ফোরক প্রাক্তন সিআইএ প্রধান

ডেভিড পেট্রাউসের এই বক্তব্য আগের দাবি থেকে আলাদা। আগে দাবি করা হয়েছিল, এআই-নির্ভর ‘কিল চেন’-এর মাধ্যমে চালানো মার্কিন হামলায় অন্তত ১২৩ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছিল। এনডিটিভি ওয়ার্ল্ড সামিটে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রাক্তন সিআইএ প্রধান বলেন, 'গুলি চালানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে মানুষ, যন্ত্র সাহায্য করেছে।' মিনাব হামলার বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে সামরিক মিশনে অত্যন্ত নির্ভুল এআই ব্যবহারের পক্ষে জোরালো সওয়াল করেন প্রাক্তন এই সিআইএ প্রধান। পেট্রাউস বলেন, 'আমার বিশ্বাস, এটি আসলে মানুষের বিচারবুদ্ধি থেকেই নেওয়া সিদ্ধান্ত। যন্ত্র নিজে সিদ্ধান্ত নেয়নি। একজন মানুষই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন এবং লক্ষ্য নির্ধারণে এআই তাঁকে সাহায্য করেছিল। সামরিক ক্ষেত্রে এআই ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়।'

তিনি আরও বলেন, 'বিভিন্ন পরিস্থিতিতে ভুল হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন ক্ষেত্রেও এমন ঘটনা দেখা গিয়েছে। আমার ধারণা, ইউক্রেনেও এমনটা ঘটেছে। তবু চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, গুলি চালানো বা বোতাম টেপার সিদ্ধান্ত— মানুষই নেয়।' এ সময় তিনি এমন একটি স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার পক্ষেও মত দেন, যা মানুষের প্রোগ্রাম করা নির্দিষ্ট নির্দেশিকা ও মানদণ্ডের ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেবে। তবে নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে সমালোচকদের মতামতকেও গুরুত্ব দেওয়ার ওপর জোর দেন তিনি।

আগের প্রতিবেদনে কী বলা হয়েছিল?

এর আগে ব্লুমবার্গের একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের ভেতরে দায়িত্ব পালনকারী কিছু কর্মকর্তা যুদ্ধের পরিকল্পনা করার সময় ‘মেভেন স্মার্ট সিস্টেম’-এ থাকা এআই প্রযুক্তির ওপর অতিরিক্ত মাত্রায় নির্ভর করেছিলেন। প্যালানটির টেকনোলজিজের তৈরি এই এআই সিস্টেমটি ১৫০টির বেশি ভিন্ন ডেটা ইনপুট ব্যবহার করে জটিল সামরিক অপারেশনের জন্য তথ্য সাজিয়ে থাকে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে ফেরার পর মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ ‘মেভেন’-এর ওপর নির্ভরতা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, সম্ভাব্য টার্গেটের মূল্যায়নে ব্যবহৃত গোয়েন্দা তথ্যে কোনও পুরনো বা অসংগতিপূর্ণ বিষয় থাকলে এই এআই সিস্টেম তা চিহ্নিত করবে, এমনটাই আশা করেছিলেন কিছু সামরিক কর্মকর্তা। যদিও এ ধরনের প্রত্যাশার পেছনে সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও স্পষ্ট নয়।