Gurugram Woman Biker: 'আমার বন্ধু কল্যাণ গাড়ি চালাচ্ছিল!' মহিলা বাইকারকে ধাওয়া করে ধাক্কা, বিস্ফোরক গাড়ির মালিক
Gurugram Woman Biker: গাড়িটি হরিয়ানার পালওয়ালের বাসিন্দা মণীশ নামে এক যুবকের নামে রয়েছে। গাড়িটির রেজিস্ট্রেশন নম্বর ‘এইচআর৩০ওয়াই৪৯৪৯।'
Gurugram Woman Biker: হরিয়ানার গুরগাঁও-এ ব্যস্ত গলফ কোর্স রোডে (Golf Course Road) এক মহিলা বাইকারকে সজোরে ধাক্কা মারার অভিযোগ উঠল বেপরোয়া গতির একটি গাড়ির বিরুদ্ধে। হিট-এন্ড-রান (hit-and-run) ঘটনার জেরে গুরুতর আহত হয়েছেন ওই মহিলা বাইকার। ঘটনাটির রোমহর্ষক দৃশ্য ওই বাইকারের হেলমেটে লাগানো অ্যাকশন ক্যামেরায় ধরা পড়ে, যা পরবর্তীতে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এই আবহে ওই গাড়ির মালিক জানালেন, মহিলা বাইকারকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া গাড়িটি তিনি চালাচ্ছিলেন না।

রবিবার গুরুগ্রামের গলফ কোর্স রোডে ঘটনাটি ঘটে। সেদিন নিজের এপ্রিলিয়া আরএস ৪৫৭ (RS 457) স্পোর্টস বাইক নিয়ে অন্যান্য বাইক চালকদের একটি দলের সঙ্গে যাচ্ছিলেন সিয়া। ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করা ভিডিওতে সিয়ার অভিযোগ, যাত্রা শুরুর পর থেকেই একটি গাড়ির কয়েকজন যাত্রী তাঁকে অনুসরণ করছিলেন। তাঁর দাবি, গাড়িটি বারবার তাঁর বাইকের খুব কাছে চলে আসছিল এবং গাড়ির ভিতরে থাকা ব্যক্তিরা আক্রমণাত্মক আচরণ করছিলেন। সিয়া জানান, তিনি গাড়ির আরোহীদের নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখতে বলেছিলেন। কিন্তু তাঁকে বাইক থামাতে বলা হয় বলে অভিযোগ। তাঁর দাবি, গাড়ির ভিতরে থাকা ব্যক্তিদের দেখে তাঁদের মদ্যপ বলে মনে হচ্ছিল। গাড়িটি যাতে তাঁর বাইকের সামনে এসে রাস্তা আটকে দিতে না পারে, সে কারণে তিনি এগিয়ে যেতে থাকেন। তাঁর পিছনে থাকা এক বন্ধুও তাঁকে আড়াল করার চেষ্টা করেন এবং গাড়িটিকে ফের তাঁর পাশে চলে আসা থেকে আটকানোর চেষ্টা করেন। সিয়ার অভিযোগ, এরপরও গাড়িটি তাঁর পিছু নিতে থাকে। এক সময় গাড়ির চালক তাঁর বাইকের সামনে ঢোকার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ। এরপরই গাড়িটি তাঁর বাইকে ধাক্কা মারে এবং দ্রুত সেখান থেকে পালিয়ে যায়।
এই দুর্ঘটনায় যুক্ত মারুতি সুজ়ুকি সিয়াজ গাড়িটি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি-র হাতে এসেছে। জানা গিয়েছে, গাড়িটি হরিয়ানার পালওয়ালের বাসিন্দা মণীশ নামে এক যুবকের নামে রয়েছে। গাড়িটির রেজিস্ট্রেশন নম্বর ‘এইচআর৩০ওয়াই৪৯৪৯।' এনডিটিভি-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে মণীশ দাবি করেছেন, ঘটনাটি ঘটার সময় গাড়িটি তিনি চালাচ্ছিলেন না। চালাচ্ছিলেন তাঁর বন্ধু। এমনকী ঘটনাটির কথা অনেক ক্ষণ পর্যন্ত তিনি জানতেনও না। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পরেই তিনি ঘটনা সম্পর্কে জানতে পারেন। মণীশের কথায়, ‘আমি সেনাবাহিনীতে কর্মরত এবং বর্তমানে অসমে রয়েছি। গতকাল এক বন্ধু আমার পরিবারের কাছ থেকে গাড়িটি চেয়েছিল। আমার পরিবারের সদস্যেরা তাঁকে গাড়ির চাবি দেন। ওর নাম কল্যাণ। ওই গাড়ি চালাচ্ছিল। ভিডিওটি দেখার পর এবং লোকজনের কাছ থেকে ফোন পাওয়ার পরই আমি ঘটনাটি সম্পর্কে জানতে পারি।’ এদিকে, ঘটনার তদন্তে নেমেছে গুরুগ্রাম ট্রাফিক পুলিশ। ইতিমধ্যে পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে মামলা রুজু করেছে। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে চালকের সন্ধান চলছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত চালককে শীঘ্রই গ্রেফতার করা হবে এবং ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চলছে।
E-Paper

