Narendra Modi Announcements: AI-পরমাণু শক্তি থেকে ফ্রি কোচিং, স্বাধীনতা দিবসে বড় বড় ঘোষণা মোদীর

প্রথমেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI নিয়ে বড় ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী। আগামী এক বছরে দেশজুড়ে মিশন মোডে ১ কোটি যুবক-যুবতীকে AI-এর প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এর লক্ষ্য হল দেশের তরুণদের ভবিষ্যতের প্রযুক্তির জন্য প্রস্তুত করা। শিক্ষাক্ষেত্রেও নতুন উদ্যোগের কথা ঘোষণা করা হয়েছে।

Published on: Aug 15, 2026, 10:13:38 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে দেশবাসীর জন্য একাধিক বড় ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। লালকেল্লা থেকে তাঁর বক্তব্যে উঠে এল প্রযুক্তি, শিক্ষা, প্রতিরক্ষা, খেলাধুলা, সেমিকন্ডাক্টর এবং পরমাণু শক্তির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আগামী কয়েক বছরকে সামনে রেখে একাধিক নতুন লক্ষ্যের কথাও জানান তিনি।

দেশবাসীর জন্য একাধিক বড় ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। (PTI)
দেশবাসীর জন্য একাধিক বড় ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। (PTI)

প্রথমেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI নিয়ে বড় ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী। আগামী এক বছরে দেশজুড়ে মিশন মোডে ১ কোটি যুবক-যুবতীকে AI-এর প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এর লক্ষ্য হল দেশের তরুণদের ভবিষ্যতের প্রযুক্তির জন্য প্রস্তুত করা। শিক্ষাক্ষেত্রেও নতুন উদ্যোগের কথা ঘোষণা করা হয়েছে। বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়া যুবকদের জন্য বিনামূল্যে অনলাইন কোচিংয়ের ব্যবস্থা করা হবে। বিশেষ করে গরিব এবং মধ্যবিত্ত পরিবারের পড়ুয়াদের এই সুবিধা দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে।

মোদীর ভাষণে প্রতিরক্ষার বিষয়টিও বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। বদলে যাওয়া নিরাপত্তা পরিস্থিতির মোকাবিলায় প্রতিরক্ষা প্রশিক্ষণকে আরও আধুনিক করার কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতাও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

খেলাধুলার ক্ষেত্রেও নতুন কর্মসূচির ঘোষণা করা হয়েছে। দেশজুড়ে খেলোয়াড় খোঁজার জন্য একটি বিশেষ অভিযান চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে। গ্রামের পাশাপাশি শহরেও এই প্রতিভা খোঁজা হবে। ৫ থেকে ১৫ বছর বয়সি শিশুদের এই কর্মসূচির আওতায় আনার লক্ষ্য রয়েছে। দেশের সেমিকন্ডাক্টর শিল্প নিয়েও বড় পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছে। আগামী ১ থেকে ২ বছরের মধ্যে ৭ থেকে ৮টি নতুন সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদন কেন্দ্র চালু করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। এর ফলে দেশে চিপ উৎপাদন বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

সেমিকন্ডাক্টরকে বর্তমানে আধুনিক প্রযুক্তির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে দেখা হয়। মোবাইল ফোন, কম্পিউটার থেকে শুরু করে গাড়ি এবং বিভিন্ন উন্নত প্রযুক্তির সরঞ্জাম তৈরিতে এর প্রয়োজন হয়। ফলে দেশে চিপ উৎপাদনের ক্ষমতা বাড়ানোকে কৌশলগত দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। পরমাণু শক্তি নিয়েও বড় লক্ষ্য ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। ২০৪৭ সালের মধ্যে দেশের পরমাণু বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ১০০ গিগাওয়াটে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য রাখা হয়েছে।

এছাড়াও আগামী ৬ থেকে ৭ বছরের মধ্যে পাঁচটি নতুন পরমাণু রিঅ্যাক্টর চালু করার পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছে। এর ফলে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনে পরমাণু শক্তির অংশ আরও বাড়তে পারে। মোদীর এই ঘোষণাগুলিতে একদিকে তরুণদের দক্ষতা বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে দেশের প্রযুক্তি এবং প্রতিরক্ষা পরিকাঠামো শক্তিশালী করার পরিকল্পনাও স্পষ্ট হয়েছে।

শিক্ষা, AI এবং খেলাধুলার মতো ক্ষেত্রে সরাসরি সাধারণ মানুষের সঙ্গে যুক্ত উদ্যোগের কথা বলা হয়েছে। আবার সেমিকন্ডাক্টর, প্রতিরক্ষা এবং পরমাণু শক্তির মতো ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় সক্ষমতা তৈরির লক্ষ্য সামনে রাখা হয়েছে।

স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে এই ঘোষণাগুলির মাধ্যমে আগামী দিনের ভারতের জন্য একটি বড় রূপরেখা তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী। প্রযুক্তিতে দক্ষ যুবসমাজ, শক্তিশালী প্রতিরক্ষা, উন্নত খেলাধুলার পরিকাঠামো এবং নিজস্ব শিল্পক্ষমতা গড়ে তোলার উপরই বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।

  • Abhijit Chowdhury
    ABOUT THE AUTHOR
    Abhijit Chowdhury

    ২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More