Bangladesh PM's aide: দিল্লি বিমানবন্দরে জটিলতায় তারেকের উপদেষ্টা! বিতর্কের মাঝে ঢাকায় ফিরে ব্যাখ্যা জাহিদের

Bangladesh PM's aide: বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম ‘প্রথম আলো’র প্রতিবেদন অনুসারে, মঙ্গলবার ঢাকায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জাহিদ উর রহমান বলেন, ‘প্রতিবাদ’ করতেই তিনি দিল্লি বিমানবন্দর ছেড়ে চলে এসেছিলেন। তাঁর দাবি, তিনি নিজের দেশ এবং অন্য দেশকে একটি বার্তা দিতে চেয়েছিলেন। 

Published on: Jun 16, 2026, 22:29:43 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Bangladesh PM's aide: রবিবার দিল্লি বিমানবন্দরে জটিলতায় পড়েন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পলিসি ও স্ট্র্যাটেজিবিষয়ক উপদেষ্টা জাহিদ উর রহমান। ফলে তাঁকে দেশে ফিরে যেতে হয়। ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ঢাকায় ভারতীয় ডেপুটি হাই কমিশনারকে তলবও করেছে সে দেশের বিদেশ মন্ত্রক। এবার বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললেন জাহিদ উর রহমান।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা জাহিদ উর রহমান (সৌজন্যে টুইটার)
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা জাহিদ উর রহমান (সৌজন্যে টুইটার)

বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম ‘প্রথম আলো’র প্রতিবেদন অনুসারে, মঙ্গলবার ঢাকায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জাহিদ উর রহমান বলেন, ‘প্রতিবাদ’ করতেই তিনি দিল্লি বিমানবন্দর ছেড়ে চলে এসেছিলেন। তাঁর দাবি, তিনি নিজের দেশ এবং অন্য দেশকে একটি বার্তা দিতে চেয়েছিলেন। তবে এরপরে ভারতের থেকে ‘যথাযথ’ আমন্ত্রণ পেলে তিনি অবশ্যই আসবেন। তাঁর কথায়, ‘আমি ভারতে ব্যক্তি হিসাবে যাইনি। এই সরকার (তারেক রহমান) এবং দেশের একজন প্রতিনিধি হিসাবে গিয়েছি। সেখানে আমার সঙ্গে যা হয়েছে, আমার মনে হল একটা ইনস্ট্যান্ট প্রতিবাদ হওয়া দরকার। সেই কারণে আমি ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’জাহেদ এও জানিয়েছেন, তাঁকে পরে দিল্লিতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। তবে তিনি আর যাননি। প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুসারে তিনি বলেন, ‘আপনারা সংবাদমাধ্যমে দেখেছেন, একটা পর্যায়ে তারা (ভারত) খুব চেষ্টা করেছে, আমি যেন প্রবেশ করি, কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করি। কিন্তু আমি সেটা করিনি।’

প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুসারে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা দিল্লির ঘটনাকে ‘অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি’ বলে উল্লেখ করেছেন। তাঁর কথায়, ‘আমার মনে হয়েছে, একটা বার্তা এই দেশ ও এই দেশের বাইরে যাওয়া দরকার যে, এটা শেখ হাসিনার সরকার না। এটা জনাদেশপ্রাপ্ত সরকার।’ তবে তিনি এও জানিয়েছেন, এর ফলে নেতিবাচক পরিস্থিতি তৈরি হোক, তা উদ্দেশ্য নয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে ভারত থেকে আমন্ত্রণ পেলে যাবেন বলেও জানিয়েছেন জাহেদ। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘নিশ্চয়ই যাব। আমি এ কথাটা খুব স্পষ্ট করে দিচ্ছি, আমি যদি যথাযথ আমন্ত্রণ পাই, নিশ্চয়ই যাব।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি ভারতের সঙ্গে আদানপ্রদান করতে চাই, আইনগত এবং যুক্তিসঙ্গত ভাবে।’ তবে জাহেদ স্পষ্ট করেছেন, বাংলাদেশ তাঁর কাছে সবার আগে। তাঁর কথায়, ‘ভারতের সঙ্গে আদানপ্রদান করার কথা বললে কারও কারও মনে হয় আমি দেশ বিকিয়ে দিতে চলেছি। বাংলাদেশ বিকিয়ে দিয়ে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক এই সরকার কখনও গড়বে না। সবার আগে বাংলাদেশ, বলছি আমরা।’ তারপরে তিনি বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক গড়তে চাই, সমমর্যাদার ভিত্তিতে। ব্যবসা, বাণিজ্য-সহ আরও অনেক কিছুতে উন্নতি করার সুযোগ আছে।’

ঘটনার সূত্রপাত

ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশনের (আইওআরএ) সিনিয়র আধিকারিকদের কমিটির ২৮তম বৈঠকের আয়োজন করা হয় নয়া দিল্লিতে। ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের নেতৃত্বে ১৫ এবং ১৬ জুন ওই বৈঠক হয়। বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসাবে সেই বৈঠকে যোগ দিতে এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অন্যতম উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। কিন্তু অভিযোগ, অভিবাসন দফতরের আধিকারিকেরা সেখানে প্রাথমিক ভাবে তাঁকে বাধা দেন। দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আড়াই ঘণ্টা আটকে ছিলেন তিনি। তার পর শহরে প্রবেশের প্রয়োজনীয় অনুমতি মেলে। তবে জাহেদ দিল্লিতে আর প্রবেশ করতে চাননি। তিনি শ্রীলঙ্কার কলম্বো হয়ে ঢাকায় ফিরে যান। ওই ঘটনার পরে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের ডেপুটি হাই কমিশনার পবন বাধেকে তলব করে বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রক।