White House: একের পর এক উধাও-রহস্যমৃত্যু! ১০ মার্কিন বিজ্ঞানীর মর্মান্তিক পরিণতি, কী বলছে হোয়াইট হাউস?

White House: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এখনও পর্যন্ত ১০ ‘হাই-প্রোফাইল’ বিজ্ঞানীর রহস্যজনক মৃত্যু এবং হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার খবর সামনে এসেছে। 

Published on: Apr 16, 2026 10:00 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

White House: পর পর রহস্য মৃত্যু বিজ্ঞানীদের। অনেকে আবার স্রেফ উধাও হয়ে গিয়েছে। তাঁদের মধ্যে কেউ পরমাণু অস্ত্র সংক্রান্ত গবেষণায় যুক্ত ছিলেন, কেউ আবার নাসার মহাকাশ গবেষণায়। এহেন বিজ্ঞানীদের রহস্য মৃত্যু এবং আচমকা নিখোঁজ হয়ে যাওয়া নিয়ে রহস্য বাড়ছে মার্কিন গোয়েন্দা আধিকারিকদের মধ্যে।

১০ মার্কিন বিজ্ঞানীর মর্মান্তিক পরিণতি, কী বলছে হোয়াইট হাউস? (Bloomberg)
১০ মার্কিন বিজ্ঞানীর মর্মান্তিক পরিণতি, কী বলছে হোয়াইট হাউস? (Bloomberg)

২০২৩ সাল থেকে পারমাণবিক অস্ত্র সংক্রান্ত গবেষণা এবং উন্নত মহাকাশ ও ফিউশন গবেষণা-সহ উচ্চ-পর্যায়ের বৈজ্ঞানিক কাজের সঙ্গে যুক্ত অন্তত নয়জন, সম্ভবত দশজন ‘হাই-প্রোফাইল’ বিজ্ঞানী নিখোঁজ হয়ে গিয়েছেন অথবা রহস্য মৃত্যু হয়েছে। আর বুধবার এই বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছে হোয়াইট হাউস। গোপন এবং স্পর্শকাতর গবেষণায় যুক্ত বিজ্ঞানীদের রহস্য মৃত্যু, গায়েব হয়ে যাওয়া নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। জবাবে প্রেস সচিব ক্যারোলাইন লেভিট বলেন, 'সংশ্লিষ্ট সংস্থার সঙ্গে কথা হয়নি আমার। তবে অবশ্যই কথা বলব বিষয়টি নিয়ে এবং আপনাদের জানাব।' তিনি আরও যোগ করেন, 'তবে অভিযোগ সত্য হলে, সরকার এবং প্রশাসন বিষয়টি খতিয়ে দেখবে।'

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এখনও পর্যন্ত ১০ ‘হাই-প্রোফাইল’ বিজ্ঞানীর রহস্যজনক মৃত্যু এবং হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার খবর সামনে এসেছে। তাঁরা লস অ্যালামোস ন্যাশনাল ল্যাবরেটরি, নাসা জেট প্রপালসন ল্যাবরেটরি এবং এমআইটি প্লাজমা সায়েন্স অ্যান্ড ফিউশন সেন্টারের মতো একাধিক গবেষণা কেন্দ্রগুলোর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ২০২৫ সালের অগাস্ট মাস থেকে স্টিভেন গার্সিয়ার কোনও খোঁজ নেই । তাঁর নিউ মেক্সিকোর বাড়িতে ফোন, ওয়ালেট, চাবি সব পড়ে রয়েছে। শুধুমাত্র তিনি নেই। তাঁর আগ্নেয়াস্ত্রটিও উধাও হয়ে গিয়েছে। স্টিভেন কানসাস সিটি ন্যাশনাল সিকিওরিটি ক্যাম্পাসের দায়িত্বে ছিলেন। একই বছরের ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন বায়ুসেনার অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল উইলিয়াম নিল ম্যাকাসল্যান্ড নিখোঁজ হয়ে যান। বাড়ি থেকে হেঁটেই তিনি বেরিয়ে যান বলে মনে করা হচ্ছে। আবার কেউ বাড়িতে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান, কাউকে আবার খুন করা হয়েছে বলে নিশ্চিত তদন্তকারীরা। উইলিয়াম ‘স্পেস ওয়েপন’ বিভাগে কর্মরত ছিলেন। তাঁর সতীর্থ মনিকা রেজার নিখোঁজ হয়ে যান ২০২৫ সালের ২০ জুন মাসে।

ফার্মাসিউটিক্যাল গবেষক জেসন টমাস ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যান। ২০২৬ সালের ১৭ মার্চ ওয়েকফিল্ডের হ্রদের নীচ থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। অন্যদিকে, ২০২৩ সালের ৩০ জুলাই আচমকা মৃত্যু হয় মাইকেল ডেভিড হিকসের। তিনি নাসার জেট প্রপালসন ল্যাবরেটরিতে গবেষণারত ছিলেন। তাঁর মৃত্যুর কারণ খোলসা হয়নি আজও। ময়নাতদন্দের রেকর্ড পর্যন্ত নেই। ১৯৯৮ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত অন্তত ৮০টি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয় তাঁর নামে। ধূমকেতু এবং গ্রহাণুর উপাদান বুঝতে নাসাকে সাহায্য করেন তিনি। পাশাপাশি, নাসার বিজ্ঞানী ফ্র্যাঙ্ক মেওয়াল্ড, কার্ল গ্রিলমেইর, এমআইটি-র অধ্যাপক নানো লওরেইরোর রহস্যজনক মৃত্যু হয়। রাতারাতি নিখোঁজ হয়ে গিয়েছেন লস আলমোস ন্যাশনাল ল্যাবসের মেলিসা কেসিয়াস, অ্যান্টনি চাভেজ। পর পর এই ঘটনাগুলির মধ্যে কোনও যোগসূত্র রয়েছে কিনা, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তাঁদের সঙ্গে কী ঘটেছে, তা নিয়েও ধোঁয়াশা রয়েছে। তাই প্রশ্ন উঠছে,তাঁরা কী গোপন কিছু জেনে গিয়েছিলেন?